পশ্চিম তীরে সহিংসতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ

জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনের
নেদারল্যান্ডের আমস্টারডামে প্রথমবার মাইকে আজান প্রচার হয়েছে। স্থানীয় মুসল্লিসহ ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরাও মসজিদের বাইরে দাঁড়িয়ে প্রথমবারের মতো আজান শোনার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। অনেকেই এই মুহূর্তটি তাদের সেলফোনে রেকর্ড করে রাখেন।
মসজিদের মুখপাত্র নুরদীন ওয়াইল্ডম্যান জানান, এক সপ্তাহ আগের জুমায় এই আজান প্রচার করার কথা ছিল। কিন্তু বাধা সত্ত্বেও চলতি সপ্তাহের জুমায় লাউডস্পিকারে আজান প্রচার হয়। এতে তিনি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছেন। তিনি বলেন, আজান প্রচারের পর স্থানীয়দের কাছ থেকে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। কেউ সমালোচনা করেন। কেউ ইতিবাচক জানিয়েছেন।
উরসুলা ভ্যান স্পর্নসেন নামে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী একজন জানান, তিনি স্থানীয় বাসিন্দা। আজান শোনার জন্যই প্রথমবার এই মসজিদে আসেন। এটি শুনতে অনেক ভালো লাগছিল। আমস্টারডামের ব্লু মস্ক বা নীল মসজিদ নামে পরিচিত মসজিদটিতে ৮ নভেম্বর প্রথম আজান প্রচার করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু কিছু দুষ্কৃতকারি অডিও সিস্টেমের তার কেটে দেয়ার ফলে এক সপ্তাহ পরে আজান প্রচার করার সময় নির্ধারিত হয়।
প্রসঙ্গত, নেদারল্যান্ডজুড়ে শতকরা ৭ ভাগ মসজিদে বছরের পর বছর ধরে লাউডস্পিকারে আজান প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু রাজধানী আমস্টারডামে এই প্রথম আজান প্রচার করা হয়। নেদারল্যান্ডে প্রায় ৫০০টির মতো মসজিদ রয়েছে। সূত্র : দ্য আইরিশ টাইমস।
দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।