ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০

সড়ক দুর্ঘটনা রুখতে হবে

Daily Inqilab মো. আরাফাত রহমান

১২ নভেম্বর ২০২৩, ১২:২০ এএম | আপডেট: ১২ নভেম্বর ২০২৩, ১২:২০ এএম

স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবার পর বাংলাদেশে সড়ক পথের যথেষ্ট উন্নতি সাধিত হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। রিকশা, ভ্যান, সাইকেল, ঠেলাগাড়ি, অটোরিকশা ইত্যাদির সংখ্যা অগণিত। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এগুলো প্রায় ৩০ গুণ বেশি, যা উপলব্ধি করা যায় দেশের বৃহত্তম শহরগুলোতে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বন্যার বেগে ছুটে আসা মানুষ আর যানবাহনের ভিড়ে রাস্তাগুলোতে দীর্ঘ জ্যামের দিকে লক্ষ করলেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব মতে, ২০১৬ সালে সারা পৃথিবীতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ১৩ লাখ মানুষ নিহত হয়, যা খুবই অপ্রত্যাশিত।

যে হারে সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২৫ সাল নাগাদ সড়ক দুর্ঘটনা বর্তমানের তুলনায় ৬০ ভাগ বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার উন্নত বিশ্বের তুলনায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি। এক হিসেবে দেখা গেছে, বাংলাদেশে প্রতিবছরে ৫ হাজারেরও বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় ১ হাজারেরও বেশি লোক প্রাণ হারায় এবং ১০ হাজারেরও বেশি লোক আহত হয়। ২০১৬ সালের বিআরটিএ’র জরিপ মতে, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর ২৩ হাজার ১৬৬ জন মানুষ নিহত হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সারা পৃথিবীতে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় ১ লাখ ৮০ হাজার শিশু মারা যায়। ২০১০ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৯৬ শতাংশ শিশু ছিল অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের। বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় যে ক্ষতি হয় তার আর্থিক পরিমাণ দাঁড়ায় বছরে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা যা জিডিপির দুই ভাগ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব মতে, আন্তর্জাতিকভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ৫২০ বিলিয়ন ডলার। উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশে এর পরিমাণ ৬৫ বিলিয়ন ডলার। সড়ক দুর্ঘটনা পারিবারিক ও সামাজিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। এর ফলে হঠাৎ করে বিপর্যয় নেমে আসে একটি পরিবারে। সেই শোক গোটা পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের বুকে শেলের মতো বিঁধে থাকে সারা জীবন। অনেক সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সমাজ ও দেশ হারায় তার কৃতি সন্তানদের। এ দুর্ঘটনা অনেককে চিরদিনের জন্য পঙ্গু করে দেয়।

আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য এককভাবে কেউ দায়ী নয়। নানাবিধ কারণে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে, যার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো: ১. চালকদের অসাবধানতা, অদক্ষতা ও লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালক। ২. ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন। ৩. রাস্তার স্বল্পতা ও অপ্রশস্ততা। ৪. প্রতিযোগিতা এবং ওভারটেকিং ৫. প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্রাফিক পুলিশের অভাব ও ট্রাফিক নিয়ম ভঙ্গ করা। ৬. যানবাহনে ব্যবহৃত তেলে ভেজাল। ৭. রাস্তার মধ্যে প্রয়োজনীয় ডিভাইডার না থাকা। ৮. ওভারব্রিজের স্বল্পতা ও অসাবধানে রাস্তা পারাপার বা রাস্তা পারাপারের নিয়ম না জানা। ৯. রিক্সা ও ভ্যানের সংখ্যাধিক্য। ১০. সড়কের ওপর অবৈধ হাটবাজার ও স্থাপনা। ১১. ট্রাফিক আইন সম্পর্কে অজ্ঞ ও ক্ষেত্রবিশেষে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে অদক্ষ রিকশাচালকদের রিকশা ও ভ্যান চালনা। ১২. ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা স্বল্পতা ও দায়িত্বহীনতা। ১৩. বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা না করে যখন-তখন যেখানে-সেখানে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি। ১৪. অতিরিক্ত মাল ও যাত্রী বোঝাই, পথ-সভা, হরতাল প্রভৃতি কারণে যানজট সৃষ্টির ফলে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়া এবং ১৫. সড়ক পরিবহনের সাথে সম্পৃক্ত এক ধরনের কর্মচারীদের দুর্নীতি। এছাড়াও সড়ক দুর্ঘটনার জন্যে ছোটখাট আরও নানাবিধ কারণ রয়েছে।

বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার যেসব চিত্র পাওয়া যায় তা সত্যিই দুঃখজনক। দেশের কোথাও না কোথাও সড়ক দুর্ঘটনা মুর্হূতের মধ্যে ছিনিয়ে নিচ্ছে মানুষের অমূল্য জীবন, ভেঙে দিচ্ছে অসংখ্য সাজানো সংসার। স্বজন হারা মানুষের আহাজারি, পিতৃহারা সন্তানের আকুতি ‘আর যেন কোন সন্তানকে এতিম হতে না হয়।’ কোথাও বাসের সাথে বাস, কোথাও বাসে-ট্রাকে, কোথাও টেম্পু-বাসে ঘটে এ দুর্ঘটনা। আবার কোথাও রিকশা বা নিরীহ পথচারীকে চাপা দেয় দ্রুতগামী বাস বা ট্রাক, কেড়ে নেয় অমূল্য মানবজীবন।

ঢাকা বিশ্বের অন্যতম জনবহুল মেগাসিটি। প্রায় আড়াই কোটি লোকের তুলনায় এখানে রাস্তা বা যানবাহন কোনটাই যথেষ্ট নয়। আর যেগুলো আছে সেগুলোর বেশিরভাগই জরাজীর্ণ। ফলে বাড়ছে দুর্ঘটনার পাশাপশি মৃত্যুর সংখ্যা। তুলনামূলকভাবে ঢাকার চেয়ে ঢাকার বাইরে দুর্ঘটনার হার কিছুটা কম। দূরপাল্লার বাস, ট্রাকই মূলত এক্ষেত্রে দুর্ঘটনার শিকার হয়। অনেক সময় ফেরিতে উঠতে গিয়ে অথবা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গাছে ধাক্কা খেয়ে, অথবা প্রতিযোগিতামূলকভাবে কোনো গাড়িকে ওভারটেক করতে গিয়ে সংঘটিত দুর্ঘটনা অকালে বিধবার সাজে সাজাচ্ছে কাউকে, কাউকে বা করছে এতিম, সহায় সম্বলহীন।

সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে না। এর ফলে অকালে মা হচ্ছেন সন্তান হারা, স্ত্রী হচ্ছে স্বামী হারা আর সন্তান হচ্ছে পিতৃহারা। ২০১৮ সালে ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর গণআন্দোলনে নামে দেশের প্রায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা। তারা নিজের হাতে ট্রাফিক কন্ট্রোল করে দেশের আইন যে অন্ধত্বের ভূমিকা পালন করছে তা হাতেনাতে দেখিয়ে দিয়েছে। তাই আমাদেরকে আজ ভাবতে হচ্ছে এর প্রতিকার ব্যবস্থা নিয়ে।

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিকারের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে: ১. সাবধানে গাড়ি চালনার জন্য চালকগণকে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি মহাসড়কে অবৈধ রিকশার অনুপ্রবেশ রোধ। ২. অনির্ধারিত স্থানে গাড়ি পার্কিং বন্ধ। ৩. লাইসেন্স প্রদানের পূর্বে চালকের দক্ষতা ও যোগ্যতা ভালভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে। লাইসেন্সবিহীন কেউ যেন গাড়ি চালাতে না পারে সেদিকে লক্ষ রাখাও আবশ্যক। ৪. গাড়ি রাস্তায় বের করার পূর্বে এর যান্ত্রিক কার্যকারিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারলে দুর্ঘটনা অনেকাংশেই হ্রাস পাবে। ৫. সড়ক দুর্ঘটনার শাস্তির মেয়াদ আরও বাড়ানো দরকার। ৬. মোটর যান অধ্যাদেশে যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ এবং শাস্তির বিধান উল্লেখ করা হয়েছে তা বাড়ানো দরকার। ৭. কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারী প্রচলিত পদ্ধতিতে লাইসেন্স প্রদানে প্রতিবন্ধকতা ও লাইসেন্সের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কম দামে জাল লাইসেন্স তৈরি ও বিক্রি করে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা কাগজপত্রের প্রমাণের অভাবে প্রতিকার করা দুরূহ। এ ধরনের জাল সার্টিফিকেট দেয়া বন্ধ করা জরুরি।

৮. পুলিশ ও বিআরটি’র কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে। ৯. বীমা আইনের আওতায় বীমার টাকা তোলার বিষয়টি আরও সহজ করা দরকার। ১০. হাইওয়েতে মানুষ বা কোনো প্রাণী চালিত বাহন চলাচল বন্ধ করে তাদের জন্য বিকল্প রাস্তা তৈরি করা দরকার। ১১. রাস্তায় পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ১২. ফুটপাত হকারদের দখলমুক্ত করে পথচারী চলাচলের উপযোগী করে তোলার বিষয়গুলো মাথায় রেখে গোটা ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও উন্নয়ন ঘটানো অপরিহার্য। অন্যথায় সড়ক দুর্ঘটনা দিনের পর দিন আরও বাড়তে থাকবে, যা দেশ ও জাতির জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি পথচারীকেও ট্রাফিকের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। ১৩. গাড়ির প্রতিটি চালক ও যাত্রীদের স্মরণ রাখতে হবে, সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। তাই সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি প্রয়োজন কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে অতিরিক্ত মাল ও যাত্রীবহন বন্ধ করা। ১৪. প্রয়োজনে সব রাস্তায় সিসি ক্যামেরা বসাতে হবে।

বর্তমান সমাজে ঘর থেকে বের হলেই প্রত্যেক মানুষকে সড়ক দুর্ঘটনা নামক আতঙ্ক তাড়া করে বেড়ায়। প্রতিদিন দেশের কোনো না কোনো অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেই থাকে, যার ক্ষয়ক্ষতি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয়। জনসচেতনতা এবং প্রয়োজনীয় সরকারি-বেসরকারি পদক্ষেপই এই মহামারিকে রুখে দিতে পারে। প্রতিটি প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ ভোগ করতে হবে। কিন্তু নিশ্চয়ই দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আমরা কেউ মরতে চাই না। তাই সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি যতই জটিল সমস্যা হোক না কেন, সকলের সামগ্রিক চেষ্টা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে এ থেকে রক্ষা পাওয়া তেমন কোনো কঠিন কাজ নয়।

লেখক: সহকারী কর্মকর্তা, ক্যারিয়ার এন্ড প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস বিভাগ, সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়।


বিভাগ : সম্পাদকীয়


মন্তব্য করুন

HTML Comment Box is loading comments...

এই বিভাগের আরও

সড়কের মাঝে বৈদ্যুতিক খুঁটি
ভেজাল রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে
খতনাও কি বিদেশে করতে হবে?
বিদ্যুৎ-গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করুন
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি কতটা যৌক্তিক
আরও

আরও পড়ুন

পাটপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে : মন্ত্রী

পাটপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে : মন্ত্রী

ধারামশালা টেস্টেও নেই রাহুল, ফিরলেন বুমরাহ

ধারামশালা টেস্টেও নেই রাহুল, ফিরলেন বুমরাহ

১২ মামলায় বিএনপির ইশরাকের আগাম জামিন

১২ মামলায় বিএনপির ইশরাকের আগাম জামিন

ইসরাইলে যুদ্ধবিরতি জন্য চাপ বাড়ছে

ইসরাইলে যুদ্ধবিরতি জন্য চাপ বাড়ছে

৬৬ আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন পেছালো

৬৬ আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন পেছালো

সউদির রাডারে সালাহ, ডি ব্রুইনার মতো তারকারা

সউদির রাডারে সালাহ, ডি ব্রুইনার মতো তারকারা

সালথায় ডাকাত দলের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

সালথায় ডাকাত দলের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে রাবিতে অনশন

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে রাবিতে অনশন

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি হবে আজ : নসরুল হামিদ

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি হবে আজ : নসরুল হামিদ

বাংলাদেশেও মুক্তি পাচ্ছে ‘ডিউন : পার্ট টু’

বাংলাদেশেও মুক্তি পাচ্ছে ‘ডিউন : পার্ট টু’

বিএনপির ঢাকা জেলা সভাপতি আশফাকসহ ৬০ নেতাকর্মীর জামিন

বিএনপির ঢাকা জেলা সভাপতি আশফাকসহ ৬০ নেতাকর্মীর জামিন

যখনই যেটার দরকার পুলিশকে সেই ভূমিকা পালন করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

যখনই যেটার দরকার পুলিশকে সেই ভূমিকা পালন করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

দাফনের ৬ মাস পর কবর থেকে তোলা হলো আ.লীগ নেতার লাশ

দাফনের ৬ মাস পর কবর থেকে তোলা হলো আ.লীগ নেতার লাশ

ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ

ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ

১ মার্চ কার্যকর হবে সয়াবিন তেলের নতুন দাম : বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

১ মার্চ কার্যকর হবে সয়াবিন তেলের নতুন দাম : বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

মা-বাবা হচ্ছেন দীপিকা-রণবীর, গুঞ্জন হচ্ছে সত্যি

মা-বাবা হচ্ছেন দীপিকা-রণবীর, গুঞ্জন হচ্ছে সত্যি

গ্রিনের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়ার দিন পার

গ্রিনের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়ার দিন পার

জয়পুরহাটে অস্ত্র ও মাদকসহ ০৭ মামলার কুখ্যাত সন্ত্রাসী তসলিম কে আটক করেছে র‌্যাব

জয়পুরহাটে অস্ত্র ও মাদকসহ ০৭ মামলার কুখ্যাত সন্ত্রাসী তসলিম কে আটক করেছে র‌্যাব

সিরাজদিখানে শিক্ষার্থীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা সাময়িক বরখাস্ত

সিরাজদিখানে শিক্ষার্থীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা সাময়িক বরখাস্ত

জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন

জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন