সিরিয়ায় আসাদ অনুগত কর্মকর্তার জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
১১ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:৪৫ এএম | আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:৪৬ এএম
সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের আন্দোলনের মুখে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের অনুগত ও তথ্যদাতা সরকারি এক কর্মকর্তার জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। শুক্রবার আসাদের অনুগত ওই কর্মকর্তাকে মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় বলে যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে।
সংস্থাটি বলেছে, সিরিয়ার ইসলামপন্থী গোষ্ঠী নেতৃত্বাধীন অন্তর্র্বতীকালীন প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যোদ্ধারা দেশটির স্থানীয় একজন কর্মকর্তার প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছেন। দেশটির ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদের অনুগত ও তথ্য পাচারকারী হিসেবে অভিযোগ তুলে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে, সিরিয়ার নতুন শাসকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যোদ্ধারা শুক্রবার সকালে সাবেক প্রশাসনের সবচেয়ে পরিচিত অনুগতদের একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা আসাদ অনুগত ওই কর্মকর্তার নাম মাজেন কেনেহ।
ব্রিটেন-ভিত্তিক এই পর্যবেক্ষক সংস্থা বলেছে, রাজধানী দামেস্কের উপকণ্ঠের দুম্মারের রাস্তায় যোদ্ধারা কেনেহর মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করেছেন।
সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে, তার বিরুদ্ধে বিদ্বেষপ্রসূত নিরাপত্তা প্রতিবেদন লেখার অভিযোগ তোলা হয়েছিল। যে প্রতিবেদনের জেরে দেশটির অনেক যুবককে নির্যাতন ও কারাভোগ করতে হয়; যারা আসাদের শাসনামলে কারাগারে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।
বিদ্রোহীদের তুমুল আন্দোলনের মুখে গত ৮ ডিসেম্বর বাশার আল-আসাদ সিরিয়া ছেড়ে রাশিয়ায় পালিয়ে যান। এরপর দেশটির ক্ষমতায় আসে সুন্নি ইসলামপন্থী বিদ্রোহীগোষ্ঠী হায়াত তাহরির-আল-শাম (এইচটিএস)। এরপর প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে আসাদ অনুগতদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু করে ক্ষমতাসীন কর্তৃপক্ষ।
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি গাছের গুঁড়িতে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে মাজেন কেনেহকে। তার জামাকাপড় রক্তাক্ত এবং মাথায় গুলির ক্ষত রয়েছে।
এ সময় ঘটনাস্থলে শিশুসহ শত শত মানুষকে দেখা যায়; যারা মরদেহের চারপাশে জড়ো হয়েছেন। ভিডিওতে অনেক মানুষকে মোবাইল ফোনে মাজেনের মরদেহের ছবি তুলতে ও ক্ষুব্ধ জনতাকে লাঠি দিয়ে মরদেহে আঘাত, এমনকি মাথায় লাথি মারতেও দেখা যায়। সূত্র: এএফপি।
বিভাগ : আন্তর্জাতিক
মন্তব্য করুন
এই বিভাগের আরও
আরও পড়ুন
আবারো রিয়াল মাদ্রিদের ত্রাণকর্তা সেই কার্লোস এস্পি
সিজনে টটেনহামের প্রথম গোল, তবুও হার লিভারপুলের কাছে
ব্রুকের বিস্ফোরক সেঞ্চুরি, রান পাহাড়ে চাপা শ্রীলংকা হারল রেকর্ড ব্যবধানে
ফোডেনের লাল, ফার্নান্দেজেরটা হলুদ—ওয়েবের ব্যাখ্যায় দুই সিদ্ধান্ত
গঠনতন্ত্র সংশোধন ও আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ
সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে পরামর্শ করে দ্রুত সংশোধন করুন
হাজিদের কোনো কষ্ট অবহেলা সহ্য করা হবে না : ধর্মমন্ত্রী
আটকে আছে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার নিয়োগ
লাইনে কাপড় পড়ায় মেট্রোরেল বন্ধ, ৪০ মিনিট পর স্বাভাবিক
আমানত বাড়লেও ঋণ প্রবৃদ্ধি ধীর, বিনিয়োগে বড় উল্লম্ফন
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে জনসচেতনতা ও খাদ্য পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে হবে : খাদ্যমন্ত্রী
পরমাণু প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী
ফ্রান্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত খন্দকার মোহাম্মদ তালহা
শেরপুরে ভারুয়া-কুশাইকুড়া রাস্তার কালভার্ট ভেঙে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ চরমে
অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির ভিডিও ভাইরাল : বিক্ষোভের মুখে সারিয়াকান্দিতে কোচিং সেন্টার সিলগালা
সরকারের সাত মাসে সর্বোচ্চ মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত হয়েছে: মাহদী আমিন
আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত প্রতিবেদন
১৪ মাস পর ডলার বিক্রি করলো বাংলাদেশ ব্যাংক
নোয়াখালীতে বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি বেগমগঞ্জে র্যাব-১১ হাতে গ্রেফতার
৩০ বছর পর বার্সেলোনায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল