ভয়াবহ দুর্যোগে যারা পাশে ছিল তাদের কখা কখন ভুলবে না তুরস্ক : এরদোগান

Daily Inqilab অনলাইন ডেস্ক

২১ মার্চ ২০২৩, ০২:২৪ পিএম | আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৩, ১০:৪৭ পিএম

সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের আনুমানিক খরচ প্রায় ১০ হাজার ৪০০ কোটি ডলার, একক কোনো জাতির পক্ষে এই মাত্রার সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব নয়।

ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা যে সংহতি দেখিয়েছে, তুরস্ক তা কখনই ভুলবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

আনাদোলু জানিয়েছে, তুর্কি নেতা সোমবার বলেছেন, আঙ্কারার এই কঠিন সময়ে আমাদের সকল বন্ধু, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সকল প্রতিষ্ঠান, সদস্য ও প্রার্থী দেশ, জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা যে সংহতি প্রদর্শন করেছে, তা আমরা কখনই ভুলব না।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্ক ও সিরিয়ায় আঘাত হানে ভয়াবহ ভূমিকম্প। এতে উভয়দেশে প্রায় ৬০ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটেছে। শুধু তুরস্কে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১১টি প্রদেশ। বিধ্বস্ত হয়েছে দুই লক্ষাধিক ভবন। বিগত ১০০ বছরের মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগ।

তুর্কি বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় কমিশন এবং ইইউ কাউন্সিলের সুইডিশ প্রেসিডেন্সি আয়োজিত আন্তর্জাতিক দাতা সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন এরদোগান। দক্ষিণ তুরস্কে আঘাত হানা বিধ্বংসী ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক কতটা সুগঠিত, তার আরেকটি উদাহরণ এই সম্মেলন।


বিভাগ : আন্তর্জাতিক


মন্তব্য করুন

HTML Comment Box is loading comments...

আরও পড়ুন

'অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা' আখ্যা দিলেও আগ্রাসন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার নেতানিয়াহুর

'অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা' আখ্যা দিলেও আগ্রাসন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার নেতানিয়াহুর

ইউরোর প্রাথমিক দল ঘোষণা স্পেনের,নতুন মুখ ফেরমিন লোপেজ

ইউরোর প্রাথমিক দল ঘোষণা স্পেনের,নতুন মুখ ফেরমিন লোপেজ

দেড় লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

দেড় লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

পানিবন্দি লাখো মানুষ

পানিবন্দি লাখো মানুষ

দুনিয়ার ধন-সম্পদ মানুষের জন্য পরীক্ষা

দুনিয়ার ধন-সম্পদ মানুষের জন্য পরীক্ষা

ভারত একনায়কতন্ত্রের দিকে যাচ্ছে, পুতিন ও শেখ হাসিনা যা করেছেন মোদি তাই করতে চাইছেন -অরবিন্দ কেজরিওয়াল

ভারত একনায়কতন্ত্রের দিকে যাচ্ছে, পুতিন ও শেখ হাসিনা যা করেছেন মোদি তাই করতে চাইছেন -অরবিন্দ কেজরিওয়াল

ফিচ রেটিংসে ফের বাংলাদেশের ঋণমান অবনমন

ফিচ রেটিংসে ফের বাংলাদেশের ঋণমান অবনমন

এডিপি বাস্তবায়ন অর্ধেকেরও কম

এডিপি বাস্তবায়ন অর্ধেকেরও কম

নিজের বুক পেতে উপকূলকে এবারও রক্ষা করল সুন্দরবন

নিজের বুক পেতে উপকূলকে এবারও রক্ষা করল সুন্দরবন

পৌনে তিন কোটি গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

পৌনে তিন কোটি গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

কসাই জিহাদকে নিয়ে কলকাতার সেই ফ্ল্যাটে ঢাকা ডিবির তদন্ত দল

কসাই জিহাদকে নিয়ে কলকাতার সেই ফ্ল্যাটে ঢাকা ডিবির তদন্ত দল

একদিনে ৩ হাজার ৩৩৫ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড!

একদিনে ৩ হাজার ৩৩৫ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড!

রিমালের প্রভাবে আন্তর্জাতিক রুটের ১০ ফ্লাইট বাতিল

রিমালের প্রভাবে আন্তর্জাতিক রুটের ১০ ফ্লাইট বাতিল

১১১ উপজেলায় কোটিপতি ১০৬ প্রার্থী

১১১ উপজেলায় কোটিপতি ১০৬ প্রার্থী

নিষেধাজ্ঞা উঠছে, সউদীর কাছে প্রাণঘাতী অস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র

নিষেধাজ্ঞা উঠছে, সউদীর কাছে প্রাণঘাতী অস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র

রাখাইনে নির্বিচারে মুসলিম নিধন ও শিরোñেদ চালাচ্ছে আর্মি

রাখাইনে নির্বিচারে মুসলিম নিধন ও শিরোñেদ চালাচ্ছে আর্মি

শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি হামলায় জীবন্ত পুড়ে মরল অসহায় ফিলিস্তিনিরা

শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি হামলায় জীবন্ত পুড়ে মরল অসহায় ফিলিস্তিনিরা

একদিনে ১৩ জনের করোনা শনাক্ত

একদিনে ১৩ জনের করোনা শনাক্ত

মসজিদসমূহ মুসলমানদের সামনে বাতিঘরের ভূমিকা পালন করেছে

মসজিদসমূহ মুসলমানদের সামনে বাতিঘরের ভূমিকা পালন করেছে

সিট বাণিজ্য বন্ধ হোক

সিট বাণিজ্য বন্ধ হোক