পণ্য খালাস না করেই গাজা থেকে ফিরে যাচ্ছে ত্রাণবাহী জাহাজ

Daily Inqilab অনলাইন ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৫৫ এএম | আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৫৫ এএম

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বিদেশি ত্রাণকর্মীদের ওপর দখলদার ইসরায়েলের বর্বর হামলার পর, পণ্য খালাস না করে গাজা উপকূল থেকে ফিরে যাচ্ছে ২৪০ টন ত্রাণ নিয়ে আসা একটি জাহাজ।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে সাইপ্রাস। এই সাইপ্রাস থেকেই ত্রাণ নিয়ে গাজা উপকূলে ভিড়েছিল জাহাজ। এরমধ্যে একটি জাহাজ থেকে ১০০ টন ত্রাণ খালাস করার পরই ত্রাণকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

এই ত্রাণগুলো বিতরণের দায়িত্বে ছিল ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন নামের একটি বেসরকারি সংস্থা। ইসরায়েলিদের হামলায় সংস্থাটির অন্তত ৭ কর্মী নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, পোল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার যৌথ এবং ফিলিস্তিনি নাগরিক ছিলেন। নিহতদের মধ্যে শুধুমাত্র যুক্তরাজ্যেরই তিনজন রয়েছেন।

কর্মী নিহত হওয়ার পর গাজায় নিজেদের কার্যক্রম স্থগিত করে দেয় ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন। আরও হামলার শঙ্কায় এখন ত্রাণবাহী জাহাজ পণ্য খালাস না করে চলে যাচ্ছে।

ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহত দলটি ডব্লিউসিকে লোগোযুক্ত গাড়িতে করে একটি বিচ্ছিন্ন অঞ্চল দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করা সত্ত্বেও দেইর আল বালাহ’র একটি গুদাম থেকে বের হওয়ার সময় দলটি এই হামলার শিকার হয়।

সাইপ্রাসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র থেদোরোস গোতসিস বলেছেন, এই হামলার ঘটনার আগে অন্তত ১০০ টন ত্রাণ খালাস করা হয়েছে। সাইপ্রাসের লার্নাকা বন্দর থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপকূলে একটি সামুদ্রিক পথ তৈরি করা হয়েছিল। এই পথ দিয়ে অভুক্ত গাজাবাসীদের জন্য ত্রাণ আনার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু বিদেশী ত্রাণ কর্মীদের ওপর হামলার মাধ্যমে এটি এখন হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে ইসরায়েল।

বর্বর এ হামলার দায় স্বীকার করেছে দখলদার ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, অনিচ্ছাকৃতভাবে তাদের সেনারা ত্রাণকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় ইসরায়েল ক্ষমা চেয়েছে। সূত্র: দ্য মিরর


বিভাগ : আন্তর্জাতিক


মন্তব্য করুন

HTML Comment Box is loading comments...

এই বিভাগের আরও

ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানিকতা শুরু
ঐতিহ্যবাহী ওষুধ পরীক্ষায় তৃতীয় স্থানে ইরান
একই গাড়িতে শপথ অনুষ্ঠানে পৌঁছলেন ট্রাম্প ও বাইডেন
সৌদি আরবে ব্যাপক ধরপাকড়, ২১ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার
শপথের আগে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানালেন পুতিন
আরও

আরও পড়ুন

ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানিকতা শুরু

ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানিকতা শুরু

ঐতিহ্যবাহী ওষুধ পরীক্ষায় তৃতীয় স্থানে ইরান

ঐতিহ্যবাহী ওষুধ পরীক্ষায় তৃতীয় স্থানে ইরান

একই গাড়িতে শপথ অনুষ্ঠানে পৌঁছলেন ট্রাম্প ও বাইডেন

একই গাড়িতে শপথ অনুষ্ঠানে পৌঁছলেন ট্রাম্প ও বাইডেন

সৌদি আরবে ব্যাপক ধরপাকড়, ২১ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

সৌদি আরবে ব্যাপক ধরপাকড়, ২১ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

শেরপুরে ৪ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বাবু কারাগারে

শেরপুরে ৪ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বাবু কারাগারে

শপথের আগে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানালেন পুতিন

শপথের আগে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানালেন পুতিন

গোরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

গোরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

আবু সাঈদ হত্যা বেরোবির ৫৬ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার, ১৫ জনের বিরুদ্ধে হবে মামলা

আবু সাঈদ হত্যা বেরোবির ৫৬ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার, ১৫ জনের বিরুদ্ধে হবে মামলা

বিরলে জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের চুড়ান্ত খেলা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

বিরলে জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের চুড়ান্ত খেলা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

ঈশ্বরগঞ্জে তারুণ্যের উৎসব ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

ঈশ্বরগঞ্জে তারুণ্যের উৎসব ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

ট্রাম্প ভাঙলেও রীতি রক্ষা করলেন বাইডেন

ট্রাম্প ভাঙলেও রীতি রক্ষা করলেন বাইডেন

লক্ষ্মীপুরে কৃষি জমির মাটি কাটায় লাখ টাকা জরিমানা

লক্ষ্মীপুরে কৃষি জমির মাটি কাটায় লাখ টাকা জরিমানা

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প, স্বাগত জানালেন বাইডেন

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প, স্বাগত জানালেন বাইডেন

চকরিয়ায় বসতবাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, লুটপাট, ব্যবসায়ীকে গুলির ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চকরিয়ায় বসতবাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, লুটপাট, ব্যবসায়ীকে গুলির ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

৬ সংস্কার কমিশনের মেয়াদ বেড়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

৬ সংস্কার কমিশনের মেয়াদ বেড়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

কুমিল্লা নগরীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে অর্ধলক্ষ টাকা জরিমানা ভ্রাম্যমান আদালতের

কুমিল্লা নগরীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে অর্ধলক্ষ টাকা জরিমানা ভ্রাম্যমান আদালতের

রাষ্ট্র সংস্কারের আগে কোন নির্বাচন নয়: ইসলামী আন্দোলন

রাষ্ট্র সংস্কারের আগে কোন নির্বাচন নয়: ইসলামী আন্দোলন

ইরান-আফগানিস্তান বাণিজ্য বেড়েছে ৮৪ শতাংশ

ইরান-আফগানিস্তান বাণিজ্য বেড়েছে ৮৪ শতাংশ

‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের যাত্রা সুসংহত করবে বিচার বিভাগ’

‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের যাত্রা সুসংহত করবে বিচার বিভাগ’

ঈশ্বরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

ঈশ্বরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার