বিনিয়োগ-উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ এএম | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ এএম
দেশের অর্থনীতিকে ট্রিলিয়ন ডলার বা এক লাখ কোটি টাকায় উন্নীত করতে চট্টগ্রাম অঞ্চলকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে উন্নয়ন-বিনিয়োগের মহাপরিকল্পনা। চীনের বিনিয়োগে আনোয়ারায় চাইনিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল, একই এলাকায় কোরিয়ান ইপিজেড, মীরসরাইতে দেশের সর্ববৃহৎ জাতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং প্রস্তাবিত চীন-মিয়ারমান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোরকে ঘিরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের যে উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সেটির সফল বাস্তবায়নে জ্বালানি, যোগাযোগ, আবাসন, পর্যটন, বন্দর সুবিধা নিশ্চিত করতে আসছে মেগা প্রকল্পের বহর। স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদি এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চল দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়ন বিনিয়োগের লজিস্টিক হাবে পরিণত হবে। শিল্পে বিপ্লবের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি এবং কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথ সুগম হবে। বদলে যাবে দেশের অর্থনীতি, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হবে।
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের সাথে সাথে বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদি দুঃশাসনে ভেঙ্গেপড়া অর্থনীতি পুনর্গঠনে মনোনিবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে শিল্প কারখানা স্থাপনের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তারই অংশ হিসাবে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় প্রস্তাবিত চাইনিজ অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠার পথে সকল বাধা প্রতিবন্ধকতা দূর করে সেখানে অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরুর ব্যবস্থা করেন। আশা করা হচ্ছে আগামী এক বছরের মধ্যে সেখানে চীনের বিনিয়োগে শিল্প কারখানা চালু হবে এবং লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হবে। সেখানে দেড় বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আশা করা হচ্ছে। এছাড়া মীরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং উৎপাদনে গেলে ২০ থেকে ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। তার সাথে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক করিডোর বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চলকে ঘিরে উন্নয়ন বিনিয়োগ এবং লজিস্টিক হাব গড়ে উঠবে। এই বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার জ্বালানি, যোগাযোগ ও বন্দর সুবিধা নিশ্চিত করতে মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
সরকারি তরফে জানা গেছে, দেশের অর্থনীতিকে ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্য অর্জনে প্রণীত ‘কৌশলগত রূপরেখায় (জুলাই ২০২৬-জুন ২০৩১) সবচেয়ে বড় অবকাঠামোগত পরিবর্তনের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামকে। চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়ে একটি সমন্বিত ‘চট্টগ্রাম ক্লাস্টার মাস্টার প্ল্যান’ প্রণয়ন করা হচ্ছে। এই মহাপরিকল্পনায় আগামী পাঁচ বছরে, লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল, বে টার্মিনাল নির্মাণ, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছয় লেন, কর্ণফুলী টানেল হয়ে মাতারবাড়ি পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা, যানজট নিরসনে মনোরেল, কালুরঘাট রেল-কাম-সড়ক সেতু নির্মাণ, মহেশখালীর কুতুবজোমে চীনের বিনিয়োগে দেশের তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল, ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট চালু, আনোয়ারাসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামে স্যাটেলাইট সিটি প্রতিষ্ঠার প্রকল্প নেয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, চট্টগ্রামসহ দেশের প্রধান অর্থনৈতিক করিডোরগুলোকে যুক্ত করে ‘ইন্টিগ্রেটেড গ্রোথ নেওটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট (আইজিএনডি) বাস্তবায়নের প্রস্তাব রয়েছে সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ প্রকাশিত এ রূপরেখায়। এ বিশাল রূপরেখা বাস্তবায়নে আনুমানিক ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ প্রায় ১০ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে। এর মধ্যে আগামী পাঁচ বছরে (অর্থবছর ২০২৭-৩১) স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার প্রথম ধাপের জন্য প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার বা ৫ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিপুল অর্থায়নের জন্য সরকার শুধু নিজস্ব বাজেটের ওপর নির্ভর করতে চায় না। মূল অবকাঠামো নির্মাণে সরকারি অর্থায়ন ও গ্যারান্টি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। প্রকল্পগুলোর বড় অংশ বাস্তবায়ন হবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি), রেয়াতি বিদেশি ঋণ, ল্যান্ড ভ্যালু ফি, গ্রিন বাংলাদেশ বন্ড এবং মিউনিসিপ্যাল বন্ডের মাধ্যমে।
জ্বালানি সুবিধা নিশ্চিত : দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এ মুহূর্তে প্রধান বাঁধা জ¦ালানি সমস্যা। আর এজন্য জ্বালানি সুবিধা নিশ্চিত করতে দুই, পাঁচ ও ১০ বছর মেয়াদী মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ২০২৮ সালের মধ্যে মহেশখালীর কুতুবজোমে চীনের বিনিয়োগে ৬০০ থেকে ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট সক্ষমতার তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। চীনা ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের (সিএনইই) প্রস্তাবটি খুব শিগগির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হবে। এছাড়া মোংলা, পায়রা বন্দর অথবা দক্ষিণাঞ্চলের সুবিধাজনক স্থানে আরো দুটি এলএনজি টার্মিনাল প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। গ্যাস সংকট দূর করতে দেশে ১৫০টি নতুন গ্যাসকূপ খননের কাজ শুরু হয়েছে। আজ শনিবার নতুন একটি গ্যাসকূপ থেকে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট চালুর কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা। ইতোমধ্যে ইসলামিক ডেভেলাপমেন্ট- আইডিবির সাথে এক বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ২০২৯ সালের মধ্যে দেশের এ দ্বিতীয় রিফাইনারির চালু হলে বছরে আরও ৩০-৪৫ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করা যাবে। যা বর্তমান সক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি হবে। জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় স্বল্পমেয়াদি প্রকল্পের অংশ হিসাবে এলএনজি আমদানির উপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। জুলাই থেকে প্রায় দুই মাস এলএনজি নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল তা কেটে গেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন-বিপিসির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেল আমদানিতে কোন সংকট হবে না। সমুদ্রে তেল, গ্যাস অনুসন্ধানের প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। অর্থবছর ২০২৭ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে ‘মহেশখালী-মাতারবাড়ী এনার্জি সিকিউরিটি প্রোগ্রাম’-এর আওতায় এলএনজি টার্মিনাল, বিদ্যুৎ উৎপাদন, গ্রিড শক্তিশালীকরণ এবং স্মার্ট সাবস্টেশন তৈরির রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ : দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠিত হলে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। আর তখন বন্দর সুবিধা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়বে। এ লক্ষ্যে সরকার বেশকিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর চালুর লক্ষ্যে নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি- জাইকার আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এ বন্দর চালু হলে আট হাজার ২০০ টিইইউএস কন্টেইনার এবং এক লাখ ডিডব্লিউটি সক্ষমতা সম্পন্ন বড় জাহাজ ভিড়তে পারবে সেখানে। এটি হবে দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট বন্দর। চট্টগ্রাম বন্দর সম্প্রসারণের কাজও এগিয়ে চলছে। এরই মধ্যে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ কনটেইনার পরিচালনাকারী অপারেটরকে লালদিয়া টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ টার্মিনালের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। পতেঙ্গা কর্ণফুলী নদীতীরে ৪৯.১৫ একর জমিতে এ টার্মিনাল প্রতিষ্ঠায় ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হচ্ছে। যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম বড় ইউরোপীয় প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই)। ২০২৯ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলে এ টার্মিনালে ছয় হাজার টিইইউএস কন্টেইনার বহনকারী জাহাজ ভিড়তে পারবে। এটি চালু হলে বন্দরের সক্ষমতা আট লাখ টিইইউএস বা ৪৪ শতাংশ বেড়ে যাবে। বে টার্মিনাল বাস্তবায়নেরও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এটি চালু হলে বন্দরের সক্ষমতা দ্বিগুণ বেড়ে যাবে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে মহেশখালী-বাখরাবাদ ২৯৫ কিলোমিটার দীর্ঘ গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিকমানে উন্নীত করা হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে একটি কার্গো ভিলেজসহ পূর্ণাঙ্গ যাত্রীবাহী ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
সড়ক অবকাঠামো : বিনিয়োগ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সড়ক অবকাঠামো নির্মাণে মেগাপ্রকল্প নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে চীনের আর্থিক সহায়তায় কর্ণফুলী নদীর তলদেশে এশিয়ার সর্ববৃহৎ সড়ক টানেল চালু হয়েছে। এ সড়ঙ্গপথের সাথে মহেশখালীর এনার্জি হাব ও মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের যোগাযোগ সহজতর করতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেন করা হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক মূল চালিকাশক্তি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক উন্নীত করা হবে ছয় লেনে। প্রস্তাবিত চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর সামনে রেখে এ অঞ্চলে যোগাযোগ অবকাঠামোয় ব্যাপক উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। কালুরঘাটে ১১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে রেল কাম রোড ব্রিজ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে। এছাড়া টেকনাফ থেকে মীরসরাই হয়ে ভোলা পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় মেরিনড্রাইভ নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। লাকসাম-চট্টগ্রাম ডাবল-ট্র্যাক রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে চট্টগ্রাম মহানগরীকে ঘিরে মনোরেল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়েছে। পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত উপকূলে সিটি আউটার রিংরোড চালু হয়েছে। কর্ণফুলী সেতু থেকে কালুরঘাট সেতু পর্যন্ত অংশে কর্ণফুলীর তীরঘেঁষে আরও একটি রিংরোড নির্মাণের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে।
আবাসন ও পর্যটন : কর্ণফুলী টানেল এবং আনোয়ারা শিল্পজোনকে ঘিরে কর্ণফুলীর ওপারে একটি স্যাটেলাইট সিটি গড়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-সিডিএ প্রণীত মাস্টারপ্ল্যানে টুইন সিটির আদলে দক্ষিণ চট্টগ্রামে পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে ঘিরে পর্যটন খাতে সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। কর্ণফুলী টানেল সংলগ্ন সাগর তীরবর্তী এলাকায় প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তারকামানের রিসোর্ট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে, আনোয়রায় পর্যটন কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ চলছে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, পারকি সৈকত ও সীতাকু-ের গুলিয়াখালী সৈকতকে আন্তর্জাতিকমানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের মানুষের চিকিৎসায় বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা কমাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অঞ্চলকে একটি সমন্বিত ‘মেডিকেল ও ওয়েলনেস হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। অর্থবছর ২০২৮-৩১ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের আওতায় টারশিয়ারি হাসপাতাল, ট্রমা ও ইমার্জেন্সি কেয়ার এবং ডিজিটাল হেলথ প্ল্যাটফর্ম তৈরির কথা বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান সমস্যা পানিবদ্ধতা নিরসনে ‘আরবান ওয়াটারলগিং অ্যান্ড ফ্লাড ড্রেনেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম’ হাতে নেয়া হচ্ছে।
বিভাগ : জাতীয়
মন্তব্য করুন
এই বিভাগের আরও
আরও পড়ুন
বাংলাদেশের দুর্গম চরাঞ্চলে ৮ লাখের বেশি রোগীকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে লাইফবয় ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল
ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলের ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ইইউর আহ্বান
কোন এলাকায় কত শতাংশ বাড়ি ভাড়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
প্রাথমিক শিক্ষার সাফল্য ভবন নির্মাণে নয়, শিক্ষার্থীর শেখায় : ববি হাজ্জাজ
পঞ্চগড়ে যুবদলের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান
বুড়িগঙ্গা রক্ষায় চালু হলো বর্জ্যের বিনিময়ে ভাসমান বাজার
ইরানের ওপর ২০৩১ সাল পর্যন্ত মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ালেন ট্রাম্প
জনবল সংকটে কুকুয়া ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী
জীবনের গোনাহ মাফ করানোর জন্য আল্লাহর নিকট তাওবার কোন বিকল্প নেই; পীর ছাহেব ফান্দাউক দরবার শরীফ
সকল দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই হবে: জামায়াতে ইসলামীর আমীর
বিবাহবার্ষিকীতে অতীতের কষ্টের কথা জানালেন শবনম ফারিয়া
পবিত্র মক্কায় হামলার প্রচেষ্টাকে ‘গুরুতর অপরাধ’ বললেন দুই মসজিদের ইমাম
লোহিত সাগরে হুথিদের হামলা বন্ধের আহ্বান পাকিস্তানের, জাতিসংঘে উদ্বেগ
সালমান শাহর জন্মদিন আজ, স্মৃতিতে অমর মহাতারকা
ইউক্রেনকে ২.৬৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
তিব্বতের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ আহরণে জোরদার পদক্ষেপ চীনের
হাফেজদের হাতে সমকামী লেখকের বই তুলে দেওয়া গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত: আকিদা খতমে নবুওয়াত
রাশিয়ার ‘শ্যাডো ফ্লিট’ ও তেল ক্রেতার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞায় অনুমোদন ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়, হিসাবের চেয়েও বাড়তে পারে সেনামৃত্যুর সংখ্যা
শ্রীমঙ্গলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা