রানীশংকৈলে কালের সাক্ষী ৬শ’ বছরের প্রাচীন তিন গম্বুজ মসজিদ
১৬ মার্চ ২০২৫, ১২:০২ এএম | আপডেট: ১৬ মার্চ ২০২৫, ১২:০২ এএম

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে প্রাচীন যুগের ঐতিহাসিক ৬০০ বছরের পুরনো তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটি উপজেলার হোসেগাঁও ইউনিয়নের ক্ষুদ্র বাঁশবাড়ি গ্রামে অবস্থিত। মসজিদটি উত্তর বঙ্গের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার মধ্যে অন্যতম।
ঘনবসতি পূর্ণ মনোরম পরিবেশে দাঁড়িয়ে থাকা ১৪২৫ সালে নির্মিত এই তিন গম্বুজ মসজিদটি এখনো কালেরসাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মাত্র ২২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৯ ফুট প্রস্ত। মসজিদের মিনারের উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট। মসজিদটির ভেতরে রয়েছে চুন সুরকির বাহারি ডিজাইনের নকশা একেকটি পাথরে খোদাই করা রয়েছে আরবি বর্ণমালা। কালের বিবর্তনে এখন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মসজিদটির সাথে নতুন একটি অবকাঠামো সংযোজন করা হয়েছে। আগে ছোট্ট ঐ মসজিদের ভেতরে মাত্র ৩০-৪০ জন্য মানুষ নামাজ আদায় করতে পারতো। এখন নতুন ঘর নির্মাণের ফলে অনেক মুসল্লি একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন।
এক সময় ধর্ম প্রচারের জন্য এখানে আসেন ‘বুড়া পীর’ নামে একজন বুজুর্গ, তার স্ত্রী সন্তান কেউ ছিলো না। পীর সাহেব ঐ এলাকার কয়েকজন মুসল্লি নিয়ে নির্মিত করেন এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি। এমন তথ্য পাওয়া গেছে স্থানীয়দের কাছ থেকে।
মসজিদটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হলে শুধু ধর্মীয় উপাসনালয় নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবেও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টিকে থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরাই পারে এই শতাব্দী প্রাচীন স্থাপনাটিকে রক্ষা করতে।
স্থানীয় বাসিন্দা অব. আর্মি রেজাউল করিম বলেন, এই মসজিদ সম্পর্কে আমি যতটুকু জানি, এটি মোঘল আমলে নির্মিত হয়েছিল।
আমাদের পূর্বপুরুষরাই এটি নির্মাণের পর থেকেই দেখাশোনা করে আসছেন। সে আমলে জনবসতী কম থাকায় ছোট পরিসরে নির্মিত হয় মসজিদটি। মাত্র ৩০ থেকে ৪০ জন মুসল্লি দুই কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতেন। এখন চারপাশে গড়ে উঠেছে জনবসতি। কিন্তু মসজিদটি ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে এখনো টিকে আছে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকার ফলে এটি প্রায় ধ্বংসের মুখে পড়েছিল। ২০১০ সালে স্থানীয়দের উদ্যোগে মসজিদটির সংস্কার করা হয়।
মসজিদের সভাপতি ইয়াসিন আলী জানান, এই মসজিদটির ইতিহাস আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছে শুনে এসেছি এখানে একজন পীর এসেছিলেন তিনিই এই মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। একসময় পীর সাহেবের মৃত্যু হয়। পরে তাকে মসজিদের পাশে কবর দেওয়া হয় । তবে কেউ বলছে ৬শ’ বছরের পুরনো আবার কেউ বলছে ৭শ’ বছরের পুরনো, তবে প্রতœতত্ত্ব বিভাগ থেকে কয়েকজন এসেছিলেন এখানে তারা ল্যাব টেস্ট করে বলেছেন এটি ৬০০ বছরের অধিক পুরনো ঐতিহ্যবাহী মসজিদ।
বিভাগ : অভ্যন্তরীণ
মন্তব্য করুন
আরও পড়ুন

অবসরের ঘোষণা দিলেন জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী তারকা

রোনালদোর জোড়া গোলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আল হিলালকে হারাল নাসের

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

মুসল্লিদের বাধায় নাটক মঞ্চায়ন বাতিলের সংবাদ বিভ্রান্তিকর

মানুষ ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করেছে: আবদুল হালিম

থাইল্যান্ড থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

নারীবান্ধব পাবলিক টয়লেট

মেডিক্যাল ট্যুরিজম

প্রেসার গ্রুপের ভালো-মন্দ

রাজধানীতে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে

ইশার নামাজের সাথে সাথে বিতির নামাজ না পড়া প্রসঙ্গে?

প্রশ্ন : মরণোত্তর চক্ষুদান বা অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান কি শরীয়ত সমর্থন করে?

মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব হচ্ছে উত্তম চরিত্রে

খালেস নিয়তে আমল করলে প্রতিদান সুনিশ্চিত

ঈদ আসে-ঈদ যায়, স্মৃতিটুকু রয়ে যায়

ইসলামের দৃষ্টিতে পরোপকারের গুরুত্ব ও ফজিলত

ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদ করায় যাত্রীকে মারধর

কৃষক জজ মিয়ার মৃত্যু নিয়ে রহস্য

সরিষাবাড়ীতে বিএনপি’র দু’গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ

কনস্টেবলকে মারধরের অভিযোগ