সালথায় আ'লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ
০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:২৫ এএম | আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:২৫ এএম

ফরিদপুরের উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় পক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুরসহ একজনের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (০৩ এপ্রিল) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরুটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরুটিয়া গ্রামে দুটি পক্ষ রয়েছে। এক পক্ষে নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি হারুন মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া। অপর পক্ষে ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আফছার মাতুব্বরের সমর্থক বেলায়েত মোল্লা।
দুপুরে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এ সময় বেলায়েত মোল্লার সমর্থক আজিজুল শেখকে (৪০) কুপিয়ে জখম করেন প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনার জেরে বিকেলে দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। প্রায় দুই ঘণ্টা দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার সময় উভয় পক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সমর্থক কৃষক কবির শেখের বসতঘরে আগুন দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
বেলায়েত মোল্লা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে বিএনপি নেতার ছেলে মিন্টু মিয়া এলাকায় থাকতে হলে তাকেসহ তাদের অনেকের কাছে টাকা চান। সম্প্রতি মালয়েশিয়া থেকে অসুস্থ হয়ে বাড়িতে এসেছেন তাদের সমর্থক আজিজুল। মিন্টু মিয়ার সমর্থকেরা তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। টাকা কম দেওয়ায় আজিজুলকে কুপিয়ে আহত করা হয়। খবর শোনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানান। এরপর ওরা (বিএনপির লোকজন) ঢাল-সরকি নিয়ে তার বাড়িতে হামলা করে তাদের ১০ থেকে ১২টি বাড়ি ভাঙচুর করে এবং একজনের বাড়িতে আগুন দেয়।
অভিযোগের বিষয়ে মিন্টু মিয়া বলেন, এলাকার পেঁয়াজ তোলার শ্রমিক সরবরাহের বিরোধ থেকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কারও কাছে চাঁদা চাওয়া হয়নি কিংবা চাঁদা চাওয়া নিয়ে মারামারি হয়নি। তিনি বলেন, ‘সংঘর্ষে আমার দলের অনেককে আহত করা হয়েছে। আমার সমর্থকদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।’
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে গ্রামের আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এ সময় একটি বাড়ি ভাঙচুরসহ কয়েকটি খড়ের গাদায় আগুন দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বিভাগ : বাংলাদেশ
মন্তব্য করুন
এই বিভাগের আরও






আরও পড়ুন

ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে গাজা থেকে ছোড়া একাধিক রকেট

৫ বছর পর গোলহীন ম্যানচেস্টার ডার্বি

মার্কিন শুল্ক শূন্যে নামিয়ে আনার প্রস্তাব ভিয়েতনামের : ট্রাম্পের জন্য কি তা যথেষ্ট হবে?

প্রতারণার দায়ে ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

‘শূন্য শুল্ক পরিস্থিতি’ ও যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপের ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের’ পক্ষে ইলন মাস্ক

মানবপাচার রোধে বাংলাদেশ নিজ প্রতিশ্রুতিতে অটল :স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ : বেশ ক’জন গ্রেফতার

মিয়ানমারের ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৩ হাজার ৪৫৫ ইউএসএআইডির তিন কর্মী বরখাস্ত

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস নিয়ে আসিফ নজরুলের উদ্বেগ

নির্বাচনের সব কাজ ভালোভাবে এগোচ্ছে : সিইসি

আওয়ামী লীগপন্থী ৭২ আইনজীবী কারাগারে, ১১ জনের জামিন

বাঁশখালীতে বিষ দিয়ে বোনের ধান ক্ষেত জ্বালিয়ে দিলো ভাই

নতজানু ও দলকানা সাংবাদিকতা ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটায় -কাদের গণি

কুষ্টিয়ায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশুর ঘর পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার দাবি -প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি পেশ

আসামিদের ছাড়িয়ে নিতে জীবননগর থানা ঘেরাও

টাকার লোভে আ.লীগকে ফিরিয়ে আনতে চাইছে কিছু রাজনৈতিক দল -নজরুল ইসলাম খান

গফরগাঁওয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

চুয়েটে লেভেল-১ স্নাতক কোর্সে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু ৯ এপ্রিল

নাটোরে সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা