ঢাকা   শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গুলশান লেকে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশের উৎস ছয়টি সেকেন্ডারি পয়েন্ট চিহ্নিত

মা খালেদা জিয়ার নেয়া প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ ছেলে তারেক রহমানের

Daily Inqilab পঞ্চায়েত হাবিব

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৩ এএম | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৩ এএম


রাজধানীর অভিজাত এলাকা ও ডিপ্লোম্যাটিক জোন হিসেবে পরিচিত গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকা। অভিজাত এলাকার সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিবেশগত উন্নয়নের লক্ষ্যে দুই যুগের বেশি আগে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা ও বাজেট বারবার বাড়ানো হয়েছে বা হচ্ছে। কিন্তু তার পরও প্রকল্পের মূল কাজ এখনো শুরুই করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষ। বিগত ২০০১ সালের খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন চারদলীয় ঐক্যজোট সরকারের সময়ে রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) মাধ্যমে গুলশান, বনানী ও বারিধারা লেকের সৌন্দর্যবর্ধন ও লেক সুরক্ষার একটি সুনির্দিষ্ট মেগা প্রকল্পটি নেয়া হয়। সেই সময় লেকের জমি অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত রাখতে সীমানা পিলার স্থাপন এবং লেকের পাড় টেকসই করার জন্য বাঁধাইয়ের কাজ শুরু হয়েছিল। লেকে যত্রতত্র শিল্প ও গৃহস্থালি বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে রাজউক ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে তদারকি ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ নেয়া হয়। পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় পার হলেও লেকটির পুরোপুরি আধুনিকায়ন বা দূষণমুক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে হাতিরঝিল প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করেছে এক-এগারোর সরকার। তখন থেকে মূলত গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক প্রকল্পে কাজ আর আলোর মুখ দেখছে না। এ এলাকাতে একদিকে যেমন ধনিক শ্রেণির বাস, অন্যদিকে রয়েছে বিভিন্ন দেশের দূতাবাসও। পুরো এলাকায় বিস্তৃত যে লেক, সেই লেকেই বয়ে চলেছে নোংরা আর দূষিত পানি, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক পুনরুদ্ধার হলে ২০ বছরে ৩ হাজার বিলিয়ন বা ৩ লাখ কোটি টাকা আয় সম্ভব রয়েছে। এ লেকের পানি ধারণক্ষমতা পুনরুদ্ধার ও পানির গুণগত মান রক্ষাসহ প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণের মাধ্যমে ঢাকা শহরের চারদিকে সৌন্দর্য আরো বাড়বে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন লেকের দূষণ পুরোপুরি রোধ, অবৈধ সুয়ারেজ লাইন বন্ধ করা এবং যান্ত্রিক নৌকার মাধ্যমে ভাসমান বর্জ্য ও স্লাজ অপসারণের জন্য নতুন করে একটি সমন্বিত ও গতিশীল আধুনিকায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নতুন উদ্যোগ শুরু হচ্ছে। রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধ এবং পরিবেশগত উন্নয়নে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়া রাজধানীর লেকগুলোতে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশ বন্ধ, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম আরো গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারেক রহমান।

গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এ তথ্য জানান। বৈঠকে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার লেকগুলোর বর্তমান অবস্থা, দূষণের উৎস এবং সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ধানমন্ডি লেকের সংস্কার, স্লাজ অপসারণ ও পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া গুলশান লেকে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশের উৎস ও মাধ্যম হিসেবে ছয়টি প্রাইমারি এবং ছয়টি সেকেন্ডারি পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব পয়েন্ট দিয়ে লেকে দূষিত পানি ও পয়ঃবর্জ্য প্রবেশ করছে। সমস্যা সমাধানে গঠিত কারিগরি কমিটি প্রধানমন্ত্রীর সামনে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সুপারিশ উপস্থাপন করে। লেকের দূষণ রোধে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশের পথ বন্ধ, ভবনভিত্তিক এসটিপি স্থাপন এবং বিদ্যমান স্যুয়ারেজ নেটওয়ার্কের বিস্তারিত জরিপের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। একই সঙ্গে গুলশান-বনানী এলাকায় শর্তসাপেক্ষে স্যুয়ারেজ বিল আদায় এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ক্যাচমেন্ট এরিয়া বা পানি সংগ্রহের জন্য এলাকা তৈরির বিষয়েও নির্দেশনা দেয়া হয়। লেকের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে ভাসমান বর্র্জ্য অপসারণে নিয়োজিত যান্ত্রিক নৌকার সংখ্যা দুটি থেকে বাড়িয়ে ১০টিতে উন্নীত করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ভাসমান এক্সকাভেটরের মাধ্যমে লেকের তলদেশে জমে থাকা স্লাজ অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়েও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে ঢাকা মহানগর ইমারত বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী প্রযোজ্য ভবনগুলোতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসটিপি স্থাপন নিশ্চিত করার বিষয়টিতে গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া বাসাবাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের পয়ঃনিষ্কাশন লাইন সরাসরি বৃষ্টির পানির ড্রেন বা লেকের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে কি-না, তা শনাক্ত করে অবৈধ সংযোগ বন্ধে ঢাকা ওয়াসা ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার সুপারিশ করা হয় বৈঠকে। এ ছাড়াও বৈঠকে লেকের পানিতে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ানোর যন্ত্র (এরেটর) স্থাপন, দুর্গন্ধ দূর করতে জৈবিক ও রাসায়নিক পদ্ধতির সমন্বিত প্রয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি স্যানিটেশন নেটওয়ার্ক নির্মাণের প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়। তাছাড়া রাজউকের আওতাধীন লেকগুলোর সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিতে ইতোমধ্যেই ৪২ জন জনবলের সমন্বয়ে পাঁচটি বিশেষ টিম নিয়োজিত করা হয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে ঢাকার পরিবেশ রক্ষা ও সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে গুলশান-বনানী লেকের দখল রোধ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং লেকের পাড় বাঁধাই করাসহ আধুনিকায়নের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হয়। গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক উন্নয়ন প্রকল্পের মহাখালী-চেয়ারম্যান বাড়ি-কড়াইল এলাকার ২০০১, ২০০৩ এর মধ্যে লেকের মধ্যে রয়েছে ৩৩ একর। গত ২০০৮ হাসিনা সরকার ক্ষমতা এসে ২০১০ সালে এই উন্নয়ন প্রকল্পে ৪১০ কোটি ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয় এবং ২০১৩ সালের জুন মাসে কাজ শেষ করার কথা প্রকল্পে বলা হয়। কিন্তু তারা সে না করে গত ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২০ সালের স্যাটেলাইট চিত্র তুলনা করে দেখানো হয়। লেক উন্নয়ন প্রকল্পের আগে বস্তিবাসীর পুনর্বাসন করা প্রকল্পের কাজ শুরু করে। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও সমন্বয়হীনতার কারণে তা হয়নি। বরং ইতোমধ্যে অন্তত পাঁচবার প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রকল্পের বাজেট ধাপে ধাপে বাড়িয়ে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এতকিছুর পরও জমি অধিগ্রহণের টাকা পরিশোধসহ কাজ শুরু করতে না পারার এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। প্রায় একই সময়ে হাতিরঝিল প্রকল্প গ্রহণের পর তা নির্ধারিত সময়ের আগেই সেনাবাহিনী সুচারুরূপে কাজ শেষ করার অনন্য দৃষ্টান্তও আমাদের সামনে রয়েছে। ঠিক একইভাবে গুলশান-বনানী-বারিধারা প্রকল্পটিও সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের কথা শোনা গেছে বহুবার। কিন্তু এক্ষেত্রে অস্বাভাবিক অস্বচ্ছতা, ধীরগতি এবং দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও কাজ শুরু করতে না পেয়ে এক চরম ব্যর্থতার উদাহরণ তৈরি করে বিদায় নিয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকার।

জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাবিত জনগোষ্ঠী কর্তৃক পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনাভিত্তিক ক্ষতিগ্রস্ত জলাভূমি সংরক্ষণ গবেষণার (রি-ওয়েট) করা এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে বাংলাদেশের শহুরে জলাভূমির প্রথম অর্থনৈতিক মূল্যায়ন। এতে বলা হয়, গুলশান-বনানী-বারিধারা জলাভূমি বাস্তুতন্ত্রের অংশ। এর পাশেই আছে কড়াইল বস্তি। যেখানে দুই লাখ ৫০ হাজারের বেশি বাসিন্দার বাস। কড়াইল বস্তির বাসিন্দাদের সঙ্গে একটি সহ-উৎপাদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গুলশান-বনানী লেক পুনরুদ্ধার করা হলে বছরে ১০৬ বিলিয়ন টাকা (১০ হাজার ৬০০ কোটি টাকা) মূল্যের সুবিধা পাওয়া যাবে, যা দুই দশকের মধ্যে মোট তিন হাজার বিলিয়ন টাকা মূল্যে পরিণত হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু, স্মার্ট কৃষি এবং প্রান্তিক ও জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ মানুষ লেক ও লেকের কিনারা ব্যবহার করে বছরে ২১ দশমিক ১৪ কোটি টাকার বেশি বার্ষিক আয় করতে পারেন। এছাড়া লেক ঘিরে উদ্যোক্তা তৈরি হতে পারে। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা থেকে দারিদ্র্য মোকাবিলায় সামাজিক সুরক্ষা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এ লেক। জলাভূমি প্রচুর পরিমাণে পানি সঞ্চয় করে। এতে সিটি করপোরেশনের ব্যয়বহুল পানি ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমাতে পারে। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গুলশান-বনানী লেক ১৮ দশমিক ৭৫ কোটি টাকার পানি সরবরাহ করতে পারে। পানি শোষণ ও পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ালে লেকটি প্রাকৃতিক জলাধার হিসেবে তৈরি হতে পারে, যা শহরে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে। এতে ঢাকা বছরে ৪২০ কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। অতিরিক্ত পানি ধারণক্ষমতার মাধ্যমে ৪৩ দশমিক ২৪ কোটি টাকা সাশ্রয় করতে পারে। সেসঙ্গে এড়ানো যাবে বন্যাজনিত রোগের খরচ প্রায় ২০ কোটি টাকা। ঢাকার প্রেক্ষাপটে এটি বার্ষিক ৫০ কোটি টাকার শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। তাপপ্রবাহের কারণে উৎপাদনশীলতা কমছে, বাড়ছে অসুস্থতাজনিত খরচ, যার পরিমাণ প্রতিবছর এক হাজার ৭৭৩ কোটি টাকা। গুলশান-বনানী জলাভূমি ব্যবস্থায় প্রতিবছর ৩৭ কোটি টাকা মূল্যের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে নানা প্রজাতির মাছ, পাখি এবং উদ্ভিদের আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলা যায়। পুনরুদ্ধার করে গুলশান-বনানী লেককে নান্দনিক ও বিনোদনমূলক করা গেলে বছরে ২০০ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আরো বাড়তে পাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


বিভাগ : জাতীয়


মন্তব্য করুন

HTML Comment Box is loading comments...

আরও পড়ুন

রোনালদোকে নিয়েই পর্তুগাল দল ঘোষণা নতুন কোচের

রোনালদোকে নিয়েই পর্তুগাল দল ঘোষণা নতুন কোচের

বিদ্যুৎ বিপর্যয়: লন্ডনের কিংস ক্রস স্টেশনে ট্রেন চলাচলে চরম বিশৃঙ্খলা, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

বিদ্যুৎ বিপর্যয়: লন্ডনের কিংস ক্রস স্টেশনে ট্রেন চলাচলে চরম বিশৃঙ্খলা, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে পশ্চিমা দেশগুলো: ল্যাভরভ

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে পশ্চিমা দেশগুলো: ল্যাভরভ

পাটের পাশাপাশি পাটকাঠির চাহিদাও প্রচুর গ্রাম পল্লীতে

পাটের পাশাপাশি পাটকাঠির চাহিদাও প্রচুর গ্রাম পল্লীতে

সার্ককে ফের সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ

সার্ককে ফের সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ

সাগরে লঘুচাপের পূর্বাভাস, রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে

সাগরে লঘুচাপের পূর্বাভাস, রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে

সাহস থাকলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুর্নীতির তদন্ত করুন: নাহিদ ইসলাম

সাহস থাকলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুর্নীতির তদন্ত করুন: নাহিদ ইসলাম

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৭৪৭

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৭৪৭

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সব জেলা পরিষদকে সরকারের জরুরি নির্দেশনা

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সব জেলা পরিষদকে সরকারের জরুরি নির্দেশনা

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হেডের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হেডের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড

সাতক্ষীরায় গুড়পুকুর পাড়ে মনসা পূজা অনুষ্ঠিত, এবছরও বসছে না মেলা

সাতক্ষীরায় গুড়পুকুর পাড়ে মনসা পূজা অনুষ্ঠিত, এবছরও বসছে না মেলা

লং মার্চে কোনো বাধা সৃষ্টি হলে সে বাধা উপেক্ষা করেই রংপুরের দিকে অগ্রসর হবো  :  এটিএম আজহারুল ইসলাম

লং মার্চে কোনো বাধা সৃষ্টি হলে সে বাধা উপেক্ষা করেই রংপুরের দিকে অগ্রসর হবো : এটিএম আজহারুল ইসলাম

গবাদিপশু পালনে বদলে যেতে পারে বরগুনার গ্রামীণ অর্থনীতি

গবাদিপশু পালনে বদলে যেতে পারে বরগুনার গ্রামীণ অর্থনীতি

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন রাশেদ খান

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন রাশেদ খান

‘ইংলিশ লেবু’ হয়ে ব্যাচেলর পয়েন্টে আ খ ম হাসান

‘ইংলিশ লেবু’ হয়ে ব্যাচেলর পয়েন্টে আ খ ম হাসান

শেখ হাসিনা কালকেই আসুক, হাতকড়া নিয়ে রিসিভ করব : পর্যটনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুক, হাতকড়া নিয়ে রিসিভ করব : পর্যটনমন্ত্রী

উখিয়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পুরাতন পিস্তল উদ্ধার

উখিয়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পুরাতন পিস্তল উদ্ধার

টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে মনিরুল

টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে মনিরুল

লং মার্চের নামে আওয়ামীলীগকে মাঠে নামার সুযোগ করে দিলে সেটি ভালো হবে না   :   রাশেদ খান

লং মার্চের নামে আওয়ামীলীগকে মাঠে নামার সুযোগ করে দিলে সেটি ভালো হবে না : রাশেদ খান

বিরল সম্মান : হোয়াইট হাউসে নয়, অ্যান্ড্রুজ ঘাঁটিতেই শি’কে স্বাগত জানাবেন ট্রাম্প

বিরল সম্মান : হোয়াইট হাউসে নয়, অ্যান্ড্রুজ ঘাঁটিতেই শি’কে স্বাগত জানাবেন ট্রাম্প