ডেনিস লেভার্টভের তিনটি যুদ্ধবিরোধী কবিতা
২৩ আগস্ট ২০২৪, ১২:০৩ এএম | আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০২৪, ১২:০৩ এএম

ডেনিস লেভার্টভ ছিলেন একজন ব্রিটিশ-আমেরিকান কবি। তার জন্ম ১৯২৩ সালে ইংল্যান্ডে। লেভার্টভের বয়স যখন মাত্র ০৫, তখন তিনি ঠিক করেছিলেন যে তিনি একজন লেখক হবেন। ১২ বছর বয়সে তার কিছু কবিতা সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিনে ছাপা হয়। ১৯৪০ সালে, যখন তিনি ১৭ বছর বয়সী, তখন তার প্রথম কবিতার বই প্রকাশ করেছিলেন।
ডেনিস লেভার্টভ বেদনার কবি, মরমী কবি এবং বাস্তব জীবনের কবি। ধর্মাশ্রয়িতা, রাজনীতি এবং যুদ্ধই লেভার্টভের কবিতার প্রধান বিষয়। তার মরমী কবিতায় জীবনবোধ, যুদ্ধের কবিতায় দুঃখ-কষ্ট ও অপরাধবোধ বেশি ফুটে উঠেছে।
তিনি চার্লস অলসনের প্রজেক্টিভিস্ট আদর্শ অনুযায়ী কবিতার বৈষয়িক শক্তিকে সংহত করতে চেয়েছিলেন। এর ফলে তিনি ছন্দ, অনুপ্রাস ও প্রস্বর বর্জন করে সময়োপযোগী কাব্যশৈলী নির্মাণ করেন। লেভার্টভ ব্যক্তিগত জীবনের দুঃখ-ক্লেশ নিয়েও অনেক কবিতা লিখেছেন। তাঁর কবিতার বিষয় ও চিত্রকল্প জগৎ এবং জীবনের নানা ক্ষেত্র থেকে আহরিত।
ডেনিস লেভার্টভ সাহিত্য চর্চার স্বীকৃতিসরূপ শেলি মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড ও
রবার্ট ফ্রস্ট মেডেল অর্জন করেন। ১৯৯৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ৭৪ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।
অপপ্রয়োগ
ওরা সংগ্রামের শৈল্পিকতা নিয়ে আলোচনা করে,
অথচ শিল্প তো আত্মার গহ্বর থেকে আহরণ করে আলো,
এবং সংগ্রাম আত্মাকে বিশুষ্ক করে,
আঁধার এবং জ্বলন্ত নর্দমা থেকে
সংগ্রহ করে তার শক্তি।
লিওনার্দো যখন
বিধ্বংশী অস্ত্র উদ্ভাবনে নিযুক্ত করেন তাঁর মেধা
তখন শিল্পচর্চায় ছিলেন না ব্যাপৃত।
তিনি এক নরক-গহ্বরের উপর
ঝুলিয়ে রাখছিলেন তাঁর শৈল্পিক জীবন,
যেন তিরিশ হাজার ফুট উচুতে উড়ন্ত কোনো
বিমানের জানালা থেকে কেউ ধরে রেখেছে
একটি জীবন্ত নবজাতক।
জীবনের স্বাদ
বারুদের গন্ধে জীবনের স্বাদ নেই
অস্ত্রের গর্জনে বাকরুদ্ধ মানবতা।
অস্ত্র কখনো আনতে পারে না
বৃক্ষের সজীবতা।
প্রতিটি বিপ্লব রক্ত চায়, প্রতিটি শাসক চায়
প্রজাদের অধিনস্ত জীবন।
অথচ শিল্পীর চাওয়া সবসময়ই মানবতার পক্ষে।
অগ্নিঝরা একটি দিনের চেয়ে
বরফ শীতল আস্তো জীবন কাটানো উত্তম।
বিভাগ : সাহিত্য
মন্তব্য করুন
আরও পড়ুন

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

মুসল্লিদের বাধায় নাটক মঞ্চায়ন বাতিলের সংবাদ বিভ্রান্তিকর

মানুষ ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করেছে: আবদুল হালিম

থাইল্যান্ড থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

নারীবান্ধব পাবলিক টয়লেট

মেডিক্যাল ট্যুরিজম

প্রেসার গ্রুপের ভালো-মন্দ

রাজধানীতে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে

ইশার নামাজের সাথে সাথে বিতির নামাজ না পড়া প্রসঙ্গে?

প্রশ্ন : মরণোত্তর চক্ষুদান বা অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান কি শরীয়ত সমর্থন করে?

মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব হচ্ছে উত্তম চরিত্রে

খালেস নিয়তে আমল করলে প্রতিদান সুনিশ্চিত

ঈদ আসে-ঈদ যায়, স্মৃতিটুকু রয়ে যায়

ইসলামের দৃষ্টিতে পরোপকারের গুরুত্ব ও ফজিলত

ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদ করায় যাত্রীকে মারধর

কৃষক জজ মিয়ার মৃত্যু নিয়ে রহস্য

সরিষাবাড়ীতে বিএনপি’র দু’গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ

কনস্টেবলকে মারধরের অভিযোগ

ছাত্রদল নেতার অফিসে হামলা-ভাংচুর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার গাড়িতে আগুন

মাদারীপুরে কৃষকের হাত কেটে নিল সন্ত্রাসীরা