২৮ জুলাই বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস

হেপাটাইটিস থেকে রক্ষা পেতে চাই সচেতনতা

Daily Inqilab ইনকিলাব

২৭ জুলাই ২০২৩, ০৮:৪২ পিএম | আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৩, ১২:০২ এএম

আজ শুক্রবার বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস ২০২৩। ২০০৮ সালের ২৮ জুলাই ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস অ্যালায়েন্স’ বিশ্ববাসীকে সচেতন করতে হেপাটাইটিস দিবস পালনের উদ্যোগ নেয়। এর পর থেকে প্রতিবছর ২৮ জুলাই দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এ বছর হেপাটাইটিস দিবসের প্রতিপাদ্য ‘হেপাটাইটিস, আর এক মুহূর্ত অপেক্ষা নয়’। এক মুহূর্ত অপেক্ষা না করে হেপাটাইটিস পরীক্ষা করুন, প্রয়োজনে এর প্রতিষেধক ও চিকিৎসা নিন।’ ২০১১ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দিবসটির স্বীকৃতি দেয়।

ভাইরাল হেপাটাইটিস বর্তমান বিশ্বের একটি অন্যতম জনস্বাস্থ্য সমস্যা। প্রতি বছর ২৮ জুলাই হেপাটাইটিস বি ভাইরাস আবিষ্কারক নোবেল বিজয়ী আমেরিকান চিকিৎসক প্রফেসর ব্লম বার্গ এর জন্ম তারিখকে সম্মান জানিয়ে বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস পালিত হয়। সাধারণ কথায় লিভার তথা যকৃতের প্রদাহকে বলা হয় হেপাটাইটিস। কোনো ব্যক্তির হেপাটাইটিস হওয়ার অসংখ্য কারণ থাকতে পারে। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো-বিভিন্ন ধরনের হেপাটোট্রপিক ভাইরাস। এ ধরনের ভাইরাস সরাসরি যকৃতকে সংক্রমিত করে এবং যকৃতেই বংশবৃদ্ধি করে। হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি, ই ইত্যাদি হলো বিভিন্ন ধরনের হেপাটোট্রপিক ভাইরাস; যা বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী হেপাটাইটিসের অন্যতম কারণ।

বিশ্বে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার মানুষ ও প্রতি ৩০ সেকেন্ডে ১ জন হেপাটাইটিস বি ও সি এই দুই ভাইরাসের কারণে মৃত্যুবরণ করে। আর আমাদের দেশে প্রতি বছর ২০ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে এই রোগে। তবে আশার কথা, এই দুই নীরব প্রাণঘাতী ভাইরাস প্রতিরোধযোগ্য। আমাদের দেশে প্রায় ১ কোটি মানুষ এই দুই ভাইরাসে আক্রান্ত। অ্যাকিউট হেপাটাইটিসের ৩৫ শতাংশ, ক্রনিক হেপাটাইটিসের ৭৫ শতাংশ, লিভার সিরোসিসের ৬০ শতাংশ ও লিভার ক্যানসারের ৬৫ শতাংশের জন্য হেপাটাইটিস বি ভাইরাস দায়ী।

পুরুষেরা নারীদের তুলনায় বেশি সংখ্যায় আক্রান্ত হয়। এদের মধ্য শিশু রয়েছে ৪ লাখ। আক্রান্ত পুরুষের সংখ্যা ৫৭ লাখ এবং নারীর সংখ্যা ২৮ লাখ। ১৮ লাখ প্রজনন সক্ষম নারী হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত। আক্রান্ত পরিবারের সংখ্যা প্রায় ১৫ লাখ। চাকরিপ্রার্থী ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সের নাগরিকদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২৫ লাখ। গ্রামের চেয়ে শহরের মানুষ বেশি সংখ্যায় আক্রান্ত। বাংলাদেশে হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্তের হার শূন্য দশমিক ২ থেকে ১ শতাংশ। কোভিড-১৯- মহামারি আকারে বিস্তারের ফলে সবাই এর ভয়াবহতায় আতঙ্কিত। এই ভাইরাসগুলো ধীরে ধীরে লিভারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যা মানুষ প্রথম পর্যায়ে বুঝতে পারে না। আশঙ্কার বিষয় হলো, হেপাটাইটিস ‘বি’ এবং ‘সি’-কে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০৩০ সাল নাগাদ তা নির্মূল করার পরিকল্পনা নিয়েছে। লক্ষ্য হচ্ছে হেপাটাইটিস ‘বি’ ও ‘সি’ রোগীর সংখ্যা ৯০ শতাংশ কমিয়ে আনা এবং মৃত্যুহার ৬৫ শতাংশে নামিয়ে আনা। সারা পৃথিবীতে ৩৫ কোটিরও বেশি মানুষ কোনো না কোনো হেপাটাইটিস ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বসবাস করছে। এই ভাইরাস সংক্রমণের ফলে সাধারণ জন্ডিস থেকে শুরু করে লিভার ফেইলিওর, লিভার সিরোসিস, লিভার ক্যান্সারের মতো জটিল ও দুরারোগ্য অসুখ হতে পারে। আর প্রতি ১০ জনের নয়জন জানেই না তারা হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাসে আক্রান্ত।

হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত জনসংখ্যা ৫ দশমিক ১ শতাংশ। বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের বাস। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮৫ লাখ মানুষ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত। লিভার ক্যান্সারে মারা যাওয়া প্রতি ৩ জনের ২ জনই হেপাটাইটিস ‘বি’ বা ‘সি’-তে আক্রান্ত থাকেন। আমাদের দেশের প্রায় ১ কোটি মানুষ হেপাটাইটিস ‘বি’ ও ‘সি’তে আক্রান্ত। তাদের কারো কারো বিভিন্ন সময়ে ক্যান্সারসহ লিভারের অন্যান্য জটিল রোগ হচ্ছে।সারা বিশ্বে প্রতি ১০ জনে ৯ জন ব্যক্তি জানে না তারা হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের জীবাণু বহন করছে। ওয়ার্ল্ড হেপাটাইটিস অ্যালায়েন্স ২০৩০ সাল নাগাদ ৯৫ শতাংশ অনির্ণীত রোগীকে রোগনির্ণয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। অধিকন্তু, ২০৩০ সাল নাগাদ হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য দেশের প্রায় ৬৬ লাখ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ৬ লাখ ৬০ হাজারে নামিয়ে নিয়ে আসতে হবে।

> হেপাটাইটিস প্রথম আক্রান্তের সময়-হেপাটাইটিসের বড় শিকার সেনাবাহিনীর সদস্যেরা। ১৮৬১ সালে আমেরিকার গৃহযুদ্ধে হেপাটাইটিসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫২ হাজার এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হেপাটাইটিসের বলি হন এক কোটি ষাট লক্ষ মানুষ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত হেপাটাইটিসের কারণ বিজ্ঞানের কাছে ছিল এক প্রহেলিকা। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে এর কারণগুলি বোঝা সম্ভব হয়। ১৯৬৩ সালে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস আবিষ্কার করলেন জেনেটিক বিজ্ঞানী বারøুচ স্যামুয়েল ব্লুমবার্গ। তিনি বিভিন্ন অসুখের জিনগত সংবেদনশীলতা পরীক্ষা করছিলেন। কাকতালীয় ভাবে এক অস্ট্রেলীয় আদিবাসীর রক্ত পরীক্ষার সূত্রে আবিষ্কার করলেন হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসকে। তাই নাম দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ান অ্যান্টিজেন। দু’বছর পরে মাইক্রোবায়োলজিস্ট মিলম্যান-এর সঙ্গে আবিষ্কার করলেন হেপাটাইটিস বি-এর ভ্যাকসিন। হেপাটাইটিস-এ, হেপাটাইটিস-ডি, হেপাটাইটিস-সি এবং হেপাটাইটিস-ই ভাইরাস আবিষ্কৃত হল যথাক্রমে ১৯৭০, ১৯৭৭, ১৯৮৯ এবং ১৯৯০ সালে। ব্লুমবার্গ তাঁর আবিষ্কারের জন্য ১৯৭৬ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

> হেপাটাইটিস কি: হেপাটাইটিস বলতে যকৃতের প্রদাহ (ফুলে যাওয়া) বোঝায়। ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণ বা অ্যালকোহলের মত ক্ষতিকারক পদার্থের কারণে ঘটা যকৃতের একটি রোগ। হেপাটাইটিস অল্প কিছু উপসর্গসহ বা কোনো উপসর্গ ছাড়াই ঘটতে পারে। তবে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে জন্ডিস, ক্ষুধামন্দ্যা ও অসুস্থতাবোধ এর লক্ষণ বা উপসর্গ। দুধরণের হেপাটাইটিস দেখা যায় : তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী। তীব্র হেপাটাইটিস ৬ মাসেরও কম স্থায়ী হয়, অন্য দিকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস দীর্ঘ দিন ধরে চলতে থাকে। মূলত হেপাটাইটিস ভাইরাসের কারণে এই রোগটির সূত্রপাত, তাছাড়া অ্যালকোহল, নির্দিষ্ট কতগুলো ওষুধ, শিল্প-জৈব দ্রাবক এবং কিছু উদ্ভিদের টক্সিক জাতীয় পদার্থের কারণে এই রোগটি ঘটে।

> হেপাটাইটিস ভাইরাসের প্রকারভেদ - ১. হেপাটাইটিস ‹ এ ‹ ভাইরাস ২. হেপাটাইটিস ‹ বি ‹ ভাইরাস ৩. হেপাটাইটিস ‹ সি› ভাইরাস ৪. হেপাটাইটিস ‹ ডি› ভাইরাস এবং ৫. হেপাটাইটিস ‹ ই ‹ ভাইরাস, নিম্মে হেপাটাইটিস বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

হেপাটাইটিস এ: এটি সবচেয়ে পরিচিত হেপাটাইটিস্ রোগ। এটি সাধারণত সেইসব জায়গায় দেখা যায় যেখানে স্যানিটেশন ও বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা খুব খারাপ। সাধারণত দূষিত খাদ্য ও পানীয় আহারের মাধ্যমে এর সংক্রমণ ঘটে। এটি স্বল্পমেয়াদি রোগ, যার উপসর্গগুলো সাধারণত তিন মাসের মধ্যে চলে যায়। টিকাকরনের মাধ্যমে হেপাটাইটিস এ প্রতিরোধ করা যায়।

হেপাটাইটিস বি: রক্ত ও বীর্য এবং যোনি তরলের মত শরীরের তরলে এটি সংক্রমিত হয়। এটি সাধারণত অসুরক্ষিত যৌন মিলন বা ইনজেকশনের সিরিঞ্জের মাধ্যমে রক্তের মধ্যে সংক্রমিত হয়। ড্রাগ ব্যবহারকারীদের মধ্যে সাধারানত এটি ঘটে। অল্প সংখ্যক মানুষের মধ্যে অবশ্য এর সংক্রমণ দীর্ঘমেয়াদী হয়, যাকে বলা হয় দীর্ঘমেয়াদী হেপাটাইটিস বি। হেপাটাইটিস বি›র টিকা পাওয়া যায়। বর্তমানে সব শিশুকেই এই টিকা ইপিআইয়ের মাধ্যমে দেয়া হয়।

হেপাটাইটিস সি: এটি সাধারণত রক্তে ও খুব অল্প ক্ষেত্রে সংক্রামিত ব্যক্তির লালা, বীর্য বা যোনি তরলে পাওয়া যায়। এটি সাধারণত যেহেতু রক্তে পাওয়া যায় তাই রক্ত থেকে রক্তের সংস্পর্শে এই রোগটি ছড়ায়। অনেকের ক্ষেত্রে ভাইরাসটি দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর থেকে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে একে বলা হয় দীর্ঘমেয়াদী হেপাটাইটিস সি। দীর্ঘমেয়াদী হেপাটাইটিস সি›তে যাঁরা ভুগছেন তাঁরা এন্টিভাইরাল কতগুলো ওষুধ নিতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রে কতগুলো অপ্রীতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলেও দিতে পারে। হেপাটাইটিস সি›র নির্দিষ্ট কোন টিকা এখনও পাওয়া যায় না।

অ্যালকোহলজনিত হেপাটাইটিস: প্রচুর পরিমাণে মদ্যপান করলে এটি দেখা যায়। প্রচুর পরিমাণে মদ্যপানে যকৃত ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে এটি ক্রমশ: হেপাটাইটিস রোগ ডেকে আনে। এটির সাধারণত কোনো উপসর্গ দেখা যায় না, একমাত্র রক্ত পরীক্ষা করলে ধরা পড়ে। অ্যালকোহলজনিত হেপাটাইটিসে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি যদি মদ্যপান চালিয়ে যায় তবে তা অত্যন্ত ঝুঁকির হতে পারে। সেক্ষেত্রে সিরোসিস হয়ে যকৃতের কার্যকারিতা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

হেপাটাইটিস ডি : একমাত্র যাঁদের হেপাটাইটিস্ বি হয়েছে তাঁদের মধ্যে এটি দেখা দিতে পারে। একমাত্র হেপাটাইটিস্ বি›র সঙ্গে হেপাটাইটিস্ ডি বাঁচতে পারে।

হেপাটাইটিস ই: এটি হল স্বল্পস্থায়ী ও এর তীব্রতা কম। এটিও খাদ্র ও পানি বাহিত রোগ। এক্ষেত্রে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির সংক্রমণ কম।

অটোইমিউন হেপাটাইটিস: এটি কোনো দীর্ঘমেয়াদী রোগ নয়। এরফলে যকৃতের কার্যকারিতা বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত সাংঘাতিক কিছু ঘটতে পারে। এই রোগটির সঠিক কারণ এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। এর উপসর্গগুলোর মধ্যে পড়ে ক্লান্তি, তলপেটে ব্যথা, গাঁটের ব্যথা, জন্ডিস ও সিরোসিস। স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ (প্রিডনিসোলন ) ক্রমশ: কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ফোলা ভাব কমাতে পারে ও রোগটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।

পরিশেষে বলতে চাই নিরাপদ খাদ্য ও পানীয় যেমন আমাদের হেপাটাইটিস এ ও ই থেকে সুরক্ষা দিতে পারে তেমনি আমরা একটু সচেতন হলে নিরাপদ যৌনাভ্যাস ও একবার ব্যবহার যোগ্য সুঁই, কাচি, ক্ষুর, সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি ব্যাবহার করে হেপাটাইটিস বি, সি ও ডি থেকেও রক্ষা পেতে পারি।

মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি
চিকিৎসক, কলাম লেখক ও গবেষক
ইমেইল: drmazed96@gmail.com
মেবাইল: ০১৮২২৮৬৯৩৮৯


বিভাগ : স্বাস্থ্য


মন্তব্য করুন

HTML Comment Box is loading comments...

এই বিভাগের আরও

চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার উদ্ভাবন, চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা
চায়নাতে বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা: আমার অভিজ্ঞতা ও সুপারিশ
স্পেশাল হেলথকেয়ার ফাউন্ডেশনের নতুন কমিটি গঠন
নাটক ও চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য বন্ধের আহ্বান মানসের
তারুণ্য ধরে রাখতে হবে
আরও
X

আরও পড়ুন

ঝিনাইদহে ঈদ যাত্রায় ফিরতি টিকিটের দাম বৃদ্ধি অভিযোগ দিয়ে মারধরের শিকার যাত্রী

ঝিনাইদহে ঈদ যাত্রায় ফিরতি টিকিটের দাম বৃদ্ধি অভিযোগ দিয়ে মারধরের শিকার যাত্রী

মাগুরায় আবার গণধর্ষণের শিকার তরুণী

মাগুরায় আবার গণধর্ষণের শিকার তরুণী

হামাস নেতা হাসান ফারহাতকে হত্যার দাবি ইসরায়েলি বাহিনীর

হামাস নেতা হাসান ফারহাতকে হত্যার দাবি ইসরায়েলি বাহিনীর

সাগর কন্যা কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

সাগর কন্যা কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

প্রেম নাকি মৃত্যু! কি লেখা আছে পূর্ণার ভাগ্যে?

প্রেম নাকি মৃত্যু! কি লেখা আছে পূর্ণার ভাগ্যে?

হোসেনপুরে দেশের ২য় বৃহত্তম অষ্টমী স্নানোৎসব

হোসেনপুরে দেশের ২য় বৃহত্তম অষ্টমী স্নানোৎসব

'মুক্তচিন্তা ও তারুণ্যে, জাবিসাস চুয়ান্নে'

'মুক্তচিন্তা ও তারুণ্যে, জাবিসাস চুয়ান্নে'

মানিকগঞ্জে রাস্তার পাশে রক্তাক্ত কার্টুন ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি, ঘটনাস্থলে শত শত লোকের ভিড়

মানিকগঞ্জে রাস্তার পাশে রক্তাক্ত কার্টুন ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি, ঘটনাস্থলে শত শত লোকের ভিড়

নরেন্দ্র মোদীকে আলোকচিত্র উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

নরেন্দ্র মোদীকে আলোকচিত্র উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রতিটি লঞ্চে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে পাড়ে ভিড়ছে

প্রতিটি লঞ্চে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে পাড়ে ভিড়ছে

নেত্রকোণায় চাঞ্চল্যকর মাজেদা হত্যাকাণ্ডঃ ২ যুবক গ্রেফতারঃ মোবাইল-টাকা উদ্ধার

নেত্রকোণায় চাঞ্চল্যকর মাজেদা হত্যাকাণ্ডঃ ২ যুবক গ্রেফতারঃ মোবাইল-টাকা উদ্ধার

শেখ হাসিনাকে ফেরত চাইলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

শেখ হাসিনাকে ফেরত চাইলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

যুক্তরাষ্ট্রের যানবাহনের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ কানাডার

যুক্তরাষ্ট্রের যানবাহনের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ কানাডার

আল্লামা আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুরের ইন্তেকাল, রাত ১০টায় জানাযা

আল্লামা আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুরের ইন্তেকাল, রাত ১০টায় জানাযা

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক ব্যবস্থায় জনমানবহীন পেঙ্গুইন-পাখির দ্বীপও অন্তর্ভুক্ত

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক ব্যবস্থায় জনমানবহীন পেঙ্গুইন-পাখির দ্বীপও অন্তর্ভুক্ত

শেরপুরে লেবু চাষে ভাগ্য খুলেছে জুলহাস উদ্দিনের

শেরপুরে লেবু চাষে ভাগ্য খুলেছে জুলহাস উদ্দিনের

বিলুপ্তির পথে শেরপুরের তেঁতুল গাছ, মুখরোচক আচারের প্রধান উপকরণ তেঁতুল!

বিলুপ্তির পথে শেরপুরের তেঁতুল গাছ, মুখরোচক আচারের প্রধান উপকরণ তেঁতুল!

মাদারীপুরে কৃষকের হাত কেটে নিল সন্ত্রাসীরা

মাদারীপুরে কৃষকের হাত কেটে নিল সন্ত্রাসীরা

মিয়ানমারে ভূমিকম্পের পরপরই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে জান্তা প্রধানের সফর

মিয়ানমারে ভূমিকম্পের পরপরই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে জান্তা প্রধানের সফর

মাদারীপুরে ভোররাতে আগুনে পুড়লো ১৯ দোকান, ক্ষতি কয়েক কোটি টাকা

মাদারীপুরে ভোররাতে আগুনে পুড়লো ১৯ দোকান, ক্ষতি কয়েক কোটি টাকা