ধৈর্যের বসতঘর
১০ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:০৬ এএম | আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:০৬ এএম

নির্জন পথেই হঠাৎ মান্যবর ধৈর্যের সাথে দেখা
একাকীত্বের নির্মোহ পদক্ষেপে তিনি চলমান
সমগ্র শরীর জুড়ে প্রাচীন গাম্ভীর্য !
দৃষ্টিতে ফুটছে সাফল্যের ফুল!
বললাম- মাননীয়! এতটা একাকী?
বললেন- এখন তো কেউ আর সঙ্গে রাখে না আমাকে।
কেউ জড়ায় না আমার স্থিরতার জ্যোতি।
আমাকে ঠেলেই ঠোঁট ভিজিয়ে জিহ্বা চাটে মানুষ।
সবাই এখন অস্থিরতার সঙ্গী!
পারিবারিক বন্ধনের ঐতিহ্য
পারস্পরিক সৌহার্দের আনন্দ
সামাজিক ঐক্যের দৃঢ়তা থেকে আমি নির্বাসিত
রাষ্ট্রীয় কা-ে তো আমার অস্তিত্বই বিপন্ন
ক্ষমতার চৌহদ্দিতে নিষিদ্ধ হতে হতে ওপথ মাড়াই না আর
তাই রহস্যঘোরে হঠাৎ মসনদে নামে রক্তের নদী
আমার ভাই বোন বন্ধু এবং প্রতিবেশীর সঙ্গেও যোগ নেই কারো
আপনার ভাই বোন বন্ধু প্রতিবেশী ! কারা?
বললেন- সংযম আমার ভাই, সহিষ্ণুতা বোন
নির্লোভ আমার বন্ধু পরিমিতি আমার প্রতিবেশী
আর জ্ঞান আমার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়
এছাড়া পরিতৃপ্তি আমার সঙ্গী
স্থিরতার ফুলে ছড়ায় আমার খুশবু
আমার গহীনে শেকড় গেঁড়ে উঁচু হয় জ্ঞানী-বৃক্ষ
আপনার বাড়ি?
অল্পে তুষ্ট হৃদয় আমার বসতঘর।
পূর্ণচন্দ্রের পূর্ণচ্ছেদ
তুহীন বিশ্বাস
ভদ্রতার আস্তরণে সুগন্ধির বাজার
এখানে চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে পণ্য।
বিক্রেতার চরিত্রে অদৃশ্য অদ্ভুত নেশা-
সনদে হেরে গেছে সভ্যতার মানদ-।
তোমাদের মতো আমিও হেরে যাই
বিবেক রক্তে লাল পেরেক ঠোকাই।
বিধ্বস্ত স্বপ্নগুলো সুইসাইড করে ;
মহানিশার চক্রে পূর্ণচন্দ্রের পূর্ণচ্ছেদ।
তুমি-আমি
মশিউর
গাঙচিলের উড়ে আসা সমুদ্রে
আগুনের শিখা
পরিণত প্রণয়ে ঘুনোপোকা
শূন্য শহরে শূন্য চোখ?
একটা উদাস করা বিকেল আসুক
মন খারাপের তীব্র প্রহরে
তুমি-আমি মুখোমুখি
জাগ্রত জীবনে এ যেন শেষ দেখা?
এরপর ঝরা পাতার করুণ কান্নায়
মৃত্যুর মতো ভয়ঙ্কর যন্ত্রণায়
তোমার-আমার বিদায়বেলা
যেখানে কথা হবে
কান্নার সাথে কান্নার রং মিশিয়ে।
বদলে যাওয়া কষ্টের নাম হবে স্মৃতি
থাকবে না আলিঙ্গন
শুধু ভুল পথে ভুল স্রোতে
ভেসে যাবে ভালোবাসা।
ইনকেলাব
জার্জিস খান
যে লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান
জিতকে লেঙ্গে পাকিস্তান
থেকে নিয়ে এই বাংলার আজাদি
চব্বিশের শ্রাবণে তার
ওম আগুন জ্বলে,
ফুলকি বারুদ হয়
বরকতের মতো শহীদ হয়
নাঈমা সুলতানা
ঘরের বারান্দা হতে
উড়ে যায়
ফিরদাউসের বাগানে।
শ্রাবণের আগুনে
শহিদ হতে বুক পাতে
আবু সাইদ, আর মুগ্ধরা
জীবনদায়ী পানির মতোই
চিরকাল বেঁচে থাকে।
আসলে তারা মরে না
বেঁচে যায়,
বাঁচিয়ে রাখে জুলাই।
তারা চলে যায়,
আমাদের জুলাইও আর ফুরায় না,
হয় ছত্রিশে জুলাই
কিংবা বিভাজ্য বিভাজনের
আঠারো জুলাই।
এখনো কাতরে উঠে
জুলাইয়ের বীরেরা
হাসপাতালের বেডে,
আর শ্রাবণের বারিধারার মতো
শেষবিন্দু রক্ত দিয়ে,
শহিদেরা উড়ে যায়।
আর আমাদের হাতে
ধরিয়ে দেয়
ইনকেলাব ইনকেলাব।
সুপ্রভাত গান লিখে
মান্নান নূর
কম্বল মুড়ি দিয়ে বসন্ত ঘুমায় শীতের ঘরে
ঊষের বাজারে সবজি আজ ডানাকাটা পরী,
বরকতময় ফজরে শিশিরের কণা ভালোবাসা ওড়ায় কাব্য লিখে ঝরাপাতার-কে আসে দু’হাত বাড়ায়ে ধূসর রঙ ঠেলে ঠেলে সাদা ওম নিয়ে?
সুপ্রভাত গান লিখে নতুন পাতার।
বিভাগ : সাহিত্য
মন্তব্য করুন
আরও পড়ুন

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

মুসল্লিদের বাধায় নাটক মঞ্চায়ন বাতিলের সংবাদ বিভ্রান্তিকর

মানুষ ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করেছে: আবদুল হালিম

থাইল্যান্ড থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

নারীবান্ধব পাবলিক টয়লেট

মেডিক্যাল ট্যুরিজম

প্রেসার গ্রুপের ভালো-মন্দ

রাজধানীতে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে

ইশার নামাজের সাথে সাথে বিতির নামাজ না পড়া প্রসঙ্গে?

প্রশ্ন : মরণোত্তর চক্ষুদান বা অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান কি শরীয়ত সমর্থন করে?

মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব হচ্ছে উত্তম চরিত্রে

খালেস নিয়তে আমল করলে প্রতিদান সুনিশ্চিত

ঈদ আসে-ঈদ যায়, স্মৃতিটুকু রয়ে যায়

ইসলামের দৃষ্টিতে পরোপকারের গুরুত্ব ও ফজিলত

ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদ করায় যাত্রীকে মারধর

কৃষক জজ মিয়ার মৃত্যু নিয়ে রহস্য

সরিষাবাড়ীতে বিএনপি’র দু’গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ

কনস্টেবলকে মারধরের অভিযোগ

ছাত্রদল নেতার অফিসে হামলা-ভাংচুর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার গাড়িতে আগুন

মাদারীপুরে কৃষকের হাত কেটে নিল সন্ত্রাসীরা