আওয়ামী লীগ এবং ভারতপ্রেমীরা ছাড়া আর কেউ বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী নয়
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:০১ এএম | আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০১:০৭ এএম

জুলাই বিপ্লবের পর সাড়ে ৬ মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু এই সাড়ে ৬ মাস পরেও আবার শোনা যাচ্ছে স্বাধীনতা বিরোধী নামের নতুন ট্যাগ। স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি, স্বাধীনতা বিরোধী ইত্যাদি ট্যাগ ছিল আওয়ামী লীগের গত সাড়ে ১৫ বছরের রাজনৈতিক ব্যবসার প্রধান পুঁজি। আওয়ামী লীগ উৎখাত হওয়ার পরও আমরা কেন ঐ আওয়াজ শুনবো? এসম্পর্কেই আজ লিখবো। লিখতে বসে কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে গিয়ে একটি সংবাদে এসে চোখ আটকে গেল। গত শনিবার ২২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ নামের একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এই সভায় জুলাই হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা বলেন, একদল রাজনৈতিক দল গঠন করে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। আরেক দল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচন চাচ্ছে। যাদের রক্তের ওপর দিয়ে দেশ নতুন করে স্বাধীন হলো, তাদের হত্যার বিচারের কথা কেউ বলছেন না।
যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত মো. সিয়ামের ভাই মো. রাশেদ বলেন, ‘এই সরকারের কাছে বেশি কিছু চাই না, ভাই হত্যার বিচার চাই। দেশে কোনো নির্বাচন দেওয়ার আগে ভাই হত্যার বিচার করুন।’ শহীদ পরিবারের সদস্যরা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার তাদের সরকার। কিন্তু তারা শহীদ পরিবারের কষ্ট বুঝতে পারছে না। হত্যার সঙ্গে জড়িত পুলিশ ও হেলমেট বাহিনীর সদস্যদের অনেককেই এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। দ্রুত তাঁদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সাজ্জাত হোসেন সজলের মা শাহিনা বেগম বলেন, ‘পুলিশ আমার ছেলেকে আশুলিয়ায় আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। সাত মাস হয়ে গেল আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার পেলাম না।’ নাবিল হোসেন বলেন, ‘আর কোনো আশ্বাস নয়, রায়েরবাজারে যে ১১৪ জনকে বেওয়ারিশ হিসেবে কবর দেওয়া হয়েছে, তাঁদের শনাক্ত করতে হবে। যাঁরা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, তাঁদের খুঁজে বের করতে হবে।’
জাতীয় নির্বাচন আমরা সকলেই চাই। সেটি একটি ভিন্ন প্রসঙ্গ। কিন্তু এই সব সজনহারা মাতাপিতা এবং ভাইবোনদের এই বুক ফাটা আর্তনাদকেও তো আমাদের আমলে নিতে হবে। আমরা সকলেই ইউটিউবে দেখেছি, পুলিশ নামের কয়েকজন পাষন্ড আশুলিয়ায় কয়েকজন তরুণকে গুলি করে হত্যা করছে। অতঃপর সেই লাশ চ্যাংদোলা করে ট্রাকে নিক্ষেপ করছে। এরপর দেখলাম, লাশগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হলো। একটি খবরে প্রকাশ, আশুলিয়ায় এভাবে ১৫ ব্যক্তিকে প্রথমে খুন করে তারপর তাদের লাশ জ¦ালিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আরো অনেক প্রশ্ন আছে। জাতিসংঘের রিপোর্টে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জুলাই বিপ্লবে অর্থাৎ ২১ দিনে ১ হাজার ৪০০ ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সবচেয়ে লক্ষ্যনীয় হলো, ঐ জাতিসংঘের রিপোর্টেই বলা হয়েছে, এদের মধ্যে ৬৬ শতাংশ অর্থাৎ ৯২৪ জন প্রতিবাদি ছাত্র-জনতা নিহত হয়েছেন ৭ দশমিক ৬২ বোর্রের গুলিতে। এসম্পর্কিত জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের চার্ট দেওয়া হলো। ড. ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ব্রিগেডিয়ার (অব) সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন যে, এই বুলেট বেসামরিক কোনো বাহিনী ব্যবহার করে না। অর্থাৎ পুলিশ, আনসার, র্যাব প্রভৃতি কোনো বাহিনী ব্যবহার করে না। তাহলে এইসব বুলেট কোত্থেকে এলো? কারা ব্যবহার করলো?
‘মায়ের ডাক’ নামক সংগঠনের সদস্যরা বিগত ১৫ বছর অবিরাম কেঁদেছেন। কাঁদতে কাঁদতে তাদের চোখের পানি শুকিয়ে গেছে। তাদের স্বজনদেরকে হাসিনার আয়নাঘর নামক গোপন ঘরে বন্দী করা হয়। এভাবে ১৫ বছরে সাড়ে ৩ হাজার মানুষকে গুম করা হয়। এদের অর্ধেকেরও বেশি এখনও ফিরে আসেননি। তারা আর কোনোদিন ফিরে আসবেন না। তাদের অনেকের কবরেরও সন্ধান পাওয়া যায়নি আজও। এতগুলো মানুষের মধ্যে এখন পর্যন্ত একজনেরও খুনের বিচার হয়নি। বিডিআরে ৫৭ জন সেনা অফিসার সহ ৭৪ জন সেনা অফিসারকে ঠান্ডা মাথায় খুন করার বিচার আজও হয়নি। শাপলা চত্বরে শত শত আলেমের হত্যার বিচার তো দূরের কথা, বিচার করার জন্য কোনো কমিশনও গঠিত হয়নি এবং কোনো উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়নি। আমরা কেউই নির্বাচনের বিরেধিতা করি না। কিন্তু যেসব ঘটনা এখানে উল্লেখ করা হলো সেগুলোর কিছু কিছুর বিচার তো নির্বাচনের আগেই করতে হবে।
॥দুই॥
এখন ফিরে যাচ্ছি স্বাধীনতার পক্ষ বিপক্ষের কথায়। গত সপ্তাহে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ে অর্থাৎ কুয়েটে ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এখানে ছিল তিনটি পক্ষ। আমরা কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে কিছু বলছি না। কিন্তু একটি দল বলেছে যে, স্বাধীনতা বিরোধী একটি চক্র ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বুয়েট বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করছে।
জুলাই বিপ্লবে অংশ নিয়েছেন সকলেই। একমাত্র আওয়ামী লীগ এবং ভারতপ্রেমীরা ছাড়া সকলেই অংশ নিয়েছেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্র শিবির, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, গণতান্ত্রিক ছাত্র শক্তি এবং বামপন্থী সংগঠনগুলোও অংশগ্রহণ করেছে। বিপ্লব শেষ হওয়ার আগে কেউ কারো পরিচয় প্রকাশ করেনি। এটি ছিল একটি সুনিপুন কৌশল। আগেই যদি সকলের পরিচয় প্রকাশ পেতো তাহলে সকলে ইস্পাত কঠিন ঐক্য ধরে রাখতে পারতেন না। বিপ্লবের পর দেশে অবাধ গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে। তাই সকলেই ইচ্ছেমত কথা বলছেন, মত প্রকাশ করছেন। যেহেতু দেশে অনেকগুলো রাজনৈতিক দল রয়েছে এবং রয়েছে তাদের ছাত্র ফ্রন্ট, তাই একে অপরের সমালোচনা করতেই পারেন। সেটিই হলো গণতন্ত্রের বিউটি। কিন্তু তাই বলে স্বাধীনতা বিরোধী ট্যাগ দেওয়া হবে কেন?
॥তিন॥
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে এমন একটি সংবিধান রচনা করা হয় যেখানে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়, কিন্তু কমিউনিস্ট রাজনীতি এলাও করা হয়। তারপর থেকেই শুরু হয় স্বাধীনতার পক্ষ ও বিপক্ষের বিষাক্ত রাজনীতি। এভাবে স্বাধীনতার উষালগ্নেই জাতিকে সুস্পষ্টভাবে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। মুজিব সরকারের পতনের পর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে এই বিভাজনের রাজনীতি দূর করার চেষ্টা করেন। তিনি ইসলামী রাজনীতি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী ও মুসলিম রাজনৈতিক দলসমূহকে রাজনীতি করার সাংবিধানিক অধিকার দেন। জাতীয় ঐক্য স্থাপনে জিয়াউর রহমান ছিলেন দুঃসাহসী। তাই তিনি মুসলিম লীগের শাহ আজিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করেন। আব্দুল আলিমকে মন্ত্রী করেন। ভাসানীকে মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে নজরবন্দী রাখা হয়েছিল এবং স্বাধীনতার পর বামপন্থীদেরকে হত্যা করার জন্য ভারতের মাটিতে মুক্তি বাহিনী ছাড়াও মুজিব বাহিনী গঠন করা হয়েছিল। সেই ভাসানীর অনুসারীরা মশিউর রহমানের নেতৃত্বে সদলবলে বিএনপিতে যোগদান করেন। এভাবে জেনারেল জিয়া মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, অন্যান্য ইসলামী দল, ন্যাপ (ভাসানী), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, সেক্যুলার আওয়ামী লীগসহ সকলের জন্য রাজনীতির মাঠ উন্মুক্ত করেন।
শুধু তাই নয়, শেখ মুজিব বাকশাল করার ফলে আওয়ামী লীগও বিলুপ্ত হয়। জেনারেল জিয়া আওয়ামী লীগকেও পুনরুজ্জীবিত করেন। শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা তখন ভারতে অবস্থান করছিলেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া নিজে উদ্যোগ গ্রহণ করে শেখ হাসিনা এবং তার বোনকে বাংলাদেশে ফেরত আনেন।
তবে দুর্মুখরা এখানে একটি কো-রিলেশন খুঁজে বের করেন। তারা বলেন যে, শেখ হাসিনা ভারত থেকে দেশে ফেরেন ১৯৮১ সালের ১৭ মে তারিখে। আর প্রেসিডেন্ট জিয়া চট্টগ্রামে বিপথগামী সৈনিকদের গুলিতে নিহত হন ১৯৮১ সালের ৩০ মে। অর্থাৎ শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ১৩ দিন পর প্রেসিডেন্ট জিয়া নিহত হন।
স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষের ভেদরেখা উপড়ে ফেলে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার ফলে জেনারেল জিয়া দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন। তাই দেখা যায়, তার জানাযায়, ৪৩ বছর আগে যখন লোক সংখ্যা কম ছিল, তখনও ৩০ লক্ষ লোক শামিল হন।
॥চার॥
অথচ, আওয়ামী লীগ এবং ভারতের বিরোধিতা করার কারণে শেখ হাসিনা স্বাধীনতার ঘোষক এবং মুক্তিযুদ্ধে ‘জেড ফোর্সের’ অধিনায়ক জেনারেল জিয়াকে পাকিস্তানী এজেন্ট বলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ৯ নং সেক্টরের অধিনায়ক মেজর জলিলকেও স্বাধীনতা বিরোধী আখ্যা দেন। এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার ছিলেন জেনারেল ওসমানীর অধীনে মুক্তিযুদ্ধের সহঅধিনায়ক। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্স ময়দানে পাক বাহিনী যখন মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করে তখন সেই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার। এহেন এ কে খন্দকারের দেশপ্রেমকে কটাক্ষ করেন শেখ হাসিনা। তার অপরাধ, তিনি ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’ নামক তার লিখিত গ্রন্থে লিখেছেন যে, শেখ মুজিব ৭ মার্চের ভাষণ শেষ করেছিলেন দুটি শ্লোগান দিয়ে। শ্লোগান দুটি হলো, ‘জয় বাংলা’ এবং ‘জয় পাকিস্তান’ (‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে)।
॥পাঁচ॥
দেশকে স্বাধীনতার পক্ষ ও বিপক্ষ শক্তির এই আত্মঘাতী নীতির বিরুদ্ধে দৈনিক ইনকিলাব দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর কলম চালিয়েছে। এবং দৈনিক ইনকিলাব সেকারণে পাঠক নন্দিত হয়েছে। জনগণ অতীতে কোনো দিন এই ভেদ নীতি চায়নি। তাই জুলাই আগস্ট বিপ্লবের পর অর্থাৎ ৫ আগস্টের পর ঐ বিষাক্ত ভেদ নীতির কবর রচিত হয়েছে বলে জনগণ ধারণা করেছিলেন।
জনগণ মনে করেন যে, পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে দেড় হাজর মাইল দূরে। অতদূর থেকে এসে তারা আমাদের স্বাধীনতা বিনষ্ট করতে পারবে না। বাংলাদেশের তিন দিকই ভারত বেষ্টিত। সমগ্র দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলজুড়ে বঙ্গপোসাগর। স্থল সীমান্তের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশে বার্মা বা মিয়ানমার। মিয়ানমার আমাদের স্বাধীনতা বিপন্ন করতে পারে না। আমাদের স্বাধীনতা যদি কেউ বিপন্ন করতে পারে তাহলে সেটা পারে একমাত্র ভারত। ভারত আয়তনে বিশাল। বর্তমান জনসংখ্যা চীনকে ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ, অর্থাৎ ১৪২ কোটি। সামরিক শক্তির দিক দিয়ে ভারত বিশে^র চতুর্থ শক্তিশালী রাষ্ট্র। তার ওপরে আছে যথাক্রমে আমেরিকা, রাশিয়া ও চীন। অনেকে অবশ্য চীনকে দুই নম্বর শক্তি মনে করেন।
এই ভূগোলটি আমাদের মাথায় রাখতে হবে। ৫৪ বছরের ইতিহাসে দেখা যায়, পাকিস্তানের সাথে আমরা মোটামুটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন। এখানে ভারতের রয়েছে শক্ত ভিত। আওয়ামী লীগের মতো ৭৫ বছরের একটি শক্তিশালী দল তার পদলেহী। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জগৎ ভারতপ্রেমীদের কব্জায়। এখানে সিকিমের লেন্দুপ দর্জির মতো ছিলেন শেখ হাসিনা। সুতরাং বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী যদি কোনো রাষ্ট্র হয় তাহলে সেটি হতে পারে একমাত্র ভারত। আর বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী কোনো শক্তি যদি থেকে থাকে তাহলে সেটি হচ্ছে একমাত্র আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী ঘরানা।
আগেই বলেছি, আওয়ামী লীগের কোনো রাজনৈতিক পুঁজি নাই। তাদের একমাত্র পুঁজি হলো, স্বাধীনতা বিরোধী জুজু। সেই আওয়ামী লীগ এই মুহূর্তে মৃত অতীত। কিন্তু অতীতের সেই চিতাভষ্ম থেকে নয়, অন্য কোনো কণ্ঠ থেকে শোনা যাচ্ছে স্বাধীনতা বিরোধিতার আওয়াজ। কেন এই আওয়াজ? আজ যার বয়স ৬০, ১৯৭১ এ তার বয়স ছিল মাত্র ৯ বছর। আজ যার বয়স ৬৬, ১৯৭১ সালে তার বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর। এরা কেউ স্বাধীনতা বিরোধী হতে পারেন না। যদি কেউ স্বাধীনতা বিরোধী হয় তাহলে সেটি আওয়ামী লীগ এবং ভারতপ্রেমীরা। শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে ভারত থেকে এসেছিলেন। ২০২৪ সালে তিনি আবার ভারতেই ফিরে গেছেন।
এসব অকাট্য তথ্য এবং প্রমাণের পর রাজনৈতিক বিরোধিতার নামে যেন স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ প্রসঙ্গটি আর না আসে। কারণ সেটি জুলাই বিপ্লবের স্পিরিটের বিরোধী। জুলাই বিপ্লব আমাদের সকলকে নির্দেশ দিচ্ছে, দল, মত, জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে আমরা যেন এক নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি। জেন-জেডের প্রত্যাশাও তাই।
বিভাগ : সম্পাদকীয়
মন্তব্য করুন
আরও পড়ুন

মীরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থী মৃত্যু

ড. ইউনূস-মোদির বৈঠকে ‘আশার আলো’ দেখছেন মির্জা ফখরুল

মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক গ্রেফতার

তারেক রহমানের মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার বার্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা

ড. ইউনূসকে ‘বস’ ডেকে যা বললেন উপদেষ্টা আসিফ

গণপিটুনিতে নিহত খুনে অভিযুক্ত, বাঁচাতে যেয়ে আহত ৬ পুলিশ

চিকেন’স নেক নিয়ে আতঙ্কে ভারত, নিরাপত্তা জোরদার

মরহুম আতাহার হোসেন স্মৃতি আন্তঃব্যাচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা

ড. ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল : মির্জা আব্বাস

জকিগঞ্জে অটোরিকশা চালককে মারধর করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

বিএনপি কারো উপর নির্যাতন করতে চায় না' : শামা ওবায়েদ

ইশার নামাজের সাথে সাথে বিতির নামাজ না পড়া প্রসঙ্গে?

থাইল্যান্ড থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

মানুষ ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করেছে: আবদুল হালিম

মুসল্লিদের বাধায় নাটক মঞ্চায়ন বাতিলের সংবাদ বিভ্রান্তিকর

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

কারো চোখ রাঙানী আর মেনে নেয়া হবে না-সারজিস আলম

মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার কানাডার অধিনায়ক

অবিলম্বে নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে হবে -আমান উল্লাহ আমান

ফটিকছড়িতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, লাইফ সাপোর্টে মা