ভোটের মাধ্যমে পাক জনগণ রুখে দাঁড়িয়েছে সেনাবাহিনীর কায়েমী স্বার্থবাদীদের ষড়যন্ত্রকে

Daily Inqilab মোবায়েদুর রহমান

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০৬ এএম | আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০৬ এএম

গত মঙ্গলবারের কলামে আমি বলেছিলাম যে, কিস্তিবন্দিতে পাকিস্তানের ওপর এই লেখা তৃতীয় কিস্তিতেই শেষ হলো। সেদিন কি আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে, ভবিষ্যতের খবরের ঝুলিতে আরো এমন কিছু চমক এবং চাঞ্চল্যকর তথ্য আছে, যা আমাকে আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সেই একই পাকিস্তানের ওপর আরেকটি কলাম লিখতে বাধ্য করবে? বাস্তবে তাই হলো। আমি সেদিন বলেছিলাম যে, ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কী পরিস্থিতিতে নির্বাচন হলো সেটি আপনারা সকলেই জানেন। ইমরান খান এবং তার পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (পিটিআই) রাজনীতি এবং ইলেকশনের বাইরে রাখার জন্য পাকিস্তানের সেনাবাহিনী, বেসামরিক আমলাতন্ত্র, কায়েমী স্বার্থবাদী মহল এবং আমেরিকা হেন চেষ্টা নাই যা তারা করেনি। প্রথমে তো ইলেকশনই তিন মাস পিছিয়ে দেওয়া হলো। যে নির্বাচন নভেম্বরে হওয়ার কথা সেটি করা হলো ফেব্রুয়ারি মাসে। এরপর ইমরান এবং তার দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ ১৬ হাজার নেতা ও কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর মামলার পর মামলা। ইমরানের বিরুদ্ধে অন্তত ২০০টি মামলা করা হলো। কোনোরূপ যুক্তিতর্ক ছাড়াই অত্যন্ত অন্যায়ভাবে পিটিআইয়ের নির্বাচনী প্রতীক ক্রিকেট ব্যাট কেড়ে নেওয়া হয়। ইলেকশনের ঠিক ৮ দিন আগে মাত্র ৭ দিনের ব্যবধানে ইমরানকে ৩৪ বছরের সাজা দেওয়া হয়। সমস্ত প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে ইমরানের ছবি দেখানো বা ছাপানো এবং পিটিআইয়ের সমস্ত খবর প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়। কোথাও পিটিআইকে সভা সমাবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

এসবই করা হয়েছে সেনাবাহিনীর নির্দেশে। দেশে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলেও সমস্ত নির্দেশ আসতো সেনা সদর থেকে। কিন্তু তারপরেও দমে যাননি ইমরান খান। পাকিস্তানের পার্লামেন্ট অর্থাৎ জাতীয় পরিষদের ২৬৬টি আসনের প্রত্যেকটিতেই পিটিআই প্রার্থী দেয়। তবে যেহেতু দলটির প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাই এই ২৬৬ জন প্রার্থীই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধ্য হন। অনেক প্রার্থীর মাথার ওপর ঝুলছিল হুলিয়া। তারা আত্মগোপনে থেকেই কন্টেস্ট করেন। যারা ইলেকশনের ক্যানভাস করেন তারা প্রচারণার সময় তাদের ‘কাপ্তান’ ইমরান বা পিটিআইয়ের নাম পর্যন্ত নিতে পারেননি। এগুলো তো সব ছিল নেগেটিভ পয়েন্ট। কিন্তু ইমরানের জন্য সবচেয়ে পজিটিভ বা ইতিবাচক যে পয়েন্ট রয়েছে সেটি হলো জনগোষ্ঠির মধ্যেকার তরুণ সমাজ। এই তরুণ সমাজ এখন ভোটারদের মধ্যেও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। এই তরুণরা আধুনিক শিক্ষা বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তিতে শিক্ষিত এবং দক্ষ। এরা পিটিআইয়ের পক্ষে ইন্টারনেটে অর্থাৎ ইমেইল, এক্স হ্যান্ডেল (টুইটার) এবং ফেসবুকে পিটিআইয়ের পক্ষে তাদের সীমিত সাধ্য অনুযায়ী অবিরাম প্রচার করে গেছে।

এই বিষয়টি সেনাবাহিনী এবং তাদের পুতুল নওয়াজ শরীফপন্থী মুসলিম লীগ ধরে ফেলে। তাই তারা ইলেকশনের দিন ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে দেয়। দেশ এবং বিদেশের আগ্রহী এবং শিক্ষিত সমাজ ধরেই নিয়েছিল যে পৃথিবীর সপ্তম বৃহত্তম সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ইমরানের দল খালি হাতে কিছুই করতে পারবে না। এর আগে আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া খান, জিয়াউল হক, পারভেজ মোশাররফের সামরিক জান্তা প্রত্যেকে ৯ থেকে ১০ বছর শাসন করে গেছেন। একমাত্র ইয়াহিয়া খান মাত্র ২ বছর সেনা শাসন জারি রেখেছিলেন। তার মধ্যেও ১ বছর গেছে নির্বাচনে এলএফও (লিগ্যাল ফ্রেম ওয়ার্ক অর্ডার) রচনা এবং পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে। ইয়াহিয়া খান ছাড়া আর যেসব সামরিক শাসকের চোখের বালি হয়েছিলেন পলিটিশিয়ানরা তাদের কাউকে কাউকে শারীরিকভাবে নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে (যেমন জুলফিকার আলী ভুট্টো) আর অন্যদেরকে রাজনীতি থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।

॥দুই॥
কিন্তু ইমরান খান ভিন্ন ধাতুতে গড়া এক মানুষ। তিনি মিলিটারির রক্তচক্ষুকে ভয় পাননি। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যার নেতৃত্বে পাকিস্তান ক্রিকেটে বিশ^কাপ জয় করেছিল। সেই একই ব্যক্তির নেতৃত্বে অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রিত্বে পাকিস্তান শাসিত হয়েছে ৪ বছর। তাকে যখন ষড়যন্ত্র করে প্রথমে পদচ্যুত করা হয় এবং পরে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যখন পিটিআইকে সামরিক বাহিনী নিশ্চিহ্ন করার অভিযান চালায়, তখনও অকুতোভয় ক্যাপ্টেন ইমরান কারাগারে থেকেও ঘোষণা করেন যে, তিনি শেষ বল পর্যন্ত খেলবেন। বিগত ৮ ফেব্রুয়ারি তিনি সেই খেলা খেলেছেন। এই খেলাতেও বিশ^কাপ বিজয়ের মতো তিনি একাধিক শক্তিশালী মহলকে কোণঠাসা করে একক বিজয়ী হিসেবে তার দলকে উন্নীত করেছেন। একথা সকলেই জানেন যে, ভোটের দিন ইন্টারনেট, এক্স, ফেসবুক এবং ইমেইল বন্ধ করা হয়। এর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনের দিন ইমরানের লক্ষ লক্ষ কর্মী ও সমর্থক যেন পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে না পারে।

এমন একটি শ^াসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের স্থানীয় সময় অনুযায়ী বিকাল ৫টার মধ্যে ভোট প্রদান সমাপ্ত হয়। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) ঘোষণা করে যে, ৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১টার মধ্যে সমগ্র পাকিস্তানের ২৬৬টি জাতীয় পরিষদ আসন এবং ৪টি প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করা হবে। যথারীতি ভোট প্রদান সমাপ্ত হওয়ার কিছুক্ষণ পর ভোট গণনা শুরু হয়। প্রথম কয়েকটি কেন্দ্রে গণনায় পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীরা এগিয়ে থাকলে অকস্মাৎ ভোট গণনা বন্ধ করা হয়। তারপর ধীর গতিতে নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ করা শুরু হয়। ৮ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকে ইন্টারনেট এবং মোবাইল অপারেটর সার্ভিস বন্ধ করলেও পরের দিন বিকাল পর্যন্ত সেই সার্ভিস সম্পূর্ণ চালু করা হয়নি। ইলেকশন শেষ হওয়ার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়, অর্থাৎ মোট ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত জাতীয় পরিষদের অর্ধেক আসন অর্থাৎ ১৩৩টি আসনের ফলাফলও ঘোষণা করা হয়নি। অজুহাত হিসেবে বলা হয় যে ইন্টারনেট ও মোবাইল সার্ভিস পুনরায় চালু করা একটি কঠিন ব্যাপার। তাই ফল প্রকাশে এই দেরি হচ্ছে। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যে আংশিক ফল প্রকাশিত হয় সেখানেও দেখা যায় যে পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীরা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নওয়াজ শরীফের মুসলিম লীগ এবং বিলওয়াল ভুট্টোর দলের চেয়ে এগিয়ে আছেন।

এই ফলাফল দেখে অবশিষ্ট নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশে শুধু ধীর গতি নয়, একেবারে মন্থর গতি তথা শম্বুকের (শামুক) গতিতে চলতে থাকে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকাল পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। অর্থাৎ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেও ২৬৫টি (একটি আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়েছে) আসনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। এর ফলে সারাদেশের মানুষ যারা রাত জেগে ফলাফল জানার জন্য টেলিভিশনের সামনে বসেছিল, তারা অস্থির হয়ে পড়ে এবং রাজপথে নেমে আসে। এদিকে তুর্কি টেলিভিশন কেন্দ্র, যুক্তরাজ্যের স্কাই টেলিভিশন এবং আল-জাজিরায় এই মর্মে খবর প্রচারিত হয় যে, পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীগণ ১৫৬টিরও বেশি আসন পেয়েছেন। উল্লেখ্য, কেন্দ্রে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৩৪টি আসন। পিটিআইয়ের অস্থায়ী চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গওহর আইয়ুব দাবি করেন যে, তারা ১৭০টি আসন পেয়েছেন।

॥তিন॥
সবচেয়ে হাস্যকর এবং চরম ষড়যন্ত্রমূলক বিষয় হলো এই যে, যখন ৫০টিরও বেশি আসনের ফলাফল ঘোষণা করা বাকি রয়েছে তখন নওয়াজ শরীফ ঘোষণা করেন যে, তারা জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, তার দল একটি বিজয় উৎসবেরও আয়োজন করে। ঐ সমাবেশে যখন নওয়াজ বক্তৃতা করেন তখন তার বামে এবং ডানে ছিলেন যথাক্রমে ছোট ভাই শাহবাজ শরীফ এবং কন্যা মরিয়ম নওয়াজ। তখনও যে ফলাফল পাওয়া গিয়েছিল সেখানে নওয়াজ শরীফের দল পিটিআইয়ের চেয়ে অন্তত ২৮টি আসনে পিছিয়ে ছিল। পরিষ্কার বোঝা যায় যে, নওয়াজকে প্রধানমন্ত্রী এবং তার দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য সামরিক চক্র তড়িঘড়ি করে তাকে দেশে আনে এবং বিদ্যুৎ গতিতে তার ১০ বছরের কারাদণ্ড উঠিয়ে নেয়। যখন তারা ফলাফল গণনায় দেখতে পায় যে তাদের ক্রীড়নক নওয়াজ এবং তার দল পিটিআইয়ের চেয়েও পেছনে আছে তখনই শুরু হয় ভোট চুরি তথা ভোট ডাকাতির মহা ষড়যন্ত্র। ঐদিকে পিটিআইও এই ষড়যন্ত্র ধরতে পারে এবং এই মর্মে আল্টিমেটাম দেয় যে ১১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১২টার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ না করলে পিটিআই দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু করবে।

॥চার॥
১১ ফেব্রুয়ারি ছিল একটি ঘটনাবহুল দিন। পিটিআইয়ের হুমকির মুখে বেলা ১টার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশিত হয়। এই ফলাফলে দেখা যায় যে, পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীরা পেয়েছেন ১০২টি আসন। নওয়াজের দল পেয়েছে ৭৫টি আসন। আর বিলওয়ালের দল পেয়েছে ৫৪টি আসন। করাচিভিত্তিক বিহারীদের দল এমকিউএম পেয়েছে ১৭টি আসন। মওলানা ফজলুর রহমানের দল পেয়েছ ৩টি আসন।

এই ফলাফল নওয়াজ শরীফ এবং বিলওয়াল ভুট্টো ছাড়া আর কারো কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। মওলানা ফজলুর রহমান বলেছেন যে, ফলাফল ঘোষণায় ঐতিহাসিক কারচুপি করা হয়েছে। পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামী প্রধান নির্বাচনী কমিশনারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে বলেছেন। আমেরিকা, ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া বলেছে যে, এই নির্বাচন চরম বিতর্কিত। অবিলম্বে তারা নির্বাচন কমিশনের ভোট ডাকাতির নিরপেক্ষ তদন্ত অনুষ্ঠানের দাবি করেছে। আমেরিকার ডেমোক্র্যাটিক এবং রিপাবলিকান উভয় দলের বেশ কয়েকজন সিনেটর এবং কংগ্রেসম্যান পাকিস্তানের এই ভোট ডাকাতির নির্বাচনকে স্বীকৃতি না দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্থনি ব্লিংকেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে এই নির্বাচনী ফলাফলের একটি অংশ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। জাতীয় পরিষদের ২০টি আসন এবং পাঞ্জাব পরিষদের ততোধিক আসনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করা হয়েছে।

ওইদিকে নওয়াজ শরীফ পিপিপি, এমকিউএম প্রভৃতি দলের সাথে কোয়ালিশন সরকার গঠনের জন্য আলাপ আলোচনা শুরু করেছেন। পক্ষান্তরে এককভাবে সংখ্যাগরষ্ঠি পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও সরকার গঠনের জন্য পিপিপি এবং নওয়াজের দল ছাড়া অন্যদের সাথে আলাপ আলোচনা শুরু করেছেন। বিবিসি এবং আল-জাজিরা ১১ ফেব্রুয়ারি খবর দিয়েছে যে, পিপিপি মুসলিম লীগের সাথে কোয়ালিশন করতে রাজি। তবে সেক্ষেত্রে বিলওয়ালকে প্রধানমন্ত্রী করতে হবে।

৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পাকিস্তানকে ৭৬ বছরের অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার একটি সুযোগ দিয়েছিল। পাকিস্তানের ২৪ কোটি জনগণের মধ্যে অন্তত ১৮ কোটি মানুষ দেশের রাজনীতি থেকে সামরিক বাহিনীকে সরে যাওয়ার রায় দিয়েছে। এখন পর্যন্ত রাজনীতিতে নাক গলানো থেকে বিরত থাকার কোনো আলামত সামরিক বাহিনী দেখায়নি। উপরন্তু বিজ্ঞের মতো সেনাপ্রধান জেনারেল অসিম মুনির রাজনীতিবিদদের একটি ঐক্যবদ্ধ সরকার গঠন করে দেশের রাজনীতিতে অসংখ্য ক্ষতে মলম লাগানোর অযাচিত উপদেশ দিয়েছেন।

১২ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুর পর্যন্ত নির্বাচনী রাজনীতির পরিষ্কার চিত্র পাওয়া যায়নি। এই মুহূর্ত পর্যন্ত পাকিস্তান এখনও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির সুড়ঙ্গপথে ঘোরাফেরা করছে। সুড়ঙ্গের ঐ পাড়ে ক্ষীণ আলোর আভাস মনে হয় দেখা যাচ্ছে।
Email: [email protected]


বিভাগ : সম্পাদকীয়


মন্তব্য করুন

HTML Comment Box is loading comments...

এই বিভাগের আরও

এই মৃত্যুর দায় কার?
আলোকদূষণের নানা রকম ক্ষতিকর দিক
ঢাকায় জনচাপ ও রিকশার দাপট কমাতে হবে
হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি
বই হয়ে উঠুক নিত্যসঙ্গী
আরও

আরও পড়ুন

লাক্ষাদ্বীপে কেন দ্বিতীয় সামরিক নৌঘাঁটি তৈরি করছে ভারত?

লাক্ষাদ্বীপে কেন দ্বিতীয় সামরিক নৌঘাঁটি তৈরি করছে ভারত?

কুসিক উপনির্বাচন : সংখ্যালঘু নতুন ও দক্ষিনের ভোটার জয়-পরাজয়ে ফ্যাক্টর

কুসিক উপনির্বাচন : সংখ্যালঘু নতুন ও দক্ষিনের ভোটার জয়-পরাজয়ে ফ্যাক্টর

সিরাজগঞ্জে ‘শিক্ষকের গুলিতে’ মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থী আহত

সিরাজগঞ্জে ‘শিক্ষকের গুলিতে’ মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থী আহত

বাংলাদেশকে কঠিন লক্ষ্য দিল শ্রীলঙ্কা

বাংলাদেশকে কঠিন লক্ষ্য দিল শ্রীলঙ্কা

সুগার মিলের আগুন নিয়ন্ত্রণে নৌবাহিনী

সুগার মিলের আগুন নিয়ন্ত্রণে নৌবাহিনী

টেকসই ভবিষ্যতের লক্ষ্যে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে গুরুত্ব দিচ্ছে গ্রামীণফোন

টেকসই ভবিষ্যতের লক্ষ্যে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে গুরুত্ব দিচ্ছে গ্রামীণফোন

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গন্তব্য আবুধাবীতে ফ্লাইট শুরু করতে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গন্তব্য আবুধাবীতে ফ্লাইট শুরু করতে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা

ওয়ারীর ১৪ রেস্টুরেন্টে অভিযান, আটক ১৬

ওয়ারীর ১৪ রেস্টুরেন্টে অভিযান, আটক ১৬

শিক্ষার্থীদের সঠিক মূল্যায়নের জন্য প্রয়োজন দক্ষ শিক্ষকঃ গবেষণা

শিক্ষার্থীদের সঠিক মূল্যায়নের জন্য প্রয়োজন দক্ষ শিক্ষকঃ গবেষণা

দূষণজনিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনায় স্বাস্থ্য বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে : পরিবেশমন্ত্রী

দূষণজনিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনায় স্বাস্থ্য বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে : পরিবেশমন্ত্রী

কুমিল্লায় দুগ্ধপোষ্য শিশু চুরির অপরাধে এক নারীর দশ বছরের কারাদণ্ড

কুমিল্লায় দুগ্ধপোষ্য শিশু চুরির অপরাধে এক নারীর দশ বছরের কারাদণ্ড

ভি সিরিজের নতুন স্মার্টফোন এনেছে ভিভো

ভি সিরিজের নতুন স্মার্টফোন এনেছে ভিভো

অ্যাপলকে ১৮০ কোটি ইউরো জরিমানা করেছে ইইউ

অ্যাপলকে ১৮০ কোটি ইউরো জরিমানা করেছে ইইউ

গ্রুমিং সচেতনতার জন্য বিয়ার্ডো ও লিভনের স্পেশাল এডিশন ‘স্টাইলিং সল্যুশন’

গ্রুমিং সচেতনতার জন্য বিয়ার্ডো ও লিভনের স্পেশাল এডিশন ‘স্টাইলিং সল্যুশন’

মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং দেশের শান্তি- শৃঙ্খলা রক্ষায় আল্লাহর রহমত কামনা করে মোকামিয়ার দুই দিনব্যাপী মাহফিল সম্পন্ন

মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং দেশের শান্তি- শৃঙ্খলা রক্ষায় আল্লাহর রহমত কামনা করে মোকামিয়ার দুই দিনব্যাপী মাহফিল সম্পন্ন

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭, সাধারণ কেন্দ্রে থাকবে ১৬ জনের ফোর্স

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭, সাধারণ কেন্দ্রে থাকবে ১৬ জনের ফোর্স

হিলি সীমান্ত পরিদর্শনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রতিনিধি দল

হিলি সীমান্ত পরিদর্শনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রতিনিধি দল

আড়াই ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি চিনি মিলের আগুন

আড়াই ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি চিনি মিলের আগুন

স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবেন স্মার্ট ইমামরা-সিকৃবি ভিসি

স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবেন স্মার্ট ইমামরা-সিকৃবি ভিসি

প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর বাড়িতে পুলিশের অভিযান, সমালোচনার মুখে পাকিস্তানের সরকার

প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর বাড়িতে পুলিশের অভিযান, সমালোচনার মুখে পাকিস্তানের সরকার