মফস্বল এলাকার কলেজে পাঠদানের নানা সমস্যা
১০ মে ২০২৩, ০৮:২২ পিএম | আপডেট: ১১ মে ২০২৩, ১২:০৩ এএম
মফস্বল এলাকার একটি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ-এ ক্লাসে পাঠদানের সময় নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি। সমস্যাসমূহ উল্লেখ করার পূর্বে আমি পাঠকদের উদ্দেশ্যে ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ সম্বন্ধে কিছু কথা বলতে চাই, যাতে এ বিষয়ে নিচের তুলনামূলক আলোচনা তাদের নিকট অধিকতর বোধগম্য হয়।
ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ এ শিক্ষার্থীদের চারটি ঝশরষষ শেখানো হয়ে থাকেÑ খরংঃবহরহম, ঝঢ়বধশরহম, জবধফরহম এবং ডৎরঃরহম. সংক্ষেপে এগুলোকে খঝজড বলা হয়। প্রথমে একজন শিক্ষার্থী শুনতে শিখবে (খরংঃবহরহম) অর্থাৎ ইংরেজি ভাষা কানে শুনে সেটার অর্থ বুঝতে শিখবে এবং পরবর্তীতে সেগুলোর জবাব দিতে শিখবে (ঝঢ়বধশরহম)। তারপর পড়তে শিখবে। শুধু পড়তে শিখলেই হবে না, পড়ে গবধহরহম এঁবংং করতে শিখবে। ঋরহধষষু, তারা লিখতে শিখবে (ডৎরঃরহম)। লিখতে শেখার অর্থ হচ্ছে তারা ঋৎবব ঐধহফ ডৎরঃরহম অর্থাৎ যে কোনো বিষয়ের উপর মুক্তহস্তে লিখতে পারার দক্ষতা অর্জন করবে। এগুলো হচ্ছে ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ-এর প্রাথমিক ধারণা।
এখন চলুন পাঠদানের সময় আমরা মফস্বল শহরের কলেজসমূহের ইংরেজি শিক্ষকমন্ডলী কী কী সমস্যার সম্মুখীন হই, সে সব বিষয় সম্বন্ধে জেনে নেয়া যাক। ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ এর একটি বৈশিষ্ট্য হলো, শিক্ষক ক্লাসে ইংরেজিতে কথা বলবে এবং শিক্ষার্থী ইংরেজিতেই প্রশ্ন করবে এবং শিক্ষক যে প্রশ্নসমূহ করবে সেগুলোর উত্তর তারা ইংরেজিতেই দেবে। সমস্যা হচ্ছে, লেকচারের সময় এখানকার শিক্ষার্থীদের অনেকেই কঠিন বাংলা ব্যবহার করলে তার অর্থ শুনতে চায় আর ৭০% শিক্ষার্থী ইংরেজি ভাষায় লেকচার দিলে কিছুই বোঝে না। ক্লাসটা তাদের কাছে বোরিং মনে হয়। তাদের বলতে শোনা যায়, ‘স্যাররা ইংরেজিতে কেন ক্লাস নেয়? আমরা তো কিছুই বুঝতেছি না।’ বাধ্য হয়ে আমাদের বাংলাতেই ক্লাস নিতে হয়। তাহলে দেখা যাচ্ছে, এখানে ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ এর প্রধান ঝুংঃবস একটি ষড়ংং হয়ে গেল!
ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ-এর আর একটি বৈশিষ্ট্য হলো, ‘ঞবধপযবৎং রিষষ ঞধষশ ষবংং ধহফ ংঃঁফবহঃং রিষষ ঃধষশ সঁপয.’ এখানেও আমাদের সমস্যায় পড়তে হয়। চধংংধমব শিক্ষার্থীরা নিজেরা পড়বে, তারা সমস্যগুলো চিহ্নিত করবে এবং শিক্ষককে সেগুলো সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করবে। কিন্তু তাদের পড়তে বললে হা করে বসে থাকে, তাদের সমস্যা কোথায় জিজ্ঞাসা করলে বলে ‘স্যার, আপনি একটু পড়ে বাংলা অর্থ বুঝিয়ে দেন।’ অধ্যক্ষ মহোদয়ের তিরস্কার থেকে বাঁচতে আমাদের বাধ্য হয়ে সেই এৎধসসধৎ ঞৎধহংষধঃরড়হ গবঃযড়ফ-এ ফিরে যেতে হয় অর্থাৎ ইংরেজি থেকে বাংলায় ঞৎধহংষধঃরড়হ করে পড়িয়ে বুঝিয়ে দিতে হয়। তাদেরকে ইংরেজি চধংংধমব জবধফরহম পড়তে বললে অধিকাংশই পড়তে ব্যর্থ হয়। তাদের ঝঃড়পশ ড়ভ ডড়ৎফং খুবই সীমিত। ফলে ঝবহঃবহপব এর অর্থ বুঝতে গিয়ে তারা নাজেহাল হয়ে পড়ে।
পরিশেষে, একটি ঈষধংং ঋৎঁরঃভঁষ করতে গেলে অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের মন রক্ষাই বলুন বা সন্তুষ্ট করাই বলুন এখানে আমাদের ‘কম’ কথা বলার সুযোগ খুবই কম। ফলে এখানে ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ এর আরও একটি ঝুংঃবস খড়ংং হয়ে যায়।
আমাদের দেশে বর্তমান সময়ে একটি শ্লোগান প্রচলিত রয়েছে, ‘সার্টিফিকেট বা পরীক্ষায় পাস করাটা বড় ব্যাপার না, শেখাটাই হচ্ছে আসল বিষয়।’ আমিও এটার সাথে একমত। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, দেশের মূল দৃশ্যপট এখানে উল্টা। সবাই পরীক্ষায় পাসের জন্য, ভালো গ্রেড অর্জন করার জন্য ছোটে; কী শিখলো, সেটা আসল বিষয় নয়। পরীক্ষায় ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ এর দুটি ঝশরষষ - জবধফরহম এবং ডৎরঃরহম-এর উপর প্রশ্ন পত্র প্রণয়ন করা হয়। খরংঃবহরহম ও ঝঢ়বধশরহম এর উপর কোনো টেস্ট নেয়া হয় না; এ দুটি ঝশরষষ-এর উপর পরীক্ষায় কোনো নম্বর নেই। যেহেতু সবাই পাস নম্বর ও ভালো গ্রেডের আশায় ছোটে, সেহেতু দু’টি ঝশরষষ শেখার অংশ থেকে বাদ পড়ে যায়। তাহলে? এইচএসসি লেভেলে এসেও শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গভাবে ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ শেখা শেষ হলো না!
ঈড়সসঁহরপধঃরাব সবঃযড়ফ ংঁপপবংংভঁষ করতে গেলে ঈষধংং ঝরুব একটা বড় ভূমিকা পালন করে। বলা হয়, একটি ঝঃধহফধৎফ ক্লাস রুমে ৩০ জনের অধিক শিক্ষার্থী থাকবে না। কিন্তু মফস্বল শহরগুলোতে? প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী নিয়ে আমাদের ক্লাস করতে হয়। ৪৫ মিনিটের ক্লাস যেন একটি রণক্ষেত্র! আমি অনেক কষ্ট করে একটি সাউন্ড সিস্টেম যোগাড় করতে পেরেছি বলে যে কোনভাবেই রক্ষা পেয়েছি। অন্যদের অবস্থাতো অত্যন্ত নাজুক! গ্রুপ স্টাডি এ গবঃযড়ফ এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু ক্লাস রুমের যে অবস্থা তাতে এৎড়ঁঢ় ঝঃঁফু তো দূরে থাক ওহফরারফঁধষ ঝঃঁফু আমাদের জন্য একটি বিরাট চালেঞ্জ। সুতরাং এখানেও ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ এর আরও একটি ঝুংঃবস খড়ংং.
বিভিন্ন প্রশিক্ষণে আমাদের বলা হয় যে, পরীক্ষায় খরংঃবহরহম-ংঢ়বধশরহম থেকে কোনো প্রশ্ন হয় না ঠিকই, তারপরও আমাদের শিক্ষার্থীদের এগুলো ক্লাসে অনুশীলন করাতে হবে। এখানে বলা জরুরি যে, গঁষঃরসবফরধ ঈষধংংৎড়ড়স ঈড়সসঁহরপধঃরাব ঊহমষরংয এর একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু সরকার থেকে একটি মাত্র প্রজেক্টর দেয়া হয় প্রতিষ্ঠানে। আবার অনেক ঈষধংংৎড়ড়স এ বিদ্যুৎ সংযোগ নাই। ফলে গঁষঃরসবফরধ ঝবঃ টঢ় করা একটা দুঃস্বাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। তারপর টেকিনিশিয়ানের অভাবও রয়েছে। আমি মাঝে মাঝে রিচার্জেবল সাউন্ড সিস্টেমটি ঘাড়ে করে ক্লাস রুমে নিয়ে যাই। কিন্তু খরংঃবহরহম চৎধপঃরপব এর জন্য তো কম্পিউটার ও প্রজেক্টর আবশ্যক। তাহলে এত সব সমস্যা উপেক্ষা করে আমরা কীভাবে শিক্ষার্থীদের খরংঃবহরহম চৎধপঃরপব করাবো? আমরা এখানেও মোটামুটিভাবে ব্যর্থ। পরিশেষে দেখা যাচ্ছে যে, মফস্বল শহরগুলোতে ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ এর স্বপ্ন, স্বপ্নই থেকে যায়। শুধুমাত্র নগন্য সংখ্যক পরীক্ষায় ভালো করে, যারা ছেলেবেলা থেকে পারিবারিকভাবে গড়ে উঠে; তাও আবার মাত্র দুটো ঝশরষষ এর উপর দক্ষ হয়ে উঠে বাকি দুটোর উপর পরীক্ষায় নম্বর থাকে না বলে সেদুটো অধরাই থেকে যায়।
সমস্যা সমাধানের পথ যে নাই তা নয়; তবে সেটা সময় সাপেক্ষ। সবকিছুকে ঢেলে সাজিয়ে নতুন করে শুরু করতে হবে। আমি কোনো ‘আমলা’ নই যে নতুন আইন প্রণয়ন করে সব সমস্যা একরাতেই সমাধান করে দেব। আমার মতে, কিছু জায়গায় কাজ করার সুযোগ রয়েছে আর সেগুলো যদি করা যায় তবে সমস্যা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
সর্বপ্রথম যে কাজটি করতে হবে সেটা হলো, শিক্ষকমন্ডলীর বিবেককে জাগ্রত করতে হবে। শুধু প্রতিষ্ঠানে আসলাম, টাইম পাস করলাম, বাসায় চলে গেলাম এবং মাস শেষে বেতন নিলামÑ এই গতানুগতিক কাজটি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার্থীদের মনের উপর গবেষণা চালাতে হবে, আর এটা করতে হবে চৎরসধৎু খবাবষ থেকে। ঈড়সসঁহরপধঃরাব ঊহমষরংয এর চর্চা চৎরসধৎু খবাবষ থেকে যথাযথভাবে শুরু করলে ঐঝঈ খবাবষ এ এসে সেটার নিঁখুত ফিনিসিং দেয়া সম্ভব।
আমি এই প্রবন্ধটি লেখার আগে কয়েকটি চৎরসধৎু ঝপযড়ড়ষ পর্যবেক্ষণ করেছি। সেখানে যা ঘটছে তার কয়েকটি ঘটনা পাঠকদের উদ্দেশ্যে বর্ণনা করছি। প্রথম স্কুলটির একটি কক্ষে নজর দিয়ে দেখলাম, শিক্ষক খুব মনোযোগ সহকারে পড়াচ্ছেন। পাশের ক্লাসে হট্টগোল; ম্যাডাম মোবাইল দেখছেন আর মাঝে মাঝে ঝিমুচ্ছেন; তার পাশের কক্ষের অবস্থা আরও খারাপ। স্যার ক্লাসে নেই, খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, পাশের দোকানে চা খেতে গেছেন। এই হচ্ছে মফস্বল শহরের বেশ কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা। তবে সবগুলো যে এমন, তা নয়। সুনামের সার্থে অনেক স্কুল এগিয়ে যাচ্ছে; রেজাল্টও অনেক ভালো। তবে ঈড়সসঁহরপধঃরাব ঊহমষরংয-এর চর্চা কতটুকু হচ্ছে সেটা ভাববার বিষয়।
প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ইংরেজি ক্লাসগুলোতে চধরৎ ডড়ৎশ, এৎড়ঁঢ় ডড়ৎশ, ঊহমষরংয ঈড়হাবৎংধঃরড়হ চৎধপঃরপব, খরংঃবহরহম চৎধপঃরপব মোট কথা ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ এর ঝশরষষ গুলোর উপর বেশ ভালো একটা ধারণা দিয়ে তাদেরকে ছেড়ে দিতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে, ঈষধংং ঙহব ঃড় ঞযৎবব পর্যন্ত বিষয়গুলো হবে একদম ঊষবসবহঃধৎু খবাবষ এর। পরপর মাত্রা বাড়াতে হবে। এর জন্য ভালোভাবে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ এর উপর। প্রধান শিক্ষকদের ভালোভাবে ক্লাসগুলো তদারকি করতে হবে।
আমি যখন ক্লাসে ঞবীঃ বই পড়াতে যাই তখন আশ্চর্য হই। ছাত্ররা বলে, ‘স্যার, মূল বই পড়ে কী হবে গড়ফবষ ছঁবংঃরড়হ করান।’ কিন্তু তাদের মধ্যে এই ধারণা জন্মেনি যে, মূল বই বা ঞবীঃ ইড়ড়শ ভালোভাবে পড়লে তারা সেখান থেকে যে কোনো ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। যাইহোক, প্রাথমিকে যখন শিক্ষার্থীরা ঈড়সসঁহরপধঃরাব ঊহমষরংয এর ধারণা নিয়ে ঐরময ঝপযড়ড়ষ এ যাবে, তখন সেখানে বিষয়টা তাদের জন্য অধিকতর সহজ বলে প্রতীয়মান হবে। এরপর এখানকার শিক্ষকমন্ডলীকে প্রাথমিকের চাইতে আরও অফাধহপবফ খবাবষ এ গিয়ে ঈড়সসঁহরপধঃরাব গবঃযড়ফ প্রয়োগ করতে হবে। এভাবে শিক্ষার্থীরা টংব ঃড় হতে থাকবে এবং উপরের লেভেলগুলো তারা সহজে পার হয়ে যেতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস।
লেখক: প্রভাষকহ, ইংরেজি, আশাশুনি সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরা
বিভাগ : সম্পাদকীয়
মন্তব্য করুন
আরও পড়ুন
ঢাকায় আসার পথে ৩৬ নারী-পুরুষকে পুলিশ হেফাজতে
রামগতি কমলনগরে ১২ যাত্রীবাহী বাস আটকে দিল স্থানীয়রা!
দুবাইতে নির্মাণ হচ্ছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ টাওয়ার বুর্জ আজিজি
আজও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন রিকশাচালকরা
প্রথম আলোর চট্টগ্রাম কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা
বুবলির জন্মদিনে অপুর টয়লেটীয় শুভেচ্ছা,সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের ছড়াছড়ি
কচুয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে লুন্ঠিত পিস্তলের ৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার
পঞ্চগড়ে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
ভারত বাংলাদেশকে কলোনী বানিয়েছিল: আহমেদ আযম খান
বিশ্বের দীর্ঘতম চালকবিহীন মেট্রোর যাত্রা শুরু করছে রিয়াদ মেট্রো
রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্যালিন জর্জেস্কুর অপ্রত্যাশিত সাফল্য
সাবেক আইজিপি মামুন ফের ৩ দিনের রিমান্ডে
ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন
ফারাক্কার অভিশাপ : কমে যাচ্ছে নদীর পানি, ভবিষ্যৎ কী?
শরীরের সবচেয়ে নোংরা অংশ কোনটি, জানলে অবাক হবেন
বিশ্ব আসরে ফিরতে চলেছে একসময়ের জনপ্রিয় ব্যান্ড লিনকিন পার্ক
উরুগুয়ের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন ইয়ামান্দু অর্সি
‘শেখ হাসিনা একজন মানসিক বিকারগ্রস্ত মহিলা’
আমিরাতে ইহুদি ধর্মগুরু খুন, তিন সন্দেহভাজন গ্রেফতার
সিটি করপোরেশনকে জিম্মি করেছিলেন ফ্যাসিস্ট তাপস