জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোর কমিটি বিলুপ্ত!
২২ আগস্ট ২০২৪, ১২:০৫ এএম | আপডেট: ২২ আগস্ট ২০২৪, ১২:০৫ এএম
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ায় শেষ হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৫ বছরের দুঃশাসন। গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের নানা ক্ষেত্রে পরিবর্তন ও সংস্কারের হাওয়া লেগেছে। অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো ক্রীড়াঙ্গনেও বাইছে এই হাওয়া। ক্রীড়াঙ্গনের প্রশাসনিক কাঠামোর অন্যতম স্তর হলো জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা। এই সংস্থাকে কেন্দ্র করে আবার গঠন হয় জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদ। যারা এক সময় ‘ফোরাম’ নামে খ্যাত ছিল। যাদের কাজই ছিল বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের নির্বাচনসহ প্রায় সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কোটি কোটি টাকার ফয়দা লুটা। অবশেষে বন্ধ হচ্ছে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের ছড়ি ঘোরানো। কারণ হাসিনা সরকারের শাসনামলে গঠিত দেশের সকল জেলা, বিভাগ, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা ও মহিলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটি গুলো আর থাকছে না। ফলে থাকছে না জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের দাদাগিরিও। বুধবার এক প্রজ্ঞাপনে দেশের সব জেলা, বিভাগ, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা ও মহিলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটি ভাঙার নির্দেশনা জারি করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া শাখা থেকে প্রেরিত সহকারী সচিব এসএম হুমায়‚ন কবির স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য জানা যায়।
ফেডারেশনের মতো জেলা-বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থায় নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ চার বছর। ফেডারেশনের নির্বাচিত কমিটি ভাঙলে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা থাকে। স্থানীয় ক্রীড়া সংস্থা ভাঙা-গড়ার সম্পর্ণ এখতিয়ার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি)। পদাধিকার বলে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি থাকেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার স্ব স্ব জেলা/বিভাগে স্বনামধন্য ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের নিয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই কমিটি গঠন করে এনএসসির অনুক‚লে অনুমোদন নেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে। ক্রীড়া প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা। এই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি গঠনের ভার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) ওপর। এই কমিটি গঠনে এনএসসির অনুমোদন প্রয়োজন নেই। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি জেলা প্রশাসকই এটি অনুমোদন করতে পারবেন। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থায় নির্বাচন হলেও মহিলা জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা বরাবরই অ্যাডহক কমিটিতে পরিচালিত হয়। সেখানে অ্যাডহক কমিটির পরিবর্তে আবার অ্যাডহক হবে।
জেলা-বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বড় কর্তা। চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের সভাপতি। নড়াইল জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মিকু জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের মহাসচিব। ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এমবি সাইফ সাঁতার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। এই তিনজনের বিরুদ্ধে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। কারণ জেলা ও বিভাগের সাধারণ সম্পাদকরা বিভিন্ন ফেডারেশনের শীর্ষ পদে থাকেন এবং অন্য ফেডারেশনের নির্বাচনেও ভমিকা রাখেন। খেলাধুলার উন্নয়নের চেয়ে তারা নিজেদের স্বার্থই বেশি দেখেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিভাগ : খেলাধুলা
মন্তব্য করুন
আরও পড়ুন
এফএ কাপে সিটির গোল উৎসব
মাদুরোকে গ্রেপ্তারে ২৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত উভয়েই একটি স্থিতিশীল বাংলাদেশ দেখতে চায় :বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত
অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে ইরানে অস্থিরতা বাড়ছে
দ্রুত নির্বাচন হলে সৃষ্ট সংকট দূর হবে : মির্জা ফখরুল
গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে নিহত আরও ২১
নিষেধাজ্ঞার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পাবে
অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট বাসভবনকে ‘দুর্গে’ পরিণত করেছেন
ভারতের সঙ্গে করা জনস্বার্থবিরোধী চুক্তি বাতিলের দাবি আনু মুহাম্মদের
পাকিস্তানিদের জন্য ভিসার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ
মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানদের ঐক্যবদ্ধ কার্যকরী ভূমিকা সময়ের অপরিহার্য দাবি
রাজনীতি হওয়া উচিত জনমানুষের কল্যাণে -বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরী
বিএনপির সাথে জামায়াতের দূরত্ব নয় বরং সুসম্পর্ক রয়েছে -চাঁদপুরে ডা. তাহের
আদমদীঘিতে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া
ছাত্রাবাস থেকে রুয়েট শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার
দেশীয় চোলাই মদের ট্রানজিট বোয়ালখালী
সোনারগাঁওয়ে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির
রূপগঞ্জ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা, সংবর্ধনা ও বার্ষিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মীরাও ফ্যাসিস্ট সরকারের নিপীড়নের শিকার : অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
সাম্প্রদায়িক হামলার অভিযোগে ১১৫টি মামলা, ১০০ জন গ্রেফতার