কল্লোল যুগের পরে ‘অগ্রগতি’-র কথা
বলেছিলাম, অনেক টাকা খরচ, অনেক লোক চাই, অনেক পরিশ্রম। সুভো বলল, বাবা টাকা দিতে রাজি হয়েছেন, টাকা থাকলে আবার ভাবনা কি। তবু তার বাবার সঙ্গে একদিন আলোচনা করলাম। সাপ্তাহিক ‘অগ্রগতির জন্য তোড়জোড় পুরোদমে চলতে লাগল। ভবিষ্যতের প্রধান লেখক হিসাবে সুভো ঠাকুর ঠিক করল আমাকেই সেটির সম্পাদনা করতে হবে। ছাপাখানাটা বড় করল, এবং আমাকে সাহায্য করাবার ব্যাপারে একজন সহকারী সম্পাদকের জন্য...