অর্থনৈতিক মুক্তিই বাঙালির লক্ষ্য : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি

Daily Inqilab স্টাফ রিপোর্টার

২৬ মার্চ ২০২৩, ০৪:২৯ পিএম | আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৩, ১১:৫৯ পিএম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান বলেছেন, শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তিই আমাদের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার। বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাধারণ মানুষের মুক্তি হচ্ছে আসল কথা। খেটে খাওয়া, শ্রমজীবী মানুষ- তার যে দারিদ্রের বলয় সেটিকে ভেঙে অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। পুরো বিশ^ব্যবস্থা সম্পর্কে আমরা জানি। সেখানে যদি মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা তৈরি না হয়, তাহলে সে ঝড়ে পরতে পারে। আমাদের মূল জায়গা একটি মানুষও যেন ঝড়ে না পরে।

রোববার (২৬ মার্চ) সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর আবদুস সালাম হাওলাদার, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন দপ্তরের বিভাগীয় প্রধানসহ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

দেশের প্রথিতযশা সমাজবিজ্ঞানী ড. মশিউর রহমান বলেন, স্মৃতিসৌধে আসার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নিজেদের সমৃদ্ধ করা, শাণিত করা। আর মুক্তিযুদ্ধের মূল জায়গা প্রতিটি মানুষের মুক্তি। বঙ্গবন্ধু শোষণহীন, বঞ্চনাহীন একটি সমাজের কথা ভেবেছিলেন। যদি সমতাভিত্তিক সমাজ সৃষ্টি করা যায়, যেখানে বৈষম্য থাকবে না। তাহলে প্রতিটি মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে পারবো। এটিই স্বাধীনতার মূল জায়গা। পাশাপাশি আমরা অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চেয়েছিলাম।

ড. মশিউর রহমান বলেন, আমরা ৯ মাসের সশস্ত্র লড়াইয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছি ঠিকই কিন্তু অর্থনৈতিক মুক্তি এখনো নিশ্চিত হয়নি। সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের সমাজে বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক আলোড়ন এবং জাগরণ দরকার। কখনো কখনো অগণতান্ত্রিক সরকার, কখনো আধা-সামরিক বাহিনী ক্ষমতায় আসে। তার মধ্য দিয়ে যে চর্চা হয় তাতে আমরা বিচ্যুত হই। কিন্তু আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থাপনা গড়তে চাই, যে শিক্ষার মধ্য দিয়ে সমতাভিত্তিক এবং অধিকারের সমাজ সৃষ্টি হবে।’ সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ভিসি ড. মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।


বিভাগ : বাংলাদেশ


মন্তব্য করুন

HTML Comment Box is loading comments...

এই বিভাগের আরও

বাগেরহাটে র‌বি সিম বি‌ক্রেতা‌কে  সংঘবদ্ধ ধর্ষন ও ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার ২
কুষ্টিয়ায় গাড়িচাপায় চার মাসের শিশুর মৃত্যু
চিলমারীতে অষ্টমীর স্নান পুলিশের ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত
৩৬ বছর পরে প্রিয় বিদ্যাপীঠে বন্ধুদের মিলন মেলা খুশিতে মেতে উঠে সবাই
ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র, মাদক ও বোমা সহ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বাহিনীর ৫ সদস্য আটক
আরও
X

আরও পড়ুন

মতলবে কৃষি জমিতে বৈদ্যুতিক ফাঁদে প্রাণ হারলো যুবক

মতলবে কৃষি জমিতে বৈদ্যুতিক ফাঁদে প্রাণ হারলো যুবক

গাজার তিন স্কুলে ইহুদি হামলা, ১৮ শিশুসহ শহীদ ৩৩

গাজার তিন স্কুলে ইহুদি হামলা, ১৮ শিশুসহ শহীদ ৩৩

আইপিএলে দুই হাতেই বল করে কামিন্দুর ইতিহাস

আইপিএলে দুই হাতেই বল করে কামিন্দুর ইতিহাস

বাগেরহাটে র‌বি সিম বি‌ক্রেতা‌কে  সংঘবদ্ধ ধর্ষন ও ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার ২

বাগেরহাটে র‌বি সিম বি‌ক্রেতা‌কে  সংঘবদ্ধ ধর্ষন ও ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার ২

অধ্যাপক ইউনূস ও মোদীর বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা

অধ্যাপক ইউনূস ও মোদীর বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা

কুষ্টিয়ায় গাড়িচাপায় চার মাসের শিশুর মৃত্যু

কুষ্টিয়ায় গাড়িচাপায় চার মাসের শিশুর মৃত্যু

চিলমারীতে অষ্টমীর স্নান পুলিশের ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত

চিলমারীতে অষ্টমীর স্নান পুলিশের ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত

৩৬ বছর পরে প্রিয় বিদ্যাপীঠে বন্ধুদের মিলন মেলা খুশিতে মেতে উঠে সবাই

৩৬ বছর পরে প্রিয় বিদ্যাপীঠে বন্ধুদের মিলন মেলা খুশিতে মেতে উঠে সবাই

ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র, মাদক ও বোমা সহ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বাহিনীর ৫ সদস্য আটক

ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র, মাদক ও বোমা সহ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বাহিনীর ৫ সদস্য আটক

ভারতে বেড়াতে যেয়ে ধর্ষিতা জার্মান তরুণী, ট্যাক্সি চালক গ্রেফতার

ভারতে বেড়াতে যেয়ে ধর্ষিতা জার্মান তরুণী, ট্যাক্সি চালক গ্রেফতার

ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে চান সারজিস আলম

ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে চান সারজিস আলম

মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জীর ইন্তেকালে বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতৃবৃন্দের  শোক প্রকাশ

মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জীর ইন্তেকালে বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতৃবৃন্দের শোক প্রকাশ

দূষণের মাঝেই দিল্লিতে টেস্ট: যে ব্যাখ্যা দিলেন বিসিসিআই সচিব

দূষণের মাঝেই দিল্লিতে টেস্ট: যে ব্যাখ্যা দিলেন বিসিসিআই সচিব

রাফার দখল নিল ইসরাইল, ফের লাখ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুহারা

রাফার দখল নিল ইসরাইল, ফের লাখ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুহারা

টাঙ্গাইলে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

টাঙ্গাইলে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

মুসলিম দেশগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকলে শত্রুরা অত্যাচার চালাতে পারবে না

মুসলিম দেশগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকলে শত্রুরা অত্যাচার চালাতে পারবে না

লাকসামে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে কনস্টেবলকে মারধরের অভিযোগ

লাকসামে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে কনস্টেবলকে মারধরের অভিযোগ

গৃহকর্মী মারধরের ঘটনায় পরীর বিরুদ্ধে জিডি

গৃহকর্মী মারধরের ঘটনায় পরীর বিরুদ্ধে জিডি

রাশিয়াকে ফুটবলের মানচিত্রে ফেরার জন্য দোয়া করতে বললেন ফিফা সভাপতি

রাশিয়াকে ফুটবলের মানচিত্রে ফেরার জন্য দোয়া করতে বললেন ফিফা সভাপতি

মুসলমানদের ওয়াকফ সম্পত্তি যেভাবে লুট হচ্ছে ভারতে

মুসলমানদের ওয়াকফ সম্পত্তি যেভাবে লুট হচ্ছে ভারতে