গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় আরো দুই আসামির ৭ দিনের রিমান্ডে
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ এএম | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ এএম
রাজধানীর গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার আরও দুই আসামিকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রিমান্ডে পাঠানো আসামিরা হলেন- নরসিংদীর একটি মহিসাসুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ (৪১), ও আওয়ামী লীগ সক্রিয় কর্মী মো. রফিক (৪০)। এর আগে, আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. রুহুল আমিন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এই আদেশ দেন। গত মঙ্গলবার ভাটারা থানা থানা এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলশ।
এর আগে, গত শনিবার এই মামলায় ২৪ জনকে রিমান্ডে পাঠায় আদালত। এ ছাড়া রোববার নয়জন এবং সোমবার আরো নয়জনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত। পরে মঙ্গলবার আরও সাতজনকে কারাগারে পাঠান আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, রাজধানীর গুলশান থানাধীন এলাকায় গত ১১ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে ১২ টায় নির্বাচিত সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ করা সহ সরকার বিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলরে লক্ষ্যে কার্যক্রম স্থগিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমবেত হন। তারা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান প্রদান ও বিশৃঙ্খলা করার লক্ষ্যে সমাবেশের আয়োজন করেন। এসময় তারা ঘটনাস্থল ও আশপাশ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরন ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।
অজ্ঞাতনামা আসামিরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য হয়ে নিষিদ্ধ সত্ত্বাকে সমর্থন করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন সহ রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনগনের জানমালের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে তথা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী শ্লোগান প্রদান ও বিশৃঙ্খলা করার লক্ষ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান৷ পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পুলিশের উদ্দেশ্যে ককটেল নিক্ষেপ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়লে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান। এসময় পাঁচটি ককটেল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮০/১০০ জনকে আসামি করা হয়।
বিভাগ : বাংলাদেশ
মন্তব্য করুন
আরও পড়ুন
সরলথ-আলভারেজকে ছাড়াই ডার্বির আগে দুর্দান্ত প্রস্ততি আতলেতিকোর
মতিঝিলে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান
গণতন্ত্র পুনর্গঠনের আশ্বাস
পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলবে : শামা ওবায়েদ
এখনো বহাল চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মসংস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত করতে কাজ করছে সরকার -প্রবাসী কল্যাণ সচিব
জুনায়েদ গুলজার চেয়ারম্যান শামসুল আলম মহাসচিব নির্বাচিত
আদালত অবমাননার অভিযোগে অ্যাডভোকেট তুষার ও হাসানকে তলব
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অডিট আপত্তি শূন্যে নামিয়ে আনার নির্দেশনা ইউজিসির
ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির স্থানীয় সরবরাহে ২৭০ দিনের সীমা নির্ধারণ
৫ দিন পর ক্লোজড ডিসি-ওসি
র্যাবের হাতে গ্রেফতাররা জড়িত নন, আসল দুজন গ্রেফতার : ডিবি
বন্ধুকে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে ৬ টুকরো
সিরাজগঞ্জে ভুয়া ডাক্তার মিঠুর ফের সাজা
বিশ্বনাথে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৩ নেতা গ্রেফতার
শেরপুরে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি
রাজশাহীতে অনুমোদনহীন খাবার পানি উৎপাদনকারীকে জরিমানা
অবশেষে দুই বছর পর কুষ্টিয়া কোর্ট রেল স্টেশনের সংস্কার শুরু সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে উঁচু ও প্রসারিত হচ্ছে প্ল্যাটফর্ম
ফুলপুরে দেড় যুগ পর ছনধরা বিএনপির কর্মী সম্মেলন