সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় আনসার বাহিনীর ভূমিকা প্রশংসনীয় : প্রধানমন্ত্রী

Daily Inqilab ইনকিলাব

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৮:১৬ এএম | আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৩, ১০:৫৫ পিএম

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতা দমনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে আনসার বাহিনীর বড় ভূমিকা ছিল। এছাড়া বিএনপির জ্বালাও-পোড়াওয়ের মতো সহিংসতা ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় আনসার বাহিনী কাজ করেছে।’

রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গাজীপুরে সফিপুরের আনসার একাডেমিতে বাহিনীর ৪৩তম জাতীয় সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গ্রাম থেকে শহরে জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তায় বাহিনীটির অবদান আজ প্রশংসনীয় ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে আনসার বাহিনীর বড় ভূমিকা ছিল। তারা তাদের অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। অনেক আনসার সদস্যই স্বাধীনতাযুদ্ধে জীবন উৎসর্গ করেছেন। দেশের কল্যাণে নানাভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যাতে আনসার বাহিনী চলতে পারে, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি বাহিনীকেই সহায়তা দিচ্ছে গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, জাতির পিতার নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। কাজেই কোন বাহিনীর কী প্রয়োজন, সেটা আমরা উপলব্ধি করতে পারি। সেটা উপলব্ধি করতে পারি বলেই আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নতিতে কাজ করা হচ্ছে। আরও উন্নত করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

চলমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে গ্রামের মানুষকে পরামর্শ দিতে এই বাহিনীকে ভূমিকা রাখারও তাগিদ দেন সরকারপ্রধান।

অনুষ্ঠানে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ৮ ক্যাটাগরিতে বাহিনীর ১৮০ জনকে সাহসিকতা ও সেবা পদক দেন।


বিভাগ : জাতীয়


মন্তব্য করুন

HTML Comment Box is loading comments...

আরও পড়ুন

'অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা' আখ্যা দিলেও আগ্রাসন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার নেতানিয়াহুর

'অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা' আখ্যা দিলেও আগ্রাসন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার নেতানিয়াহুর

ইউরোর প্রাথমিক দল ঘোষণা স্পেনের,নতুন মুখ ফেরমিন লোপেজ

ইউরোর প্রাথমিক দল ঘোষণা স্পেনের,নতুন মুখ ফেরমিন লোপেজ

দেড় লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

দেড় লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

পানিবন্দি লাখো মানুষ

পানিবন্দি লাখো মানুষ

দুনিয়ার ধন-সম্পদ মানুষের জন্য পরীক্ষা

দুনিয়ার ধন-সম্পদ মানুষের জন্য পরীক্ষা

ভারত একনায়কতন্ত্রের দিকে যাচ্ছে, পুতিন ও শেখ হাসিনা যা করেছেন মোদি তাই করতে চাইছেন -অরবিন্দ কেজরিওয়াল

ভারত একনায়কতন্ত্রের দিকে যাচ্ছে, পুতিন ও শেখ হাসিনা যা করেছেন মোদি তাই করতে চাইছেন -অরবিন্দ কেজরিওয়াল

ফিচ রেটিংসে ফের বাংলাদেশের ঋণমান অবনমন

ফিচ রেটিংসে ফের বাংলাদেশের ঋণমান অবনমন

এডিপি বাস্তবায়ন অর্ধেকেরও কম

এডিপি বাস্তবায়ন অর্ধেকেরও কম

নিজের বুক পেতে উপকূলকে এবারও রক্ষা করল সুন্দরবন

নিজের বুক পেতে উপকূলকে এবারও রক্ষা করল সুন্দরবন

পৌনে তিন কোটি গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

পৌনে তিন কোটি গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

কসাই জিহাদকে নিয়ে কলকাতার সেই ফ্ল্যাটে ঢাকা ডিবির তদন্ত দল

কসাই জিহাদকে নিয়ে কলকাতার সেই ফ্ল্যাটে ঢাকা ডিবির তদন্ত দল

একদিনে ৩ হাজার ৩৩৫ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড!

একদিনে ৩ হাজার ৩৩৫ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড!

রিমালের প্রভাবে আন্তর্জাতিক রুটের ১০ ফ্লাইট বাতিল

রিমালের প্রভাবে আন্তর্জাতিক রুটের ১০ ফ্লাইট বাতিল

১১১ উপজেলায় কোটিপতি ১০৬ প্রার্থী

১১১ উপজেলায় কোটিপতি ১০৬ প্রার্থী

নিষেধাজ্ঞা উঠছে, সউদীর কাছে প্রাণঘাতী অস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র

নিষেধাজ্ঞা উঠছে, সউদীর কাছে প্রাণঘাতী অস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র

রাখাইনে নির্বিচারে মুসলিম নিধন ও শিরোñেদ চালাচ্ছে আর্মি

রাখাইনে নির্বিচারে মুসলিম নিধন ও শিরোñেদ চালাচ্ছে আর্মি

শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি হামলায় জীবন্ত পুড়ে মরল অসহায় ফিলিস্তিনিরা

শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি হামলায় জীবন্ত পুড়ে মরল অসহায় ফিলিস্তিনিরা

একদিনে ১৩ জনের করোনা শনাক্ত

একদিনে ১৩ জনের করোনা শনাক্ত

মসজিদসমূহ মুসলমানদের সামনে বাতিঘরের ভূমিকা পালন করেছে

মসজিদসমূহ মুসলমানদের সামনে বাতিঘরের ভূমিকা পালন করেছে

সিট বাণিজ্য বন্ধ হোক

সিট বাণিজ্য বন্ধ হোক