সুইডেনে রমজান : এক অনবদ্য গল্প
২৪ মার্চ ২০২৫, ০১:০৫ এএম | আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৫, ০১:০৫ এএম

বিশ্বের সকল মুসলমানদের এক ঐক্যের সুরে বেঁধে রাখা, এক প্রাণের সংগীতÑ রমজান মাস। এটি শুধু একটি পবিত্র সময় নয়, এটি মানুষের হৃদয়ের বন্ধন, তাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতার গল্প, একটি মানবতার বার্তা। রমজান মাস, এই মাসে পৃথিবী সব ভাষায় এক, ধর্মের পার্থক্যকে ভুলে গিয়ে আমরা একে অপরকে ভালোবাসতে শিখি, সহানুভূতি অনুভব করি, দয়া ও সহিষ্ণুতার সুরে পথ চলি। সুইডেনের মতো একটি দেশের প্রতিটি কোণে আমরা কলেমা, নামাজ, রোজা, হজ্জ ও জাকাত পালন করিÑ এক অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে। সুইডেনের মুসলমানদের জন্য রমজান মাস আসলে এক বিশেষ অনুভূতি তৈরি করে। সুইডেনের দীর্ঘ, ঠা-া শীতকালীন রাতের পরে যখন এই মহামূল্যবান মাস আসে, তখন সুইডেনের মুসলিম সম্প্রদায়ের জীবনটা যেন এক নতুন রঙে রাঙিয়ে ওঠে। রমজান পালন তাদের ধর্মীয় চেতনা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ভিন্ন ভিন্ন জাতি ও ধর্মের মানুষ একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে জীবনযাপন করে।
রোজা রাখার জন্য সুইডেনে মুসলিমদের ইতিহাস বেশ পুরনো। অবশ্য প্রথম দিকে রোজা পালনকারীদের সংখ্যা ছিল কম, কিন্তু বর্তমানে সুইডেনের বিভিন্ন শহর এবং শহরতলিতে রোজা রাখার প্রচলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সুইডেনে রোজা রাখার বিষয়টি একদিকে যেমন ধর্মীয় বিশ্বাসের বিষয়, তেমনি দেশটির মুসলমানদের সামাজিকতা এবং ঐক্যের প্রতীকও।
এখানে, বিশেষ করে স্টকহোম, গোটেনবর্গ এবং মালমো শহরে মুসলিম সম্প্রদায় রোজা পালন শুরু করতে গিয়ে নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি মেনে চলতে শুরু করেছে। সুইডেনের মুসলমানরা ধর্মীয় বিধি-নিষেধ মেনে রোজা রাখে, প্রার্থনা করে এবং দিনশেষে ইফতার করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশটির মূলধারার জনগণের মাঝে তাদের এই ধর্মীয় চর্চার প্রতি শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা বেড়েছে।
রমজান মাসে সুইডেনে মুসলমানদের ধর্মীয় জীবন যেন এক নতুন মাত্রা পায়। তারা রোজা রাখার পাশাপাশি নিয়মিতভাবে মসজিদে উপস্থিত হয় এবং সমাজের প্রতি তাদের দায়িত্ব ও ধর্মীয় চেতনা নিবেদিতভাবে পালন করে। সুতরাং, রোজা পালন শুধু একটি ধর্মীয় কর্তব্য নয়, বরং এটি একটি সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়ে দাঁড়িয়েছে যা সকলের জন্য একত্রিত হওয়ার, মানবিক সহানুভূতির চর্চা করার এবং প্রতিবেশীর প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করার সুযোগ এনে দেয়।
রমজান মাসে সুইডেনের মুসলমানদের জীবন ধীরে ধীরে এক বিশেষ গতি পায়। এই মাসে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটে শহরের প্রতিটি কোণে, যেখানে মুসলিমরা একসাথে আসে তাদের ধর্মীয় কর্তব্য পালন করতে। রোজা রাখার শুরুতে সূর্যোদয়ের আগে সেহরি খাওয়ার মধ্য দিয়ে দিনের শুরু হয়, তা যেন তাদের ঐক্য এবং সাধনার একটি প্রতীক। সুইডেনের মুসলিমরা নিয়মিতভাবে সেহরি খায়, তবে খাবারের পরিমাণ সাধারণত সামান্য এবং স্বাস্থ্যকর হয়, যাতে পুরো দিন রোজা রাখতে সুবিধা হয়। সুইডেনে সেহরির খাবারের মধ্যে বেশি ব্যবহৃত হয় প্রোটিন, শাক-সবজি এবং জলীয় পদার্থ, যাতে শরীর পর্যাপ্ত শক্তি এবং পুষ্টি পায়।
একদিকে যেখানে সুইডেনে সূর্য উঠে দেরিতে এবং ডুবেও অনেক সময় পর্যন্ত চলে, সেখানে রোজা রাখা এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা হয়ে দাঁড়ায়। গ্রীষ্মকালে রোজা প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে চলে, তবে শীতকালে এটি কিছুটা কম সময় নেয়। সুইডেনের ভূগোলের কারণে এখানে দিন এবং রাতের দৈর্ঘ্য খুব বেশি পরিবর্তিত হয়, তাই মুসলিমরা এই সময়ে তাদের রোজা সময় নির্ধারণে স্থানীয় মসজিদ বা ইসলামিক সেন্টারগুলোর সহায়তা নিয়ে থাকে।
রমজান মাসের একটি বিশেষ দিক হচ্ছে ইফতার। ইফতার সুইডেনের মুসলমানদের জন্য একটি বৃহত্তম সামাজিক এবং ধর্মীয় অভিজ্ঞতা। দিনভর সিয়াম রাখার পর, যখন রোজা ভাঙার সময় আসে, তখন সবাই মিলে একত্রিত হয় এবং একসাথে ইফতার করে। এই সময় সুইডেনের মুসলমানরা সাধারণত খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করেন, যা ইসলামে ঐতিহ্যবাহী রীতি। পরে তারা পানি, রস, ফলমূল, স্যুপ, সালাদ এবং মিষ্টান্ন খেয়ে থাকেন। সুইডেনে রোজা ভাঙার এই সময়টার জন্য বিশেষ কিছু স্থান নির্ধারিত থাকে, যেমন মসজিদ, ইসলামিক সেন্টার এবং স্থানীয় কমিউনিটি সেন্টারগুলো। সেখানে মুসলমানরা একত্রিত হয়ে ইফতার করে এবং একে অপরের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করে।
একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, রোজা রেখে মসজিদে যেতে এবং নামাজ পড়ার প্রচলনও সুইডেনে শক্তিশালী। বিশেষ করে রমজান মাসে, সুইডেনের বিভিন্ন শহরে মসজিদগুলোতে সন্ধ্যায় তারাবি নামাজের আয়োজন করা হয়। এই সময় মসজিদগুলোতে মুসলমানরা একত্রিত হয়ে দীর্ঘ প্রার্থনা পাঠ করে, যা তাদের একত্র হওয়ার অনুভূতি আরও গভীর করে তোলে।
এছাড়া, সুইডেনে মুসলমানদের জন্য হালাল খাবারের ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির বিভিন্ন সুপারমার্কেট, রেস্টুরেন্ট এবং মসজিদগুলোতে হালাল খাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে। সঠিকভাবে হালাল খাবার সনদ প্রদান করা হয় এবং হালাল খাদ্য বাজারে পাওয়া যায় সহজেই। সুইডেনে মুসলিমদের জন্য এই খাদ্য ব্যবস্থা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, যেহেতু এটি তাদের ধর্মীয় বিধি অনুসারে খাবারের নির্বাচন নিশ্চিত করে।
রমজান মাসে শুধু ধর্মীয় কার্যক্রম পালন নয়, সুইডেনের মুসলমানরা সমাজের অসহায়দের সহায়তার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে। তারা ইফতার আয়োজন করে, যা গরিব ও অভাবীদের জন্য খাদ্য সরবরাহ করে। এই মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে, মুসলমানরা নিজেদের ধর্মীয় ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করে এবং সমাজে সহানুভূতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে।
এভাবে, সুইডেনের মুসলিম সম্প্রদায় রমজান মাসে তাদের ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক জীবনকে এক অনন্য সৌন্দর্য ও ঐক্যের সাথে এগিয়ে নিয়ে যায়। রোজা, সেহরি, ইফতার, নামাজ এবং যাকাতÑ এ সব মিলিয়ে সুইডেনের মুসলমানদের জন্য রমজান মাস শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় আচার-বিচার নয়, বরং এটি এক ঐক্যের উপলক্ষ এবং মানবিকতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে ওঠে।
রমজান শুধু রোজা রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি, সংযম, দানশীলতা এবং মানবিকতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। সুইডেনে বসবাসরত মুসলিমরা এই শিক্ষাকে তাদের দৈনন্দিন জীবনে ধারণ করেন এবং এর মাধ্যমে বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। বিশেষ করে, দান-সদকা ও মানবসেবার দিকটি রমজান মাসে আরও বেশি প্রকট হয়ে ওঠে।
সুইডেনের মুসলিমরা রমজানে দরিদ্রদের জন্য জাকাত ও ফিতরা দেন। এই মাসে বিভিন্ন ইসলামিক সংগঠন, মসজিদ এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করে। অনেক স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন ইফতার বিতরণ করে অভাবী মানুষদের মাঝে, শুধু মুসলমানদের জন্যই নয়, বরং যেকোনো দরিদ্র ও অভাবগ্রস্ত মানুষের জন্য। সুইডেনের মতো একটি কল্যাণরাষ্ট্রে এটি হয়তো অতটা জরুরি মনে নাও হতে পারে, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছেÑ প্রত্যেক সমাজেই কিছু মানুষ থাকে যারা দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করে বা যাদের অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন হয়। এই প্রয়াস শুধু দান করা নয়, বরং পারস্পরিক সহযোগিতা ও মানবতার বন্ধন দৃঢ় করারও এক উপায়।
রমজানে সুইডেনে ধর্মীয় সহিষ্ণুতার এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে। বিভিন্ন শহরের স্থানীয় বাসিন্দারা, মুসলিম নন এমন ব্যক্তিরাও, ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেন, মুসলিমদের রোজার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং শুভকামনা জানান। সুইডিশ গণমাধ্যমে রমজান উপলক্ষে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যেখানে মুসলমানদের অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস এবং সুইডিশ সমাজে তাদের অবদানের কথা তুলে ধরা হয়।
তবে, সুইডেনে মুসলমানদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো হালাল খাদ্যের সহজলভ্যতা। যেহেতু ইসলাম ধর্মে নির্দিষ্ট বিধি অনুসারে খাবার গ্রহণের নিয়ম রয়েছে, তাই সুইডেনে বসবাসরত মুসলিমদের জন্য হালাল খাবার পাওয়া একসময় বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু অভিবাসী মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুইডেনের বড় শহরগুলোতে হালাল খাদ্যের বাজারও প্রসার লাভ করেছে। স্টকহোম, মালমো, গোটেনবর্গসহ বেশ কিছু শহরে এখন হালাল মাংস বিক্রির দোকান, সুপারমার্কেট এবং রেস্টুরেন্ট রয়েছে, যেখানে নিশ্চিতভাবে ইসলামী বিধান মেনে প্রস্তুতকৃত খাবার পাওয়া যায়।
সুইডিশ খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ হালাল খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণে নজরদারি করে এবং পণ্যগুলোর যথাযথ লেবেলিং নিশ্চিত করে, যাতে মুসলিম সম্প্রদায় সচেতনভাবে খাবার বাছাই করতে পারেন। স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও অফিসের ক্যান্টিনগুলোতেও এখন হালাল খাদ্যের বিকল্প রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। এর ফলে মুসলিম শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের জন্য সুইডেনে জীবনধারা সহজতর হয়েছে।
রমজানের শেষ অংশ সবচেয়ে আনন্দের—ঈদ-উল-ফিতর। এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ আসে খুশির বার্তা নিয়ে। সুইডেনে ঈদের দিন মুসলমানরা ভোরে ঘুম থেকে উঠে নতুন পোশাক পরে মসজিদে যান ঈদের নামাজ আদায় করতে। বড় শহরগুলোর মসজিদে হাজার হাজার মুসল্লির সমাগম হয়। যেসব জায়গায় মসজিদের স্থান সীমিত, সেখানে খোলা মাঠ বা বিশেষ আয়োজন করে ঈদের নামাজের ব্যবস্থা করা হয়। ঈদের দিন আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের বাড়িতে যাওয়া, মিষ্টান্ন খাওয়া এবং শিশুদের উপহার দেওয়ার রীতি সুইডেনেও বজায় আছে। মুসলিমরা শুধু নিজেদের মধ্যে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন না, বরং প্রতিবেশী এবং সহকর্মীদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনেক ক্ষেত্রে, সুইডিশ বন্ধুরাও মুসলমানদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে তাদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করেন, যা সুইডেনের বহুমাত্রিক সংস্কৃতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
সুইডেনে রমজান শুধু ধর্মীয় উপাসনার মাস নয়, বরং এটি পারস্পরিক বোঝাপড়া, সামাজিক সংহতি এবং সহিষ্ণুতার এক প্রতিচ্ছবি। মুসলমানদের জন্য এটি যেমন আত্মশুদ্ধির একটি সময়, তেমনই এটি বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনেরও একটি সুযোগ। সুইডেনের মূলধারার সমাজেও এখন রমজানের প্রভাব দেখা যায়, যা দেশটির বহুসংস্কৃতির সংহতি ও গ্রহণযোগ্যতার পরিচয় বহন করে।
লেখক: সুইডেন প্রবাসী, সাবেক পরিচালক, ফাইজার
Rahman.Mridha@gmail.com
বিভাগ : সম্পাদকীয়
মন্তব্য করুন
আরও পড়ুন

মীরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থী মৃত্যু

ড. ইউনূস-মোদির বৈঠকে ‘আশার আলো’ দেখছেন মির্জা ফখরুল

মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক গ্রেফতার

তারেক রহমানের মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার বার্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা

ড. ইউনূসকে ‘বস’ ডেকে যা বললেন উপদেষ্টা আসিফ

গণপিটুনিতে নিহত খুনে অভিযুক্ত, বাঁচাতে যেয়ে আহত ৬ পুলিশ

চিকেন’স নেক নিয়ে আতঙ্কে ভারত, নিরাপত্তা জোরদার

মরহুম আতাহার হোসেন স্মৃতি আন্তঃব্যাচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা

ড. ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল : মির্জা আব্বাস

জকিগঞ্জে অটোরিকশা চালককে মারধর করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

বিএনপি কারো উপর নির্যাতন করতে চায় না' : শামা ওবায়েদ

ইশার নামাজের সাথে সাথে বিতির নামাজ না পড়া প্রসঙ্গে?

থাইল্যান্ড থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

মানুষ ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করেছে: আবদুল হালিম

মুসল্লিদের বাধায় নাটক মঞ্চায়ন বাতিলের সংবাদ বিভ্রান্তিকর

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

কারো চোখ রাঙানী আর মেনে নেয়া হবে না-সারজিস আলম

মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার কানাডার অধিনায়ক

অবিলম্বে নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে হবে -আমান উল্লাহ আমান

ফটিকছড়িতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, লাইফ সাপোর্টে মা