১৪ দল নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক চায়
৩০ মার্চ ২০২৩, ১১:৩৭ পিএম | আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৩, ১১:০৯ পিএম

আগামী ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক চায় ১৪ দল। তবে এ নিয়ে যদি কোনো ষড়যন্ত্র হয়, তার প্রতিরোধ করা হবে। বিএনপি আসুক না আসুক নির্বাচন হবে বলে নিশ্চিত জোট নেতারা। এ নিয়ে ভাবার কিছু নেই বলে তারা মন্তব্য করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নেতারা এসব কথা বলেন।
ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে স্বাধীন নির্বাচন দেখতে চায়, আমরাও দেখতে চাই। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র একাত্তরে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীকে অস্ত্র দিয়ে রক্তের হোলি খেলা করেছে।
বাংলাদেশের গণতন্ত্রী পার্টির নেতা শাহাদাৎ হোসেন বলেন, দেশকে তারা (বিএনপি) অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। তাদের সমস্ত ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে। চোরাগুপ্তা পথে কিছু হবে না, লড়াই হবে রাজপথে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কামরুল ইসলাম বলেন, কোনো অসাংবিধানিক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নির্বাচনকালীন সরকার নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্বাচন করবে। কমিশন স্বাধীনভাবে এই নির্বাচন পরিচালনা করবে।
১৪ দলের অন্যতম নেতা ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, একাত্তরের যুদ্ধ কয়েকটি রাজনৈতিক সমাধান করেছিল। সংবিধানের চার নীতি; মুক্তিযুদ্ধের চার নীতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এটা মীমাংসা করেছিলেন। ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের নাম, জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা মীমাংসিত ঘটনা।
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ বলেন, সারা বাংলাদেশে ১৪ দলীয় কর্মকা- ছড়িয়ে দেব। ১৪ দলকে সুসংগঠিত করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে শক্তিকে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী করতে হবে।
জাতীয় পার্টি (জেপি) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র মেরামত করতে ১০, ২৭ দফা দিচ্ছে। কে মেরামত করবে? সে তো লন্ডনে। লন্ডন থেকে আবার ষড়যন্ত্র চলছে, সদা সতর্ক থাকতে হবে। সরকারের বদনাম করার জন্যে দুর্নীতিতে লিপ্ত রয়েছে অনেকে। তাদের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
১৮ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেন, সরকারে ছিল কে? ফখরুদ্দীনের পরিচয় ছিল কি? জিয়াউর রহমান কর্তৃক নিয়োজিত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিল কে? জেনারেল মতিন। পরিচয় কি? খালেদা জিয়ার সরকারের দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান। মঈন উদ্দিন কে? ছয় জনকে বাদ দিয়ে খালেদা জিয়া যাকে সেনাবাহিনী প্রধান করেছিলেন। সেদিন যে লোকগুলোকে নিয়ে সরকার গঠন করা হয়েছে তারা ছিল বিএনপিপন্থী। আমাদের সংবিধান নিয়ে যারা কথা বলে তারা জাতীয় শত্রু।
বিভাগ : জাতীয়
মন্তব্য করুন
এই বিভাগের আরও






আরও পড়ুন

ড. ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল : মির্জা আব্বাস

জকিগঞ্জে অটোরিকশা চালককে মারধর করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

বিএনপি কারো উপর নির্যাতন করতে চায় না' : শামা ওবায়েদ

ইশার নামাজের সাথে সাথে বিতির নামাজ না পড়া প্রসঙ্গে?

থাইল্যান্ড থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

মানুষ ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করেছে: আবদুল হালিম

মুসল্লিদের বাধায় নাটক মঞ্চায়ন বাতিলের সংবাদ বিভ্রান্তিকর

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

কারো চোখ রাঙানী আর মেনে নেয়া হবে না-সারজিস আলম

মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার কানাডার অধিনায়ক

অবিলম্বে নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে হবে -আমান উল্লাহ আমান

ফটিকছড়িতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, লাইফ সাপোর্টে মা

ট্রাম্পকে ৭ লাখ ৪১ হাজার ডলার জরিমানা করলেন লন্ডনের হাইকোর্ট

ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে ফেসবুক পোস্টে যা বললেন মোদি

শেষ হচ্ছে ম্যান সিটিতে ডে ব্রইনে অধ্যায়

মাগুরায় মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে মানববন্ধন

ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে থাইল্যান্ডকে আহ্বান ড. ইউনূসের

যারা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা আ.লীগের দোসর

বিমসটেকের আগামী সম্মেলন নিয়ে যে প্রস্তাব দিলেন ড. ইউনূস

ইংল্যান্ড দলে আরেক ধাক্কা