বইমেলা দেশে দেশে

Daily Inqilab ড. আবদুল আলীম তালুকদার

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:০৬ এএম | আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:০৬ এএম

আধুনিক বিশ্বে পণ্য বেচাকেনা, বিপণন ও পণ্যের প্রচার-প্রসারের জন্য জাঁকজমকের সাথে নানা নামে নানা রকমের মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। আর সারা পৃথিবীব্যাপী যতো রকম মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও শ্রেষ্ঠ মেলা হলো বইমেলা। কারণ, এখানে লেখক-পাঠকদের মহামিলন ঘটে, ভাব ও মতবিনিময় হয়, জ্ঞানের বিস্তার, মেধার পরিশীলন ঘটে। পৃথিবীর অনেক দেশেই এ মেলার আয়োজন করা হয়। এসব মেলায় লাখো বইপ্রেমী আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা ভিড় করে থাকে। বইমেলা বইপ্রিয় মানুষের প্রাণে দোলা দেয়, তাদের মনের খোরাক জোগায়, অনুরণিত করে তাদের মন-মনন। ‘অমর একুশে বইমেলা’ বাঙালির প্রাণের মেলা। শিল্প-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মেলা। ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য জীবনদানকারী শহীদদের স্মৃতিকে অম্লান করে রাখার জন্যই এই মেলার আয়োজন করা হয়। ফি বছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলা একাডেমি চত্বর ও তৎসংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে একুশে বইমেলা।

দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের দেশে লেখক-পাঠক, শিশু-বৃদ্ধÑ সবার কাছে সবচেয়ে প্রিয় ফেব্রুয়ারি মাস। কারণ ফেব্রুয়ারিজুড়েই চলে সবার প্রাণপ্রিয় অমর একুশে বইমেলা। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত বৈষম্য-বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের উৎসর্গ করে এ বছর অমর একুশে বইমেলার থিম নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বছরের বইমেলার প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ’।
একটি জাতির মেধা ও মননের উৎস ভূমি হলো তার বইয়ের জগত বা লাইব্রেরি। একই সাথে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম তথা জাতির সকল মেধার সংগ্রহশালাও হলো এই লাইব্রেরি। সময়ের প্রয়োজনে এই সংগ্রহশালাকে মেলার মধ্য দিয়ে প্রদর্শন বা প্রচার করা হয়ে থাকে। এতে এই বিশাল জ্ঞানের ভা-ার চলে আসে সকলের হাতের নাগালে। এর মাধ্যমে জনগণ এই বিশাল জ্ঞান-সমুদ্রের সাথে পরিচিত হওয়ার একটি বড় সুযোগ পায়।

পৃথিবীতে বই সংগ্রহের রীতিটা অনেক পুরনো। ধারণা করা হয়, দার্শনিক সক্রেটিসের সমসাময়িককালে বই সংগ্রহের রীতি চালু ছিল। প্রাচীন চৈনিক সভ্যতায়ও বই পড়া ও সংগ্রহের রেওয়াজ ছিল। তারা ৯৬০ সালের পরপরই বই সংগ্রহ শুরু করে এবং এই বই সংগ্রহের উৎসবকে তারা ‘শানবিন’ নামে আখ্যায়িত করে। বই পড়া ও সংগ্রহকে তারা খুবই গুরুত্ব দিত। তাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতিকে ধরে রাখার জন্যই বই সংগ্রহ শুরু করে চীনারা।

বইমেলার ইতিহাস অনুসন্ধান করলে দেখা যায়, এর ইতিহাসও বইমুদ্রণের ইতিহাসেরই প্রায় সমকালীন। ইউরোপের গ্রিসের এথেন্স, স্পেনের কর্ডোভা, ফ্রান্সেরÑ লিঁও, প্যারিস ও ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা খুবই প্রাচীন। ইউরোপে বইকে দেখা হয়েছে একইসঙ্গে অর্থনৈতিক পণ্য ও সাংস্কৃতিক উপাদান হিসেবে। সে কারণেই এর প্রচার, প্রসার ও বাজার সৃষ্টির জন্য ওইসব দেশে বইয়ের পসরা সাজিয়ে বই বিক্রেতারা বসেছে নানা জায়গায়। বই কেনাবেচার এই আয়োজনকেই একালে চিহ্ণিত করা হয়েছে বইমেলা হিসেবে। বইমেলার প্রথম সূচনা ঘটে ইউরোপে। ত্রয়োদশ শতকে ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের ডাডলি মেট্রোপলিটন বরোতে অবস্থিত বাজার শহর স্টোরব্রিজের মেলায় বইয়ের সমাবেশ ঘটানো হয়েছিল। এই মেলায় অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি বইয়ের স্টল ছিল। তার নাম ছিল ‘বুক সেলার্স রো’।

ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, খ্রিষ্টীয় পনেরো শতকে জোহানস্ গুটেনবার্গ প্রথম মুদ্রণযন্ত্র বা ছাপাখানা আবিষ্কার করেছেন। বলা হয় সেই সময় থেকেই বইমেলার সূচনা হয় জার্মানিতে, যা ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা নামে সুপরিচিত। মাত্র পাঁচ দিনের বইমেলা। প্রথম তিন দিন ব্যবসায়ীদের জন্য। পরের দুই দিন সবার জন্য উন্মুক্ত। অনেকের মতে, জার্মানীর লিপজিগ শহরে প্রথম বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। লিপজিগ খুব বড় করে মেলার আয়োজন করায় ওটার নামই লোকজন তখন থেকে জানতো বেশি। সে সময় বইমেলাগুলো তেমন জনপ্রিয়তা না পেলেও তা অল্প সময়ের মধ্যে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। সতেরো শতকের পর ইউরোপসহ বিশ্বের আরও কিছু দেশে বইমেলা শুরু হয়।

তবে ১৮০২ সালে ম্যাথু কেরির উদ্যোগে প্রথম পূর্ণাঙ্গ বইমেলার আসর বসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে। ১৮৭৫ সালে প্রায় ১০০ জন প্রকাশক মিলে নিউইয়র্কের ক্লিনটন শহরে আয়োজন করে বৃহৎ এক বইমেলার। ওই মেলায় প্রদর্শিত হয়েছিল প্রায় ৩০ হাজার বই। ১৯৪৯ সালে শুরু হয় জার্মানীর ফ্রাঙ্কফুর্টে বৃহৎ বইমেলা যা পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক বইমেলায় রূপ নেয়। সেখান থেকেই আধুনিক বইমেলার শুভযাত্রা। প্রতিবছর অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। মেলায় ২১টিরও বেশি দেশ থেকে প্রায় ১৫ হাজার প্রকাশক অংশ নেন মাত্র পাঁচ দিনের এই মেলায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দেশে দেশে বইমেলা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রকাশনার দিক থেকে লন্ডন বইমেলা বিশ্বের সবচেয়ে বড় বইমেলার অন্যতম। তবে ফ্রাঙ্কর্ফুট বইমেলার মতো বড় না হলেও এ মেলার গুরুত্ব অনেক। সাধারণত বছরের মার্চ মাসে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

১৯৭৬ সালে প্রবর্তিত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা বইমেলা ১৯৮৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক বইমেলার স্বীকৃতি অর্জন করে। সারাবিশ্বে এখন অনেকগুলো আন্তর্জাতিক বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সেসব মেলায় বইপ্রেমিদের মিলন মেলা বসতে দেখা যায়। এরমধ্যে অন্যতম বইমেলাগুলো হলো- লন্ডন বইমেলা, নয়াদিল্লী বইমেলা, হংকং বইমেলা, মস্কো বইমেলা, সিডনি বইমেলা, টোকিও বইমেলা, ম্যানিলা বইমেলা, বেইজিং বইমেলা, বুয়েন্স আয়ার্স বইমেলা, জেরুজালেম বইমেলা, তেহরান বইমেলা, আবুধাবি বইমেলা, কায়রো বইমেলা ও বুক এক্সপো আমেরিকা (বিইএ) ইত্যাদি।

বাংলাদেশে প্রথম বইমেলা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬৫ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে (বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি)। এটি ছিল মূলত শিশু গ্রন্থমেলা, যার আয়োজন করেছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক কথাসাহিত্যিক সরদার জয়েনউদদীন। তিনি যখন বাংলা একাডেমিতে চাকরি করতেন তখন একাডেমিতে প্রচুর বিদেশী বই আসতো। এরমধ্যে একটি বই ছিল ‘ওয়ান্ডারফুল ওয়ার্ল্ড অব বুক্স’। এই বইয়ে উল্লেখিত ‘বুক’ এবং ‘ফেয়ার’ শব্দ দু’টি তাকে আন্দোলিত করে। ‘বুক ও ফেয়ার’ এই শব্দ দু’টি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি সেই শিশু গ্রন্থমেলার যাত্রা শুরু করেন। শিশু গ্রন্থমেলার আয়োজন করে তিনি পুরোপুরি তৃপ্ত হতে পারেননি, যার ফলে পরবর্তীতে তিনি আরো বড় আকারে গ্রন্থমেলা আয়োজন করার সুযোগ খুঁজতে থাকেন।

পরবর্তীতে ১৯৭০ সালে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সহযোগিতায় একটি গ্রন্থমেলার আয়োজন করেন তিনি। এই মেলায় আলোচনা সভারও ব্যবস্থা ছিল, যাতে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ আবদুল হাই, অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী ও অধ্যাপক সরদার ফজলুল করিম প্রমুখ। এই বইমেলায় তিনি এক অবিশ্বাস্য মজার কা- করেছিলেন। পাঠকদের আকৃষ্ট করার জন্য মেলার ভেতরে একটি গরু বেঁধে রেখে তার গায়ে লিখে দিয়েছিলেন, ‘আমি বই পড়ি না’। এই ঘটনাটি সে সময় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল এবং পাঠকদের হৃদয়ে দাগ কেটেছিল।

এবার আসি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বইমেলা শুরুর ইতিহাস পর্যালোচনার দিকে। ১৯৭২ সালে সুসাহিত্যিক সরদার জয়েনউদ্দিন যখন গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক, তখন ইউনেস্কো ওই বছরকে ‘আন্তর্জাতিক গ্রন্থবর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করে। গ্রন্থমেলায় আগ্রহী সরদার জয়েনউদ্দিন এই আন্তর্জাতিক গ্রন্থবর্ষ উপলক্ষে ১৯৭২ সালে ডিসেম্বর মাসে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে একটি আন্তর্জাতিক গ্রন্থমেলার আয়োজন করেন। সেই থেকে বাংলা একাডেমিতে বইমেলার সূচনা।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই অর্থাৎ ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমিতে অমর একুশের অনুষ্ঠানে কোনো বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। সেবার একাডেমির দেয়ালের বাইরে স্ট্যান্ডার্ড পাবলিশার্সের রুহুল আমিন নিজামী তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রগতি প্রকাশনীর কিছু বইয়ের পসরা সাজিয়ে বসে কিছু বই বিক্রি করেন। ওই সময় বর্ণমিছিলের প্রকাশক তাজুল ইসলামসহ আরো ৭-৮ জন প্রকাশক একাডেমির ভেতরে পূর্বদিকের দেয়াল ঘেঁষে বই সাজিয়ে বসেন।

আবার একই বছরের তথা ১৯৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মুক্তধারার প্রকাশক চিত্তরঞ্জন সাহা বর্ধমান হাউজ প্রাঙ্গণে বটতলায় চটের ছালা বিছিয়ে তার উপর কলকাতা থেকে আনা ৩২টি বই সাজিয়ে বইমেলার গোড়াপত্তন করেন। এ ৩২টি বই ছিল চিত্তরঞ্জন সাহা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলা সাহিত্য পরিষদ (বর্তমান মুক্তধারা প্রকাশনী) থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশি শরণার্থী লেখকদের লেখা।

দেশ স্বাধীন হওয়ার অব্যহতি পরেই চিত্তরঞ্জন সাহা কলকাতা থেকে সেই লেখকদের কিছু বই নিয়ে আসেন বাংলাদেশে। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের প্রাথমিক উপাদান ছিল এই বইগুলো। ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত এভাবেই বইমেলা চলতে থাকে। ১৯৭৩ সালে বাংলা একাডেমি মেলা উপলক্ষে ১৫ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশেষ হ্রাসকৃত মূল্যে একাডেমি প্রকাশিত বই বিক্রির ব্যবস্থা করে। এর পাশাপাশি মুক্তধারা, স্ট্যান্ডার্ড পাবলিশার্স কর্তৃপক্ষের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে আরো কেউ কেউ বাংলা একাডেমির মাঠে নিজেদের বই বিক্রির উদ্যোগ গ্রহণ করে।

১৯৭৮ সালে বাংলা একাডেমির তৎকালীন মহাপরিচালক বিশিষ্ট কবি ও ফোকলোরবিদ ড. আশরাফ সিদ্দিকীর সক্রিয় ভূমিকায় বাংলা একাডেমি বই মেলার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়। বাংলা একাডেমির সক্রিয়তার ফলেই সেই বইমেলা আজকের এই গৌরবময় অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। ১৯৭৯ সালে মেলার সঙ্গে যুক্ত হয় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি। ওই সময় ৭ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বইমেলা অনুষ্ঠিত হতো। ১৯৮১ সালে বইমেলার মেয়াদ ২১ দিনের পরিবর্তে ১৪ দিন করা হয়। এরপর প্রকাশকদের দাবির মুখে ১৯৮২ সালে মেলার মেয়াদ আবার ২১ দিনে বৃদ্ধি করা হয়। তখন মেলার প্রধান উদ্যোক্তা বাংলা একাডেমি আর সহযোগিতায় ছিল জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি।

১৯৮৩ সালে কবি মনজুরে মওলা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে বাংলা একাডেমিতে প্রথম অমর একুশে গ্রন্থমেলার আয়োজন করলেও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সে বছর মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। ১৯৮৪ সালে সাড়ম্বরে বর্তমানের অমর একুশে গ্রন্থমেলার সূচনা হয়। মূলত ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার জন্য আত্মোৎসর্গের স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতেই এই মেলার নামকরণ হয় ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’, যা নিয়মিতভাবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বাংলা একাডেমি চত্বরে স্থান সংকুলান না হওয়ায় ২০১৪ সাল থেকে অমর একুশে গ্রন্থমেলা বাংলা একাডেমি চত্বর ছাড়াও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্প্রসারিত করা হয়।

লেখক: কবি, প্রাবন্ধিক ও সহযোগী অধ্যাপক, শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজ, শেরপুর


বিভাগ : সম্পাদকীয়


মন্তব্য করুন

HTML Comment Box is loading comments...

এই বিভাগের আরও

টিসিবির পণ্য পেতে মানুষের ভোগান্তি
ইসলামী আর্থিক ব্যবস্থার আইনি কাঠামো প্রয়োজন
বিএনপি এখন কি করবে
ট্রাম্পের শুল্ক নীতি : বাংলাদেশকে যথাযথ উদ্যোগ নিতে হবে
মোবাইল হতে শিশুদের দূরে রাখুন
আরও
X

আরও পড়ুন

মীরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থী মৃত্যু

মীরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থী মৃত্যু

ড. ইউনূস-মোদির বৈঠকে ‘আশার আলো’ দেখছেন মির্জা ফখরুল

ড. ইউনূস-মোদির বৈঠকে ‘আশার আলো’ দেখছেন মির্জা ফখরুল

মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক গ্রেফতার

মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক গ্রেফতার

তারেক রহমানের মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার বার্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা

তারেক রহমানের মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার বার্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা

ড. ইউনূসকে ‘বস’ ডেকে যা বললেন উপদেষ্টা আসিফ

ড. ইউনূসকে ‘বস’ ডেকে যা বললেন উপদেষ্টা আসিফ

গণপিটুনিতে নিহত খুনে অভিযুক্ত, বাঁচাতে যেয়ে আহত ৬ পুলিশ

গণপিটুনিতে নিহত খুনে অভিযুক্ত, বাঁচাতে যেয়ে আহত ৬ পুলিশ

চিকেন’স নেক নিয়ে আতঙ্কে ভারত, নিরাপত্তা জোরদার

চিকেন’স নেক নিয়ে আতঙ্কে ভারত, নিরাপত্তা জোরদার

মরহুম আতাহার হোসেন স্মৃতি আন্তঃব্যাচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা

মরহুম আতাহার হোসেন স্মৃতি আন্তঃব্যাচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা

ড. ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল : মির্জা আব্বাস

ড. ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল : মির্জা আব্বাস

জকিগঞ্জে অটোরিকশা চালককে মারধর করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

জকিগঞ্জে অটোরিকশা চালককে মারধর করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

বিএনপি কারো উপর নির্যাতন করতে চায় না' : শামা ওবায়েদ

বিএনপি কারো উপর নির্যাতন করতে চায় না' : শামা ওবায়েদ

ইশার নামাজের সাথে সাথে বিতির নামাজ না পড়া প্রসঙ্গে?

ইশার নামাজের সাথে সাথে বিতির নামাজ না পড়া প্রসঙ্গে?

থাইল্যান্ড থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

থাইল্যান্ড থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

মানুষ ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করেছে: আবদুল হালিম

মানুষ ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করেছে: আবদুল হালিম

মুসল্লিদের বাধায় নাটক মঞ্চায়ন বাতিলের সংবাদ বিভ্রান্তিকর

মুসল্লিদের বাধায় নাটক মঞ্চায়ন বাতিলের সংবাদ বিভ্রান্তিকর

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

কারো চোখ রাঙানী আর মেনে নেয়া হবে না-সারজিস আলম

কারো চোখ রাঙানী আর মেনে নেয়া হবে না-সারজিস আলম

মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার কানাডার অধিনায়ক

মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার কানাডার অধিনায়ক

অবিলম্বে নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে হবে -আমান উল্লাহ আমান

অবিলম্বে নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে হবে -আমান উল্লাহ আমান

ফটিকছড়িতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, লাইফ সাপোর্টে মা

ফটিকছড়িতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, লাইফ সাপোর্টে মা