অতীতের বাংলাদেশ

Daily Inqilab সৈয়দ আলী আহসান

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০৫ এএম | আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:১৪ পিএম

বর্তমান বাংলাদেশ এবং প্রাচীনকালের বঙ্গ ভৌগোলিকভাবে, বিস্ময়কর হলেও, প্রায় একই ছিল। সীমারেখার কিছুটা হেরফের থাকলেও বঙ্গ অঞ্চল বলতে বর্তমান বাংলাদেশের সীমানাকেই মোটামুটি বোঝাত। প্রাচীনকালে ‘বঙ্গ’ শব্দটি জাতিবাচক ছিল, দেশবাচক নয়। ঋগবেদে বঙ্গ জাতির উল্লেখ আছে, যারা আর্যদের যজ্ঞের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেনি। মহাভারতে একজন রাজার কথা আছে, যার নাম ছিল বঙ্। এই বঙ্ রাজাই সম্ভবত বঙ্গভূমির গোড়াপত্তন করেছিলেন। প্রাচীনকালে বঙ্গ এলাকার কোনো সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখা ছিল না। অনবরত যুদ্ধবিগ্রহের ফলে সীমারেখার পরিবর্তন ঘটেছে। কিন্তু মোটামুটি একটি এলাকায় বঙ্গগোত্রের এবং জাতির মানুষ বসবাস করেছে। ক্রমান্বয়ে ভাষার নির্দিষ্টকরণ যখন সম্ভবপর হল তখন থেকে ভাষার সাহায্যে বঙ্গ অঞ্চলকে নির্দিষ্টকরণ সহজতর হল। অর্থাৎ যে অঞ্চলের লোক বাংলা ভাষায় কথা বলে তারাই বাঙ্গালী এবং যে এলাকায় তারা বসবাস করে সেটাই বঙ্গ। বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ এ দু’টি অঞ্চলের ভাষা ছিল বাংলা। কিন্তু প্রাচীনকালে বঙ্গসংস্কৃতির উদ্ভব হয়েছিল বর্তমান বাংলাদেশ অঞ্চলে। কিন্তু সে সংস্কৃতি প্রসার লাভ করেছিল বাইরের দিকেও। সে সময়কালে বঙ্গসংস্কৃতি নেপাল, তিব্বত এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রসার লাভ করেছিল।

খৃস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে উত্তর ভারতে অনেকগুলো স্বাধীন রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল। এগুলোর মধ্যে তিনটি প্রধান ছিল মগধ, কোশল এবং বৎস। এই তিনটি ছিল বৃহৎ রাষ্ট্র। ক্ষুদ্র রাষ্ট্র অনেক ছিল, যেমন : কুরু, পাঞ্চাল, সৌরসেন, কাশী, মিথিলা, অঙ্গ, কলিঙ্গ, কম্বোজ ইত্যাদি। জৈন সম্প্রদায়ের ভগবতী সূত্রে (ব্যাখ্যা প্রজ্ঞপ্তি) ষোলটি দেশের নাম আছে। এই ষোলটি দেশের মধ্যে বঙ্গ নামক একটি দেশের উল্লেখ পাওয়া যায়। জৈন শাস্ত্রে অঙ্গ এবং বঙ্গ এই দু’টি দেশকে আর্য প্রভাবান্বিত দু’টি প্রত্যন্ত অঞ্চল বলে গণ্য করা হয়েছে। মহাভারতে বর্ণিত অঙ্গদেশ সম্ভবত বিহারের ভাগলপুর এবং মুঙ্গের অঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠেছিল। চম্পা নদী অঙ্গ এবং মগধের মধ্যকার সীমানা চিহ্নিত করেছিল। অঙ্গ দেশের উত্তরে গঙ্গা নদী প্রবাহিত হত। গঙ্গার পশ্চিম তীরে অঙ্গের রাজধানী চম্পা অবস্থিত ছিল। চম্পার পূর্ব নাম ছিল মালিনী। চম্পা ছিল মিথিলা থেকে ষাট যোজন দূরে। বৌদ্ধ ধর্মশাস্ত্র দীর্ঘ নিকায়-এ চম্পাকে ভারতের ছ’টি প্রধান নগরের একটি বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখান থেকে বাণিজ্য ব্যপদেশে ব্যবসায়ীরা সুবর্ণভূমিতে যেত। ভৌগোলিকভাবে বিবেচনা করলে বলা যায় যে, পূর্বকালে যে অঞ্চলে বঙ্গ জাতির বসতি ছিল সে অঞ্চলের ডানে উত্তরে পার্বত্য এলাকায় ছিল প্রাগ জ্যোতিষ, শীর্ষে ছিল অঙ্গ এবং তার উপরে ছিল প-, সমতট ছিল বর্তমান সুন্দরবন এলাকা। তবে যে রকমই হোক সুস্পষ্টভাবে আমরা বঙ্গভূমিকে প্রাচীনকালে বর্তমানের মত করে পাই না। তবে বর্তমানের মত করে না পেলেও বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন এলাকা হিসাবে পাই ।

সমুদ্রতীরবর্তী বলে এবং বহুবিধ নদীবিধৌত বলে বঙ্গভূমি চিরকাল উর্বরা ছিল। কৃষি ছিল এখানকার মানুষের প্রধান উপজীবিকা। উৎপাদিত শস্যের প্রাচুর্য প্রাচীনকালেও এ অঞ্চলকে পৃথিবীর কাছে পরিচিত করেছিল। প্রাচীন গ্রীক গ্রন্থে গঙ্গা নদীর উল্লেখ আছে। সুস্পষ্টভাবে ইতিহাসের রেখাংকন না থাকলেও বঙ্গভূমি সভ্য জগতের সঙ্গে বহু প্রাচীনকালেই গ্রথিত ছিল।

মহাস্থানের পু-্র নগরে প্রাপ্ত একটি শিলালিখনে বঙ্গ সভ্যতার কিছু পরিচয়লিপি পাওয়া যায়। শিলালিপিটি খৃস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের। মহাস্থান বাংলাদেশের বগুড়া জেলায় অবস্থিত। আর্য সভ্যতার সীমারেখার বাইরে একটি সুসমৃদ্ধ নাগরিক প্রশাসন প্রাচীন বঙ্গ এলাকায় ছিল, শিলালিখনে তা প্রমাণিত হয়। শিলালিখনটিতে একটি দুর্ভিক্ষের বিবরণ আছে। সরকার পক্ষ থেকে প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণকে দুর্ভিক্ষপীড়িত জনসাধারণের দুর্দশা লাঘবের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এভাবে আমরা দেখতে পাই যে, প্রাচীনকালে সমাজ চেতনা ও জনকল্যাণের কথা এ অঞ্চলের শাসকবৃন্দ চিন্তা করেছিলেন।

বঙ্গভূমির সংস্কৃতি বঙ্গের বাইরে ছড়িয়েছিল, আবার বাইরের সংস্কৃতিও বঙ্গভূমির উপর প্রভাব বিস্তার করেছিল। বগুড়ার মহাস্থানে প্রাপ্ত পোড়ামাটির কাজের যে সমস্ত নিদর্শন আমাদের হাতে এসেছে তাতে দেখি যে, খৃস্টপূর্ব প্রথম এবং দ্বিতীয় শতকে সুঙ্গশিল্প পদ্ধতির প্রভাব এ অঞ্চলে ছিল। ক্রমান্বয়ে বর্তমান বঙ্গভূমির অধিকাংশ অঞ্চল গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ হয়। সম্রাট সমুদ্র গুপ্তের সময় উত্তর ও পশ্চিমবঙ্গ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ হয়। তখন সম্ভবত সমতট এবং পূর্ববঙ্গ করদ রাজ্যে পরিণত হয়। ভারতীয় সভ্যতার পূর্ণ বিকাশ এ অঞ্চলে ঘটে সমুদ্র গুপ্তের পরে দ্বিতীয় চন্দ্র গুপ্তের আমলে। সে সময় চীনা পরিব্রাজক ফাহিয়েন এ অঞ্চলে এসেছিলেন। ফাহিয়েনের বর্ণনায় আমরা জানতে পারি যে, এখানকার জনসাধারণ শান্তিপ্রিয় ছিল এবং স্বাধীনচেতা ছিল। এ সময়কালটি ছিল সংস্কৃত সাহিত্যের একটি গৌরবোজ্জ্বল সময়। সঙ্গীত, নাটক এবং জ্যোতির্বিদ্যা একটি পূর্ণতা লাভ করেছিল। সঙ্গে সঙ্গে ভাস্কর্য এবং চিত্রকলারও পূর্ণ প্রতিষ্ঠা ঘটেছিল। সে সময়কার ভাস্কর্যের মধ্যে শরীর গঠনের সঙ্গে আত্মিক মাধুর্যের একটি সংমিশ্রণ পাওয়া যায়। অর্থাৎ ভাস্কর্যের সাহায্যে শিল্পীরা একটি আদর্শ শরীর নির্মাণে তৎপর ছিলেন।

গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর এসব অঞ্চলে বিশৃংখল অবস্থা দেখা দেয়। কিন্তু শশাঙ্কের উত্থানের ফলে অল্প কিছুকাল এ অঞ্চলে শৃংখলা আবার ফিরে আসে। শশাঙ্ক বৌদ্ধবিরোধী ছিলেন এবং সম্ভবত শশাঙ্কের হাতে বৌদ্ধরা অত্যাচারিতও হয়েছিল। হুয়েন সাঙ্গ-এর মৃত্যুর পর বঙ্গভূমিতে প্রায় একশ’ বছর পর্যন্ত অরাজকতা চলে। অষ্টম শতকের মাঝামাঝি সময়ে জনসাধারণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ অরাজকতা দূর করবার চেষ্টা করা হয়। জনসাধারণ অনুভব করল যে, দেশের একটি সুসংবদ্ধ কেন্দ্রীয় শাসন না থাকলে বিশৃংখলা দূর করা সম্ভব হবে না। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যে সমস্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গোত্র-নেতার আবির্ভাব ঘটেছিল তারা আপন ক্ষমতা খর্ব করে সর্বসম্মতিক্রমে গোপাল নামক একজন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিকে তাদের রাজা নিযুক্ত করে। গোপালের জীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না। কিন্তু ইতিহাসের সাক্ষ্যে আমরা সহজেই এ সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে, গোপাল এ অঞ্চলে শৃংখলা ফিরিয়ে এনেছিলেন এবং একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা ঘটিয়েছিলেন। পাল রাজত্বের প্রথম পুরুষ হিসাবে গোপালের নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। গোপালের নামের শেষাংটুকু তার প্রতিষ্ঠিত সাম্রাজ্যের নাম হিসাবে চিরকাল পরিচিত হয়ে থাকবে। গোপাল থেকেই পাল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশ। গোপাল কোন্ বংশোদ্ভূত ছিলেন তা আমরা জানি না, সম্ভবত তিনি ক্ষত্রিয় ছিলেন। গোপাল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিলেন এবং তিব্বতী গ্রন্থে উল্লেখ আছে যে, তিনি নালন্দা বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
‘রামচরিত’ নামক একটি কাব্যগ্রন্থে গোপালের পরিচয় সূত্রে বলা হয়েছে যে, তিনি ছিলেন বরেন্দী অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের বাসিন্দা। অবশ্য ঐতিহাসিক প্রমাণাদিতে বর্তমানে এটা প্রায় স্বীকৃত যে, গোপালের দেশ ছিল বঙ্গ বা বর্তমান বাংলাদেশ। তারানাথের বর্ণনায় আমরা গোপালকে পু-্রবর্ধনের অধিবাসী বলে জানি। তারানাথ গোপালকে ক্ষত্রিয় বলেছেন। গোপালের পুত্র ধর্মপাল ছিলেন পাল বংশের সর্বপ্রধান নরপতি। গোপালের রাজ্যকাল ছিল ৭৫০ থেকে ৭৭০ খৃস্টাব্দ। গোপালের পুত্র ধর্মপাল রাজত্ব করেন ৭৭০ থেকে ৮১০ খৃস্টাব্দ পর্যন্ত। সে সময় দু’টি শক্তি পাল রাজবংশের বিরুদ্ধে উদ্যত ছিল। তাদের একটি হচ্ছে প্রতিহার, অন্যটি হচ্ছে রাষ্ট্রকূট। উভয় শক্তি শস্য-সম্পদে সমৃদ্ধ বঙ্গভূমির দিকে দৃষ্টি রেখেছিল। প্রতিহার শক্তি ছিল রাজপুতানার এবং রাষ্ট্রকূট শক্তি ছিল দাক্ষিণাত্যের। প্রতিহারদের সঙ্গে যুদ্ধে ধর্মপাল পরাজিত হয়েছিলেন। প্রতিহারগণ আবার রাষ্ট্রকূটদের হাতে পরাজিত হয়। রাষ্ট্রকূটদের হাতেও ধর্মপাল প্রথমে পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধর্মপাল শক্তি সঞ্চয় করে পশ্চিমের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। ধর্মপালের সাম্রাজ্য বিস্তৃত হতে থাকে। বঙ্গ এবং বিহার সম্পূর্ণভাবে তাঁর করতলগত ছিল। কনৌজের উপরও তিনি অধিকার বিস্তার করেছিলেন। রাজপুতানা, মালওয়া, বেরার এবং পাঞ্জাব তাঁর আয়ত্তে এসেছিল। নেপালও ধর্মপালের করদ রাজ্যে পরিণত হয়েছিল। ধর্মপাল কেদার এবং গোকর্ন পর্যন্ত তাঁর প্রভাব বিস্তার করেন। গোকর্ন সম্ভবত বোম্বাই প্রদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত। সুস্পষ্টভাবে একথা বলা যায় যে, তৎকালীন ভারতবর্ষে সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী নৃপতি হিসাবে ধর্মপাল নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিলেন। অবশ্য ধর্মপালের রাজ্যকাল যে নিশ্চিন্ত শান্তির ছিল তা বলা যায় না। কেননা মধ্যে মধ্যে কোনো কোনো প্রতিবেশী নৃপতি বিদ্রোহ করেছেন এবং ধর্মপালের প্রতিপক্ষ হিসাবে দ-ায়মান হয়েছেন। এক সময় বৎসরাজের পুত্র দ্বিতীয় নাগভট্ট চক্রায়ূধকে পরাজিত করে কনৌজ দখল করেন। চক্রায়ূধ ছিলেন ধর্মপালের আশ্রিত নৃপতি। তবে যা-ই হোক একথা সত্য যে, ধর্মপাল একজন শক্তিশালী নৃপতি ছিলেন। এক সময় যখন বঙ্গভূমি দুর্দশাগ্রস্ত হয়েছিল সে সময় তিনি অমিতবিক্রমে বঙ্গভূমিতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন এবং তাঁর গৌরব বৃদ্ধি করেছিলেন। সর্বভারতের পটভূমিতে যে বঙ্গভূমির অস্তিত্বই প্রায় ছিল না তাকে তিনি একটি প্রধান শক্তির মর্যাদা দান করলেন। এতদাঞ্চলে অভ্যন্তরীণ যে বিরোধ ছিল এবং বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে যে যুদ্ধ্যমানতা ছিল ধর্মপালের চেষ্টায় তা বন্ধ হয় এবং পাল সাম্রাজ্য একটি শক্তিশালী শাসনতান্ত্রিক কাঠামোতে গড়ে উঠতে থাকে। শশাঙ্ক এক সময় একটি বৃহৎ গৌড় সাম্রাজ্যের স্বপ্ন দেখেছিলেন। সে স্বপ্ন পূর্ণ হয়েছিল ধর্মপালের রাজত্বকালে। ধর্মপাল যে সমস্ত উপাধি গ্রহণ করেন সে সমস্ত উপাধির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, তিনি শক্তির শীর্ষে আরোহণ করেছিলেন। তাঁর উপাধি ছিল পরমেশ্বর, পরম ভট্টারক এবং মহারাজাধিরাজ। (সংকলিত)


বিভাগ : বিশেষ সংখ্যা


মন্তব্য করুন

HTML Comment Box is loading comments...

আরও পড়ুন

গোল উৎসবে ফের শীর্ষে সিটি,আরও জমজমাট লীগ শিরোপার লড়াই

গোল উৎসবে ফের শীর্ষে সিটি,আরও জমজমাট লীগ শিরোপার লড়াই

'১৮৫৭ সালে সুবেদার রজব আলী চট্টগ্রাম প্যারেড গ্রাউন্ডে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন' -পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

'১৮৫৭ সালে সুবেদার রজব আলী চট্টগ্রাম প্যারেড গ্রাউন্ডে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন' -পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

ঢাকায় ইসরাইলি বিমানের অবতরণ জাতির সাথে বেইমানির নামান্তর : ইসলামী ঐক্য আন্দোলন

ঢাকায় ইসরাইলি বিমানের অবতরণ জাতির সাথে বেইমানির নামান্তর : ইসলামী ঐক্য আন্দোলন

সোমালিয়ার নৌদস্যুদের চেয়েও বিএনপি অনেক বেশি ভয়ঙ্কর : পররাষ্ট্র মন্ত্রী

সোমালিয়ার নৌদস্যুদের চেয়েও বিএনপি অনেক বেশি ভয়ঙ্কর : পররাষ্ট্র মন্ত্রী

তন্বীর প্রেমের টানে নারায়ণগঞ্জ থেকে মোংলায় ছুটে আসছে সুবর্ণা

তন্বীর প্রেমের টানে নারায়ণগঞ্জ থেকে মোংলায় ছুটে আসছে সুবর্ণা

দলীয় কিছু মানুষের হাতে দেশের সম্পদ কেন্দ্রীভূত হচ্ছে

দলীয় কিছু মানুষের হাতে দেশের সম্পদ কেন্দ্রীভূত হচ্ছে

ইসরায়েল থেকে ঢাকায় বিমানের নজিরবিহীন অবতরণ: সর্বত্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়

ইসরায়েল থেকে ঢাকায় বিমানের নজিরবিহীন অবতরণ: সর্বত্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়

নতুন মৌসুমের আগে স্ট্রাইকারের খোঁজে ইউনাইটেড বস

নতুন মৌসুমের আগে স্ট্রাইকারের খোঁজে ইউনাইটেড বস

টোল ছাড়া এক্সপ্রেসওয়েতে উঠতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস, সমালোচনা

টোল ছাড়া এক্সপ্রেসওয়েতে উঠতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস, সমালোচনা

উচ্চ খরতাপের দহন দেশজুড়ে হিট এলার্ট জারি : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাঙ্গামাটিতে ৪০ ডিগ্রি

উচ্চ খরতাপের দহন দেশজুড়ে হিট এলার্ট জারি : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাঙ্গামাটিতে ৪০ ডিগ্রি

অবৈধ ইসরাইলের বিমান বাংলাদেশে অবতরণ কেন জনগণ জানতে চায় - মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ

অবৈধ ইসরাইলের বিমান বাংলাদেশে অবতরণ কেন জনগণ জানতে চায় - মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ

ইসরাইলি কার্গো বিমান বাংলাদেশের অবতরণ জাতির সাথে বেইমানির নামান্তর

ইসরাইলি কার্গো বিমান বাংলাদেশের অবতরণ জাতির সাথে বেইমানির নামান্তর

প্রকাশ্যে তরুণীকে মারধর; সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা

প্রকাশ্যে তরুণীকে মারধর; সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ডেকে আনতে পারেন বাইডেন : ডোনাল্ড ট্রাম্প

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ডেকে আনতে পারেন বাইডেন : ডোনাল্ড ট্রাম্প

নববর্ষে যেসব রাস্তা বন্ধ থাকবে, চলতে হবে যে পথে

নববর্ষে যেসব রাস্তা বন্ধ থাকবে, চলতে হবে যে পথে

কমলনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত উদ্যোক্তার মৃত্যু।

কমলনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত উদ্যোক্তার মৃত্যু।

ইসরায়েলের পাশে দাঁড়ালে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার ‘হুমকি’ ইরানের

ইসরায়েলের পাশে দাঁড়ালে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার ‘হুমকি’ ইরানের

বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

রাঙ্গামাটির দুর্গম-পার্বত্য সীমান্ত পরিদর্শন করলেন বিজিবির মহাপরিচালক

রাঙ্গামাটির দুর্গম-পার্বত্য সীমান্ত পরিদর্শন করলেন বিজিবির মহাপরিচালক

তীব্র তাপদাহ থাকতে পারে আরও ৩ দিন

তীব্র তাপদাহ থাকতে পারে আরও ৩ দিন